পশ্চিম তীরে নিয়ন্ত্রণ জোরদার ও নতুন বসতি স্থাপনের পথ তৈরির ইসরায়েলি সিদ্ধান্তকে ঘিরে মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ কয়েকটি দেশের তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের নেতৃত্বে সাতটি দেশ এই পদক্ষেপকে অবৈধ আখ্যা দিয়ে কঠোর ভাষায় নিন্দা জানিয়েছে। একই সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নও এই সিদ্ধান্তকে ভুল পথে আরেক ধাপ অগ্রসর হওয়া হিসেবে উল্লেখ করেছে।
নতুন সিদ্ধান্ত ঘিরে আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়া
ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোটরিচ ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ ঘোষিত পদক্ষেপের মধ্যে পশ্চিম তীরের জমি ইহুদি ইসরায়েলিদের কেনার অনুমতি দেওয়ার বিষয়টি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। মুসলিম বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এক যৌথ অবস্থানে জানায়, এসব পদক্ষেপ অবৈধ সার্বভৌমত্ব চাপিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা এবং দখলকৃত অঞ্চলে নতুন প্রশাসনিক বাস্তবতা তৈরি করার পরিকল্পনার অংশ। তাদের মতে, এটি বসতি সম্প্রসারণকে স্থায়ী করবে এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বাস্তুচ্যুতি ত্বরান্বিত করবে।
:max_bytes(150000):strip_icc()/GettyImages-126363856-59c67c1aaad52b0011324376.jpg)
ইউরোপীয় ইউনিয়নের অবস্থান
ইউরোপীয় ইউনিয়নও পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের নিয়ন্ত্রণ বিস্তারের সিদ্ধান্তের নিন্দা জানিয়েছে। সংস্থাটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সাম্প্রতিক সিদ্ধান্ত পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে এবং শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য এটি নেতিবাচক বার্তা বহন করছে।
পশ্চিম তীরে প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ বদলের পরিকল্পনা
ইসরায়েলের নতুন পরিকল্পনায় ফিলিস্তিনি শহরগুলোর কিছু অংশে বসতি নির্মাণসংক্রান্ত অনুমোদনের ক্ষমতা ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের পৌর প্রশাসন থেকে সরিয়ে ইসরায়েলের হাতে নেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। বিশেষ করে হেবরন শহরকে কেন্দ্র করে এই পরিবর্তনের বিষয়টি গুরুত্ব পাচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, এতে দখলকৃত অঞ্চলে ইসরায়েলের প্রাতিষ্ঠানিক উপস্থিতি আরও দৃঢ় হবে।

ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র ধারণা নিয়ে স্পষ্ট বার্তা
ইসরায়েলি নেতৃত্বের ভাষ্য অনুযায়ী, এই পদক্ষেপের লক্ষ্য ঐতিহাসিক ভূখণ্ডে তাদের শিকড় আরও গভীর করা এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ধারণাকে স্থায়ীভাবে দুর্বল করা। ফলে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা বৃদ্ধির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















