০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬

অধ্যাদেশ জারি: দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের বদলে ৬০ দিন

জমির দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্রপতি ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন। এই অধ্যাদেশে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা আগের ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ জারির প্রেক্ষাপট
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ই-রেজিস্ট্রেশনের বিধান
অধ্যাদেশে জমির ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।

ফি ও কর আদায়ে জবাবদিহি
সংশোধনী অনুযায়ী, ভুলভাবে ফি বা কর আদায় হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে। বকেয়া অর্থ ওই কর্মকর্তার কাছ থেকেই আদায় করা হবে। একই সঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ
আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী হেবা ঘোষণা এবং হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণাও নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতা’ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে।

অনিয়মে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য
নতুন উপ-ধারা যুক্ত করে বলা হয়েছে, পরিদর্শন বা অন্য কোনো উপায়ে প্রমাণ হলে যে কোনো দলিল অনিয়মিত ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্কে নিবন্ধিত হয়েছে, তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ অবস্থায় অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, নিবন্ধনসংক্রান্ত কোনো আপিল দাখিলের ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।

অধ্যাদেশ জারি: দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা ৩০ দিনের বদলে ৬০ দিন

০৯:২৯:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

জমির দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে আধুনিক ও ডিজিটাল করার লক্ষ্য নিয়ে রাষ্ট্রপতি ‘নিবন্ধন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৬’ জারি করেছেন। এই অধ্যাদেশে দলিল নিবন্ধনের সময়সীমা আগের ৩০ দিনের পরিবর্তে ৬০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

অধ্যাদেশ জারির প্রেক্ষাপট
বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ থেকে অধ্যাদেশটি জারি করা হয়। ১৯০৮ সালের নিবন্ধন আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধন ব্যবস্থাকে সময়োপযোগী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ই-রেজিস্ট্রেশনের বিধান
অধ্যাদেশে জমির ই-রেজিস্ট্রেশন বা ডিজিটাল নিবন্ধনের সুযোগ রাখা হয়েছে। সরকার অনুমোদিত সফটওয়্যার ব্যবহার করে বিধি অনুযায়ী দলিল উপস্থাপন, নিবন্ধনের জন্য গ্রহণ এবং নিবন্ধনসহ সংশ্লিষ্ট সব কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতিতে সম্পন্ন করা যাবে। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় বিধিমালা প্রণয়ন করবে।

ফি ও কর আদায়ে জবাবদিহি
সংশোধনী অনুযায়ী, ভুলভাবে ফি বা কর আদায় হলে তার দায় সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার ওপর বর্তাবে। বকেয়া অর্থ ওই কর্মকর্তার কাছ থেকেই আদায় করা হবে। একই সঙ্গে আপিল ও আবেদনের নিষ্পত্তিতে নির্দিষ্ট সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে।

নিবন্ধনের আওতা সম্প্রসারণ
আইন সংশোধনের মাধ্যমে দলিল নিবন্ধনের পরিধি বাড়ানো হয়েছে। বিক্রয়ের পাশাপাশি মুসলিম ব্যক্তিগত আইন অনুযায়ী হেবা ঘোষণা এবং হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ব্যক্তিগত আইনের অধীনে দানের ঘোষণাও নিবন্ধনের আওতায় আনা হয়েছে। এ ক্ষেত্রে ‘বিক্রেতা’ শব্দের সঙ্গে ‘অথবা দাতা’ শব্দ যুক্ত করা হয়েছে।

অনিয়মে অসদাচরণ হিসেবে গণ্য
নতুন উপ-ধারা যুক্ত করে বলা হয়েছে, পরিদর্শন বা অন্য কোনো উপায়ে প্রমাণ হলে যে কোনো দলিল অনিয়মিত ফি, কর, সার্ভিস চার্জ বা শুল্কে নিবন্ধিত হয়েছে, তা অসদাচরণ হিসেবে বিবেচিত হবে। এ অবস্থায় অনাদায়ী অর্থ সংশ্লিষ্ট নিবন্ধন কর্মকর্তার কাছ থেকে আদায় করা হবে।

আপিল নিষ্পত্তির সময়সীমা
অধ্যাদেশে আরও বলা হয়েছে, নিবন্ধনসংক্রান্ত কোনো আপিল দাখিলের ৪৫ দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রারকে তা নিষ্পত্তি করতে হবে।