০৪:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক: যুদ্ধ ঠেকাতে জেনেভায় উত্তেজনাপূর্ণ কূটনীতি পাক–আফগান যুদ্ধ সামরিক শক্তিতে কতটা এগিয়ে পাকিস্তান? নিউজিল্যান্ডের ‘স্ট্রিট স্মার্ট’ চ্যালেঞ্জ, ইংল্যান্ডকে হারালেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত হলিউডের ইতিহাস হাতের মুঠোয়, নিলামে উঠছে ‘জস’ হারপুন গান থেকে ‘স্টার ওয়ার্স’ লাইটসেবার পাক-আফগান সংঘর্ষে উত্তপ্ত সীমান্ত, আসিম মুনিরের ক্ষমতা আরও দৃঢ়, ইসলামাবাদের নির্বাচিত নেতৃত্ব কোণঠাসা সৃজনশীল শিল্পে টেকসই উন্নয়নের রূপরেখা, শারজাহ রমজান মজলিসে ভবিষ্যৎ অর্থনীতির বার্তা কলকাতায় ভূমিকম্পের তীব্র কম্পন, উপকেন্দ্র খুলনার কাছে: মাত্রা ৫.৫, আতঙ্কে রাস্তায় মানুষ পাকিস্তানে জঙ্গিবিরোধী অভিযানে ৩৪ নিহত, আফগান সীমান্তে উত্তেজনা তীব্র টেক্সাস সীমান্তে মার্কিন সামরিক লেজারে ড্রোন ভূপাতিত, এল পাসো আকাশসীমার আরও অংশ বন্ধ রাহুলের বিস্ফোরক অভিযোগ, মার্কিন চুক্তিতে কৃষক বলি—মোদিকে ট্রাম্পের চাপে নতজানু বলে দাবি

রেজোলিউশন কেন ভেঙে যায়, আর কীভাবে টেকে—বিজ্ঞান কী বলছে

“নতুন শুরু” অনুভূতি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন
নতুন বছরের রেজোলিউশন মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, কারণ ক্যালেন্ডার বদল মানসিকভাবে একটি নতুন অধ্যায়ের মতো মনে হয়। আচরণবিজ্ঞানে একে বলা হয় “ফ্রেশ স্টার্ট” প্রভাব—এক ধরনের সময়গত মাইলফলক, যা মানুষকে মনে করায় পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্দীপনা দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। এরপর দৈনন্দিন চাপ, কাজের ব্যস্ততা, এবং পুরোনো অভ্যাসের টান আবার সামনে এসে দাঁড়ায়।
এই কারণেই রেজোলিউশন ভাঙা এত সাধারণ। ইচ্ছাশক্তি সব সময় সমান থাকে না। আর জীবন মূলত ছোট ছোট সংকেত, অভ্যাস ও পরিবেশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। পরিবেশ যদি আগের মতো থাকে, আচরণও আগের দিকে ফিরে যেতে চায়।

বড় প্রতিশ্রুতি নয়, ছোট লক্ষ্য বেশি কার্যকর
গবেষণা দেখায়, ছোট ও নিয়মিত লক্ষ্য বড় পরিবর্তনের চেয়ে বেশি টেকসই। “আরও ব্যায়াম করব” অস্পষ্ট, কিন্তু “দুপুরের খাবারের পর ১০ মিনিট হাঁটব” স্পষ্ট। ছোট লক্ষ্য শুরু করতে সহজ, তাই ধারাবাহিক হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অনেক সময় মানুষ ব্যর্থ হয় ইচ্ছাশক্তির অভাবে নয়, বরং শুরু করার জড়তা বা ক্লান্তির কারণে।
এখানে পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। “যদি-তবে” নিয়ম—যদি রাত ৭টা হয়, তবে আগামীকালের পোশাক গুছিয়ে রাখব—ইচ্ছাকে বাস্তব সংকেতে রূপ দেয়। অগ্রগতি ট্র্যাক করা সাহায্য করে, কারণ এতে নিজের কাছে সত্যটা পরিষ্কার হয় এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

পরিবেশ ডিজাইন করাই মূল কৌশল
অভ্যাস বদলাতে পরিবেশকে সহায়ক করতে হয়। প্রলোভন দূরে রাখা, দরকারি জিনিস আগে থেকে প্রস্তুত করা, একই সময়ে একই কাজ করার সংকেত তৈরি—এসব সফলতার সম্ভাবনা বাড়ায়। সামাজিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীর সমর্থন থাকলে লক্ষ্য একা একা লড়াইয়ের মতো লাগে না।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রেজোলিউশন ব্যর্থ হয় যখন তা কেবল মুড বা অনুপ্রেরণার ওপর নির্ভর করে। সফল হয় যখন তা একটি সিস্টেমের ওপর দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে বাস্তবসম্মত পথ হলো লক্ষ্য ছোট করা নয়, বরং লক্ষ্যকে স্মার্টভাবে ডিজাইন করা।

যুক্তরাষ্ট্র–ইরান বৈঠক: যুদ্ধ ঠেকাতে জেনেভায় উত্তেজনাপূর্ণ কূটনীতি

রেজোলিউশন কেন ভেঙে যায়, আর কীভাবে টেকে—বিজ্ঞান কী বলছে

০৩:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

“নতুন শুরু” অনুভূতি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন
নতুন বছরের রেজোলিউশন মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, কারণ ক্যালেন্ডার বদল মানসিকভাবে একটি নতুন অধ্যায়ের মতো মনে হয়। আচরণবিজ্ঞানে একে বলা হয় “ফ্রেশ স্টার্ট” প্রভাব—এক ধরনের সময়গত মাইলফলক, যা মানুষকে মনে করায় পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্দীপনা দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। এরপর দৈনন্দিন চাপ, কাজের ব্যস্ততা, এবং পুরোনো অভ্যাসের টান আবার সামনে এসে দাঁড়ায়।
এই কারণেই রেজোলিউশন ভাঙা এত সাধারণ। ইচ্ছাশক্তি সব সময় সমান থাকে না। আর জীবন মূলত ছোট ছোট সংকেত, অভ্যাস ও পরিবেশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। পরিবেশ যদি আগের মতো থাকে, আচরণও আগের দিকে ফিরে যেতে চায়।

বড় প্রতিশ্রুতি নয়, ছোট লক্ষ্য বেশি কার্যকর
গবেষণা দেখায়, ছোট ও নিয়মিত লক্ষ্য বড় পরিবর্তনের চেয়ে বেশি টেকসই। “আরও ব্যায়াম করব” অস্পষ্ট, কিন্তু “দুপুরের খাবারের পর ১০ মিনিট হাঁটব” স্পষ্ট। ছোট লক্ষ্য শুরু করতে সহজ, তাই ধারাবাহিক হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অনেক সময় মানুষ ব্যর্থ হয় ইচ্ছাশক্তির অভাবে নয়, বরং শুরু করার জড়তা বা ক্লান্তির কারণে।
এখানে পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। “যদি-তবে” নিয়ম—যদি রাত ৭টা হয়, তবে আগামীকালের পোশাক গুছিয়ে রাখব—ইচ্ছাকে বাস্তব সংকেতে রূপ দেয়। অগ্রগতি ট্র্যাক করা সাহায্য করে, কারণ এতে নিজের কাছে সত্যটা পরিষ্কার হয় এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

পরিবেশ ডিজাইন করাই মূল কৌশল
অভ্যাস বদলাতে পরিবেশকে সহায়ক করতে হয়। প্রলোভন দূরে রাখা, দরকারি জিনিস আগে থেকে প্রস্তুত করা, একই সময়ে একই কাজ করার সংকেত তৈরি—এসব সফলতার সম্ভাবনা বাড়ায়। সামাজিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীর সমর্থন থাকলে লক্ষ্য একা একা লড়াইয়ের মতো লাগে না।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রেজোলিউশন ব্যর্থ হয় যখন তা কেবল মুড বা অনুপ্রেরণার ওপর নির্ভর করে। সফল হয় যখন তা একটি সিস্টেমের ওপর দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে বাস্তবসম্মত পথ হলো লক্ষ্য ছোট করা নয়, বরং লক্ষ্যকে স্মার্টভাবে ডিজাইন করা।