০৭:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৫ জানুয়ারী ২০২৬
পর্দার সামনে থেকে ক্যামেরার পেছনে কেট উইন্সলেট: তিন দশকের অভিনয় ছুঁয়ে সাহসী নতুন অধ্যায় মাদুরো আটক, ট্রাম্প পন্থীদের উল্লাসে আমেরিকা ফার্স্ট বিতর্কের নতুন মোড় মোহাম্মদপুরে দুঃসাহসিক স্বর্ণালঙ্কার চুরি, রাজধানীর নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্বেগ চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে ১৪ বছর পর বেইজিংয়ে আইরিশ প্রধানমন্ত্রীর সফর বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতার থানায় হুমকির পরে গ্রেফতার ও মুক্তি, আইনের শাসন নিয়ে প্রশ্ন ভারতের বৌদ্ধ ঐতিহ্যের সঙ্গে বিশ্বের হৃদয়ের সেতুবন্ধন, মোদি বললেন বুদ্ধ কেবল অতীত নন, বর্তমানও উড়ন্ত গাড়ি থেকে কৃত্রিম সূর্য, আগামীর প্রযুক্তি এখন বাস্তবের দোরগোড়ায় মাদুরো গ্রেপ্তার, তবু ভেনেজুয়েলার ক্ষমতার মঞ্চে তার ঘনিষ্ঠরাই সক্রিয় রেকর্ডের আড়ালে আকাশপথের বাস্তবতা: লাভ বাড়লেও চাপ কমেনি সুইস আল্পসে নববর্ষের রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, শোকে স্তব্ধ ক্রাঁস-মোন্তানা

রেজোলিউশন কেন ভেঙে যায়, আর কীভাবে টেকে—বিজ্ঞান কী বলছে

“নতুন শুরু” অনুভূতি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন
নতুন বছরের রেজোলিউশন মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, কারণ ক্যালেন্ডার বদল মানসিকভাবে একটি নতুন অধ্যায়ের মতো মনে হয়। আচরণবিজ্ঞানে একে বলা হয় “ফ্রেশ স্টার্ট” প্রভাব—এক ধরনের সময়গত মাইলফলক, যা মানুষকে মনে করায় পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্দীপনা দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। এরপর দৈনন্দিন চাপ, কাজের ব্যস্ততা, এবং পুরোনো অভ্যাসের টান আবার সামনে এসে দাঁড়ায়।
এই কারণেই রেজোলিউশন ভাঙা এত সাধারণ। ইচ্ছাশক্তি সব সময় সমান থাকে না। আর জীবন মূলত ছোট ছোট সংকেত, অভ্যাস ও পরিবেশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। পরিবেশ যদি আগের মতো থাকে, আচরণও আগের দিকে ফিরে যেতে চায়।

বড় প্রতিশ্রুতি নয়, ছোট লক্ষ্য বেশি কার্যকর
গবেষণা দেখায়, ছোট ও নিয়মিত লক্ষ্য বড় পরিবর্তনের চেয়ে বেশি টেকসই। “আরও ব্যায়াম করব” অস্পষ্ট, কিন্তু “দুপুরের খাবারের পর ১০ মিনিট হাঁটব” স্পষ্ট। ছোট লক্ষ্য শুরু করতে সহজ, তাই ধারাবাহিক হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অনেক সময় মানুষ ব্যর্থ হয় ইচ্ছাশক্তির অভাবে নয়, বরং শুরু করার জড়তা বা ক্লান্তির কারণে।
এখানে পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। “যদি-তবে” নিয়ম—যদি রাত ৭টা হয়, তবে আগামীকালের পোশাক গুছিয়ে রাখব—ইচ্ছাকে বাস্তব সংকেতে রূপ দেয়। অগ্রগতি ট্র্যাক করা সাহায্য করে, কারণ এতে নিজের কাছে সত্যটা পরিষ্কার হয় এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

পরিবেশ ডিজাইন করাই মূল কৌশল
অভ্যাস বদলাতে পরিবেশকে সহায়ক করতে হয়। প্রলোভন দূরে রাখা, দরকারি জিনিস আগে থেকে প্রস্তুত করা, একই সময়ে একই কাজ করার সংকেত তৈরি—এসব সফলতার সম্ভাবনা বাড়ায়। সামাজিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীর সমর্থন থাকলে লক্ষ্য একা একা লড়াইয়ের মতো লাগে না।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রেজোলিউশন ব্যর্থ হয় যখন তা কেবল মুড বা অনুপ্রেরণার ওপর নির্ভর করে। সফল হয় যখন তা একটি সিস্টেমের ওপর দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে বাস্তবসম্মত পথ হলো লক্ষ্য ছোট করা নয়, বরং লক্ষ্যকে স্মার্টভাবে ডিজাইন করা।

পর্দার সামনে থেকে ক্যামেরার পেছনে কেট উইন্সলেট: তিন দশকের অভিনয় ছুঁয়ে সাহসী নতুন অধ্যায়

রেজোলিউশন কেন ভেঙে যায়, আর কীভাবে টেকে—বিজ্ঞান কী বলছে

০৩:০০:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ জানুয়ারী ২০২৬

“নতুন শুরু” অনুভূতি, কিন্তু বাস্তবতা কঠিন
নতুন বছরের রেজোলিউশন মানুষকে অনুপ্রাণিত করে, কারণ ক্যালেন্ডার বদল মানসিকভাবে একটি নতুন অধ্যায়ের মতো মনে হয়। আচরণবিজ্ঞানে একে বলা হয় “ফ্রেশ স্টার্ট” প্রভাব—এক ধরনের সময়গত মাইলফলক, যা মানুষকে মনে করায় পরিবর্তন সম্ভব। কিন্তু এই প্রাথমিক উদ্দীপনা দ্রুত ফিকে হয়ে যায়। এরপর দৈনন্দিন চাপ, কাজের ব্যস্ততা, এবং পুরোনো অভ্যাসের টান আবার সামনে এসে দাঁড়ায়।
এই কারণেই রেজোলিউশন ভাঙা এত সাধারণ। ইচ্ছাশক্তি সব সময় সমান থাকে না। আর জীবন মূলত ছোট ছোট সংকেত, অভ্যাস ও পরিবেশের ওপর দাঁড়িয়ে থাকে। পরিবেশ যদি আগের মতো থাকে, আচরণও আগের দিকে ফিরে যেতে চায়।

বড় প্রতিশ্রুতি নয়, ছোট লক্ষ্য বেশি কার্যকর
গবেষণা দেখায়, ছোট ও নিয়মিত লক্ষ্য বড় পরিবর্তনের চেয়ে বেশি টেকসই। “আরও ব্যায়াম করব” অস্পষ্ট, কিন্তু “দুপুরের খাবারের পর ১০ মিনিট হাঁটব” স্পষ্ট। ছোট লক্ষ্য শুরু করতে সহজ, তাই ধারাবাহিক হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। অনেক সময় মানুষ ব্যর্থ হয় ইচ্ছাশক্তির অভাবে নয়, বরং শুরু করার জড়তা বা ক্লান্তির কারণে।
এখানে পরিকল্পনা গুরুত্বপূর্ণ। “যদি-তবে” নিয়ম—যদি রাত ৭টা হয়, তবে আগামীকালের পোশাক গুছিয়ে রাখব—ইচ্ছাকে বাস্তব সংকেতে রূপ দেয়। অগ্রগতি ট্র্যাক করা সাহায্য করে, কারণ এতে নিজের কাছে সত্যটা পরিষ্কার হয় এবং ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।

পরিবেশ ডিজাইন করাই মূল কৌশল
অভ্যাস বদলাতে পরিবেশকে সহায়ক করতে হয়। প্রলোভন দূরে রাখা, দরকারি জিনিস আগে থেকে প্রস্তুত করা, একই সময়ে একই কাজ করার সংকেত তৈরি—এসব সফলতার সম্ভাবনা বাড়ায়। সামাজিক পরিবেশও গুরুত্বপূর্ণ। বন্ধু, পরিবার বা সহকর্মীর সমর্থন থাকলে লক্ষ্য একা একা লড়াইয়ের মতো লাগে না।
সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো—রেজোলিউশন ব্যর্থ হয় যখন তা কেবল মুড বা অনুপ্রেরণার ওপর নির্ভর করে। সফল হয় যখন তা একটি সিস্টেমের ওপর দাঁড়ায়। ২০২৬ সালে বাস্তবসম্মত পথ হলো লক্ষ্য ছোট করা নয়, বরং লক্ষ্যকে স্মার্টভাবে ডিজাইন করা।