আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সব ধরনের সাংগঠনিক নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশের মধ্যেও শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে ইতিবাচক অবস্থান দেখিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বৈঠকের পর বক্তব্য
মঙ্গলবার রাজধানীর নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের সহসভাপতি সাদিক কায়েম। তিনি বলেন, ছাত্র সংসদ নির্বাচন যথাসময়ে আয়োজনের বিষয়ে কমিশন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।
নির্দেশনার পরও আলোচনা অব্যাহত
এর আগের দিন সোমবার নির্বাচন কমিশন আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠেয় ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের আগে সব ধরনের সাংগঠনিক নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশ দেয়। এ নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সরকারের সঙ্গে আগেই আলোচনা হয়েছে বলে জানান সাদিক কায়েম।
নির্বাচনের সময়সূচি ও আপত্তি

সাদিক কায়েম বলেন, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন নির্ধারিত রয়েছে আগামী ২০ জানুয়ারি এবং বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্বাচন ২১ জানুয়ারি। অথচ জাতীয় নির্বাচন রয়েছে প্রায় তিন সপ্তাহ পর, ১২ ফেব্রুয়ারি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, নিরাপত্তার অজুহাতে তিন সপ্তাহ আগেই একটি ছাত্র সংসদ নির্বাচন বন্ধ করা যুক্তিসংগত হতে পারে না। এ ধরনের সিদ্ধান্তকে তিনি অগণতান্ত্রিক আখ্যা দিয়ে বলেন, ছাত্রসমাজ তা মেনে নেবে না।
নির্বাচন কমিশনের ব্যাখ্যা
সোমবার জারি করা নির্দেশনায় নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সম্পূর্ণভাবে প্রভাবমুক্ত রাখতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চিঠির মাধ্যমে রিটার্নিং কর্মকর্তাদের জানানো হয়, এই নিষেধাজ্ঞা পেশাজীবী সংগঠন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, পরিবহন মালিক ও শ্রমিক সংগঠন, সাংবাদিক ও ব্যবসায়ী সংগঠন, সমবায় সমিতি, ট্রেড ইউনিয়নসহ সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।
এই প্রেক্ষাপটে শাবিপ্রবি ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ নির্বাচন নিয়ে নির্বাচন কমিশনের ইতিবাচক মনোভাব শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















