নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলায় একটি মাদরাসার প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক সাবেক ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে মাদরাসাটিতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক ঘটনার পর থেকেই পলাতক রয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ঘটনার বিবরণ
চরজব্বর ইউনিয়নের উত্তর চর হাসান গ্রামের সৈয়দ মুন্সি বাড়ি মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক মাহমুদুল হাসান (৩৫) পিরোজপুর জেলার বাসিন্দা। তিনি ওই মাদরাসায় প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী ছাত্রীটি ওই মাদরাসার সাবেক শিক্ষার্থী। বর্তমানে সে নোয়াখালী সদর উপজেলার নুরু পাটোয়ারীহাট মাদরাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশোনা করছে। অভিযোগ রয়েছে, আগের মাদরাসায় পড়ার সময় প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে ছাত্রীর অনৈতিক সম্পর্ক গড়ে ওঠে। গত ৭ জানুয়ারি তিনি ওই ছাত্রীকে নিয়ে পালিয়ে যান। পরে পরিবারের সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন।

মাদরাসায় তালা ও অগ্নিসংযোগ
ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্ত শিক্ষকের মাদরাসায় তালা ঝুলিয়ে দেন। এতে প্রায় এক সপ্তাহ মাদরাসাটি বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মাদরাসাটিতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পুলিশের বক্তব্য
চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. লুৎফুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। মাদরাসায় কোনো শিক্ষার্থী না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
তিনি আরও জানান, ছাত্রীকে নিয়ে পালানোর ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সুধারাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। অগ্নিসংযোগের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ছাত্রীটি তার পরিবারের হেফাজতে রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















