০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইউরোপের পেনশন খাতের ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা: অব্যবহৃত সম্পদে লুকিয়ে অর্থনীতির নতুন শক্তি মেধা পাচার নাকি নতুন বৈজ্ঞানিক মানচিত্র? গবেষণা তহবিল কমতেই যুক্তরাষ্ট্র ছাড়ছেন বিজ্ঞানীরা হলিউডে অর্ধশতকের সংগ্রাম শেষে তারকার মর্যাদা, শেরিল লি রালফের অনুপ্রেরণার গল্প ফর্মুলা ওয়ানে নতুন প্রজন্মের ঝড়, তরুণ দর্শক টানতে বদলে যাচ্ছে মোটর রেসিংয়ের দুনিয়া অস্কারের দৌড়ে অপ্রতিরোধ্য তেয়ানা টেইলর: অভিনয়, সংগীত ও পরিচালনায় এক সৃজনশীল বিস্ময় ইউরোপের প্রযুক্তিখাতে নতুন ভোর: বিনিয়োগ, প্রতিভা ও উদ্ভাবনে বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ ‘ধুরন্ধর ২’ পাকিস্তানে নিষিদ্ধ হতে পারে—তবু চিন্তিত নন পরিচালক আদিত্য ধর জার্মানির শিল্পশক্তি ব্যাডেন-ভুর্টেমবার্গে নির্বাচনী আতঙ্ক, গাড়ি শিল্পের সংকটে ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বেগ ব্রিটেনের অর্থনীতিতে ঝড়ের ইঙ্গিত, শান্ত ঘোষণার আড়ালে বাড়ছে বড় সংকটের আশঙ্কা ব্রিটিশ রাজনীতিতে নতুন শ্রেণি বিভাজন: মূলধারার দল ছেড়ে জনতার ঝোঁক নতুন শক্তির দিকে

বিশ্বকাপ বয়কট হলেও বোর্ডের ক্ষতি নেই, চাপ পড়বে ক্রিকেটারদের উপর আইসিসিকে পাল্টা বার্তা বাংলাদেশের

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক ক্ষতি হবে না বলে স্পষ্ট জানাল বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে ক্রিকেটারদের আয়ের উপর, বোর্ডের মূল আয়ে নয়। আইসিসির সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।

বোর্ডের আয় আগেই নির্ধারিত
নাজমুল ইসলামের ব্যাখ্যায়, বর্তমান চক্রে আইসিসি থেকে বোর্ড যে অর্থ পাবে, তা আগেই নির্ধারিত হয়েছে। দুই হাজার বাইশ সালে আইসিসির আর্থিক বৈঠকে এই আয়ের কাঠামো চূড়ান্ত হয়। ফলে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিল কি নিল না, তাতে বোর্ডের রাজস্বে কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না। তাঁর কথায়, দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বোর্ডের আয় সুরক্ষিত।

বাংলাদেশের আপত্তির পর জয় শাহর নির্দেশে বিশ্বকাপের নতুন সূচি হচ্ছে -  NewsNow24

ক্ষতি কার, লাভ কার
বোর্ডপ্রধানের যুক্তি অনুযায়ী, ম্যাচ খেললেই ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পান। ভালো পারফরম্যান্স, ম্যাচসেরা পুরস্কার কিংবা বিশেষ কৃতিত্বের জন্যও আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ মেলে। এই অর্থ সরাসরি ক্রিকেটারদের প্রাপ্য। দল বিশ্বকাপে না খেললে এই আয়টাই বন্ধ হয়ে যাবে। বোর্ডের লাভ বা ক্ষতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই
যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বোর্ডের আর্থিক ক্ষতির কথা অস্বীকার করেছেন নাজমুল ইসলাম, তবু দীর্ঘমেয়াদে কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা আন্তর্জাতিক সূচি ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব পড়তে পারে কি না, সেই আলোচনা আলাদা করে হবে বলে জানান তিনি। তবে বর্তমান বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বোর্ডের অর্থনীতিতে কোনো ধাক্কা লাগবে না বলেই তাঁর দাবি।

জয় শাহর নির্দেশে বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরি করছে আইসিসি

বার্তা পরিষ্কার
সব মিলিয়ে বোর্ডের অবস্থান স্পষ্ট। বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে প্রথম আর্থিক ধাক্কা আসবে ড্রেসিংরুমে। বোর্ডের হিসাব খাতা আপাতত নিরাপদ থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইউরোপের পেনশন খাতের ৩০ ট্রিলিয়ন ডলারের সম্ভাবনা: অব্যবহৃত সম্পদে লুকিয়ে অর্থনীতির নতুন শক্তি

বিশ্বকাপ বয়কট হলেও বোর্ডের ক্ষতি নেই, চাপ পড়বে ক্রিকেটারদের উপর আইসিসিকে পাল্টা বার্তা বাংলাদেশের

০২:৫০:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ালে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আর্থিক ক্ষতি হবে না বলে স্পষ্ট জানাল বোর্ডের অর্থ কমিটির চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম। তাঁর দাবি, এই সিদ্ধান্তের সরাসরি প্রভাব পড়বে ক্রিকেটারদের আয়ের উপর, বোর্ডের মূল আয়ে নয়। আইসিসির সঙ্গে চলমান টানাপোড়েনের মধ্যেই তাঁর এই বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিল।

বোর্ডের আয় আগেই নির্ধারিত
নাজমুল ইসলামের ব্যাখ্যায়, বর্তমান চক্রে আইসিসি থেকে বোর্ড যে অর্থ পাবে, তা আগেই নির্ধারিত হয়েছে। দুই হাজার বাইশ সালে আইসিসির আর্থিক বৈঠকে এই আয়ের কাঠামো চূড়ান্ত হয়। ফলে আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বাংলাদেশ অংশ নিল কি নিল না, তাতে বোর্ডের রাজস্বে কোনো ঘাটতি তৈরি হবে না। তাঁর কথায়, দুই হাজার সাতাশ সাল পর্যন্ত বোর্ডের আয় সুরক্ষিত।

বাংলাদেশের আপত্তির পর জয় শাহর নির্দেশে বিশ্বকাপের নতুন সূচি হচ্ছে -  NewsNow24

ক্ষতি কার, লাভ কার
বোর্ডপ্রধানের যুক্তি অনুযায়ী, ম্যাচ খেললেই ক্রিকেটাররা ম্যাচ ফি পান। ভালো পারফরম্যান্স, ম্যাচসেরা পুরস্কার কিংবা বিশেষ কৃতিত্বের জন্যও আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী অতিরিক্ত অর্থ মেলে। এই অর্থ সরাসরি ক্রিকেটারদের প্রাপ্য। দল বিশ্বকাপে না খেললে এই আয়টাই বন্ধ হয়ে যাবে। বোর্ডের লাভ বা ক্ষতির সঙ্গে এর কোনো সম্পর্ক নেই।

ভবিষ্যৎ প্রভাব নিয়ে প্রশ্ন থাকছেই
যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বোর্ডের আর্থিক ক্ষতির কথা অস্বীকার করেছেন নাজমুল ইসলাম, তবু দীর্ঘমেয়াদে কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছে। ভবিষ্যতের বিশ্বকাপ, দ্বিপাক্ষিক সিরিজ কিংবা আন্তর্জাতিক সূচি ব্যবস্থাপনায় এর প্রভাব পড়তে পারে কি না, সেই আলোচনা আলাদা করে হবে বলে জানান তিনি। তবে বর্তমান বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে বোর্ডের অর্থনীতিতে কোনো ধাক্কা লাগবে না বলেই তাঁর দাবি।

জয় শাহর নির্দেশে বিশ্বকাপের নতুন সূচি তৈরি করছে আইসিসি

বার্তা পরিষ্কার
সব মিলিয়ে বোর্ডের অবস্থান স্পষ্ট। বিশ্বকাপ থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত হলে প্রথম আর্থিক ধাক্কা আসবে ড্রেসিংরুমে। বোর্ডের হিসাব খাতা আপাতত নিরাপদ থাকবে।