পশ্চিমবঙ্গে নিপা ভাইরাস নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে। নতুন করে দুইজনের শরীরে নিপার প্রাথমিক উপসর্গ দেখা দেওয়ায় তাঁদের দ্রুত কলকাতার সংক্রামক রোগ হাসপাতাল ও বেলেঘাটা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে এই তথ্য জানা গেছে।
বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ থেকে কলকাতায় রেফার
স্বাস্থ্য দপ্তরের এক শীর্ষ আধিকারিক জানান, বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের এক জুনিয়র চিকিৎসক ও এক নার্স মঙ্গলবার থেকেই কলকাতার সংক্রামক রোগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাঁরা দুজনই সেই নার্সের চিকিৎসার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন, যিনি নিপা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন।

রাজ্যে মোট আক্রান্ত নার্সের সংখ্যা দুই
এখনও পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গে দুইজন নার্সের শরীরে নিপা ভাইরাসের সংক্রমণ নিশ্চিত হয়েছে। উত্তর চব্বিশ পরগনার বারাসতের একটি বেসরকারি হাসপাতালে তাঁদের চিকিৎসা চলছে। চিকিৎসকদের মতে, দুজনের অবস্থাই আশঙ্কাজনক। আক্রান্তদের একজন পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার বাসিন্দা, অন্যজন পূর্ব মেদিনীপুরের ময়নার বাসিন্দা।
সংস্পর্শে আসা স্বাস্থ্যকর্মীরা আইসোলেশনে
স্বাস্থ্য দপ্তর জানিয়েছে, কাটোয়ার নার্স প্রথমে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেই সময় তাঁর সংস্পর্শে আসা প্রায় আটত্রিশ জন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীকে বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
![]()
প্রাথমিক উপসর্গ ও নমুনা পরীক্ষা
নতুন করে সন্দেহভাজন জুনিয়র চিকিৎসক ও নার্সের সর্দি কাশি দেখা দেওয়ায় তাঁদের আলাদা করে রাখা হয়েছে। তাঁদের রক্ত ও নাসোফেরেঞ্জিয়াল নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হয়েছে বলে স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গেছে।
নিপা ভাইরাস কতটা ভয়ঙ্কর
চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, নিপা ভাইরাস মূলত ফলখেকো বাদুড়ের মাধ্যমে ছড়ায় এবং এই রোগে মৃত্যুহার প্রায় সত্তর শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে। তাই সামান্য উপসর্গ দেখা দিলে দ্রুত পরীক্ষা ও আইসোলেশন অত্যন্ত জরুরি বলে জানাচ্ছেন তাঁরা।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















