আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে কুষ্টিয়া-৪ আসনের প্রার্থীরা এলাকায় লুট হওয়া ও অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, এসব অস্ত্র অবাধে চলাচল করলে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠু ভোট গ্রহণ ব্যাহত হতে পারে। এ অবস্থায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
আইনশৃঙ্খলা নিয়ে মতবিনিময় সভা
শনিবার কুমারখালীর আবুল হোসেন তরুণ মিলনায়তনে কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাসিম উদ্দিনের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় এসব উদ্বেগ তুলে ধরেন প্রার্থীরা। সভায় তাঁরা বলেন, গত ৫ আগস্ট বিভিন্ন থানা থেকে লুট হওয়া সব অস্ত্র এখনো উদ্ধার হয়নি, যা নির্বাচনী পরিবেশের জন্য বড় হুমকি।
নদীপথে অস্ত্র পাচারের অভিযোগ
প্রার্থীদের অভিযোগ, পদ্মা ও গড়াই নদীপথ ব্যবহার করে অবৈধ অস্ত্র এক স্থান থেকে অন্য স্থানে সরানো হচ্ছে। এই পরিস্থিতি অব্যাহত থাকলে ভোটের দিন সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই দ্রুত অস্ত্র উদ্ধারে জোরালো অভিযান চালানোর দাবি জানান তাঁরা।
পুলিশ সুপারের আশ্বাস
প্রার্থীদের বক্তব্যের জবাবে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জাসিম উদ্দিন জানান, কুষ্টিয়া থেকে মোট ৫৫টি আগ্নেয়াস্ত্র নিখোঁজ হয়েছিল, যার মধ্যে ইতোমধ্যে ৩৮টি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি অস্ত্রগুলো উদ্ধারে অভিযান চলমান থাকবে বলে তিনি আশ্বাস দেন।
তিনি আরও বলেন, কুষ্টিয়ায় কোনোভাবেই অস্ত্রের ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। সব অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে তিনি সব প্রার্থীকে নির্বাচনী আচরণবিধি মেনে চলার আহ্বান জানান।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















