০২:৩৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬
ড্রাগনের যুদ্ধ ছেড়ে মানুষের ভেতরের লড়াই, ওয়েস্টেরসের নীরব যুগে নতুন যাত্রা সংযুক্তিতে শক্তি, পরিবারে ভবিষ্যৎ টম ভারলেনের অজানা ভাণ্ডার খুলে গেল মৃত্যুর তিন বছর পর জনসমক্ষে নিউইয়র্ক রকের রহস্যময় কিংবদন্তি শিল্পের নদী বয়ে যাবে মরুভূমিতে, দুবাইয়ে দশ কিলোমিটার বিস্তৃত অভিজ্ঞতামূলক শিল্পযাত্রা শুরু নাটকীয় লড়াইয়ে দুবাই ইনভিটেশনাল জিতলেন এলভিরা, আবেগে ভাসা এক স্বপ্নপূরণ রোকিডের স্ক্রিনহীন স্মার্টগ্লাস হাতে মুক্ত এআই যুগের ইঙ্গিত এ আর রহমানের বার্তা: ভারতই আমার প্রেরণা, শিক্ষক ও ঘর সংকল্পই শক্তি: সন্ত্রাস দমনে সংযুক্ত আরব আমিরাতের দৃঢ় অবস্থান ও আঞ্চলিক নিরাপত্তার কৌশল ট্রাম্পের কণ্ঠে খামেনির বিদায়ের ডাক, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান বাকযুদ্ধ আরও তীব্র সিরিয়ার বৃহত্তম তেলক্ষেত্র ছাড়ল কুর্দি বাহিনী, উত্তর ও পূর্বাঞ্চলে নিয়ন্ত্রণ বাড়াচ্ছে সরকার

টম ভারলেনের অজানা ভাণ্ডার খুলে গেল মৃত্যুর তিন বছর পর জনসমক্ষে নিউইয়র্ক রকের রহস্যময় কিংবদন্তি

নিউইয়র্ক রকের ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক রহস্যময় উপস্থিতি। আলো থেকে দূরে থাকা, কম কথা বলা, অথচ গিটারের প্রতিটি তারে শহরের আত্মাকে ধরে রাখা এক শিল্পী। টেলিভিশন ব্যান্ডের ফ্রন্টম্যান টম ভারলেনের মৃত্যুর তিন বছর পর সেই রহস্যের পর্দা কিছুটা সরল। তার রেখে যাওয়া বিশাল ব্যক্তিগত আর্কাইভ এখন নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির পারফর্মিং আর্টস বিভাগে সংরক্ষিত হচ্ছে, যা গবেষক ও সংগীত প্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

নিউইয়র্ক রকের নীরব স্থপতি
ম্যানহাটনের এক জীর্ণ স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টে দেয়ালঘেঁষে সাজানো ছিল পঁয়ত্রিশটি কার্ডবোর্ড বাক্স। মাসের পর মাস সেখানেই পড়ে ছিল টম ভারলেনের সৃষ্টিজগতের চিহ্ন। গানের খসড়া, হাতে লেখা নোটবুক, অপ্রকাশিত ছবি, সাহিত্যিক পরীক্ষানিরীক্ষা আর অজানা সুরে ভরা রিল টেপ। এই সবকিছুই এখন যুক্ত হয়েছে নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির সংগ্রহে, যেখানে লু রিড, জন কেজ ও আর্তুরো তোসকানিনির মতো কিংবদন্তিদের আর্কাইভ আগে থেকেই রয়েছে।

ভারলেনের গিটার ভাষা টেলিভিশনের বিখ্যাত গান মার্কি মুনের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছে। সোনিক ইয়ুথ থেকে শুরু করে দ্য স্ট্রোকস পর্যন্ত বহু ব্যান্ড তার সুরের ছায়া বহন করেছে। তবু তিনি ছিলেন আড়ালপ্রিয়। সাক্ষাৎকার এড়িয়ে চলতেন, সংগীত শিল্পের যন্ত্রণা থেকে নিজেকে দূরে রাখতেন এবং জীবনের শেষার্ধে খুব অল্প কাজ প্রকাশ করেছিলেন।

Tom Verlaine obituary | Tom Verlaine | The Guardian

সৃষ্টিশীলতা থেমে থাকেনি
এই আর্কাইভ সংগ্রহ করা হয়েছে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী ও সম্পত্তির নির্বাহক ইউটা কোয়েটারের কাছ থেকে। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, প্রকাশ্যে কম কাজ এলেও ভারলেনের সৃষ্টিশীলতা কখনো থামেনি। কখনো একটি রেকর্ডিং নিয়ে বছরের পর বছর কাজ করেছেন, গিটারের সাউন্ড নিখুঁত করতে বারবার অ্যাম্প্লিফায়ারের টিউব বদলেছেন, আবার হঠাৎ অন্য প্রকল্পে চলে গেছেন।

 

সংগ্রহে থাকা একশ পঁয়তাল্লিশ টি নোটবুকে রয়েছে গানের খসড়া, স্বপ্নের বিবরণ, চলচ্চিত্রের ধারণা আর নিজের প্রতি লেখা কঠোর মন্তব্য। তবে এই বিপুল ভাণ্ডার ছিল তার জমানো সামগ্রীর সামান্য অংশ। অনেক কিছুই তিনি ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কারণ অসম্পূর্ণ বা অনুশীলনের কাজ জনসমক্ষে আসুক তা তিনি চাননি।

নীরবতার আড়ালে জীবনের শেষ অধ্যায়
ইউটা কোয়েটারের ভাষায়, ভারলেন নিজের কাজের প্রক্রিয়া প্রকাশ করতে চাইতেন না। তিনি ছিলেন সন্দেহপ্রবণ ও ব্যক্তিগত। মৃত্যুর পর জানানো হয়েছিল, তিনি স্বল্পমেয়াদি অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে বাস্তবে তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিল। দুই হাজার উনিশ সালের দিকে দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দেয়। কোভিড সময়ে অসুস্থতা বাড়ে, গিটার বাজানোর শক্তিও হারান। চিকিৎসকদের এড়িয়ে চলতেন। শেষ পর্যন্ত দুই হাজার তেইশ সালের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তার জীবনাবসান ঘটে।

নাম বদলে গড়ে ওঠা এক কিংবদন্তি
নিউ জার্সি ও ডেলাওয়্যারে বেড়ে ওঠা থমাস মিলার পিয়ানো ও স্যাক্সোফোন বাজাতেন। পরে রোলিং স্টোনসের প্রভাবে হাতে নেন গিটার। স্কুল জীবনের বন্ধু রিচার্ড মেয়ার্সের সঙ্গে সংগীত ও কবিতার প্রেমে পড়ে তারা নিউইয়র্কে পাড়ি জমান। মিলার নিজের নাম নেন উনিশ শতকের ফরাসি কবি পল ভারলেনের থেকে, আর মেয়ার্স হয়ে ওঠেন রিচার্ড হেল।

সত্তরের দশকের শুরুতে ইস্ট ভিলেজের একটি বইয়ের দোকানে কাজ করতে করতেই গড়ে ওঠে নিওন বয়েজ, যা পরে টেলিভিশনে রূপ নেয়। বোয়ারিতে সিবিজিবি ক্লাবকে নিয়মিত মঞ্চ হিসেবে বেছে নেওয়ার সেই কিংবদন্তি সময় নিউইয়র্ক রকের ইতিহাস বদলে দেয়। প্যাটি স্মিথ তখন ভারলেনের গিটার বাজনাকে তুলনা করেছিলেন হাজার নীল পাখির চিৎকারের সঙ্গে।

Tom Verlaine obituary | Tom Verlaine | The Guardian

অপ্রকাশিত সুরের বিস্ময়
আর্কাইভের অর্ধেকের বেশি জুড়ে রয়েছে রেকর্ডিং। টেলিভিশনের স্টুডিও ও রিহার্সাল টেপ, একক কাজের অজানা ট্র্যাক, এমনকি ব্রায়ান ইনের সঙ্গে করা কিন্তু বাতিল হওয়া ডেমো সেশনও। রয়েছে হাজার হাজার ক্যাসেটের মধ্য থেকে বাঁচিয়ে রাখা প্রায় আড়াই শতাধিক রেকর্ডিং, যা তার সংগীত যাত্রার প্রায় প্রতিটি মাসের সাক্ষ্য বহন করে।

এই সংগ্রহ দেখায় একজন পরিশ্রমী শিল্পীর পূর্ণ ছবি। লাইব্রেরির কিউরেটরদের মতে, নিউইয়র্ক শহরের সংগীতজীবনের সঙ্গে ভারলেনের নিবিড় সম্পর্ক এই আর্কাইভকে আরও মূল্যবান করে তুলেছে।

গানের মধ্যেই উত্তর
প্যাটি স্মিথ নিজে হাতে লেখা এক চিঠিতে এই আর্কাইভ গ্রহণের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। তার মতে, বইয়ের সঙ্গে ভারলেনের সম্পর্ক না বললে তাকে বোঝা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ইউটা কোয়েটারও চান, ভারলেনের সংগীত জনসমক্ষে থাকুক, তবে তার ব্যক্তিগত জীবন থাকুক আড়ালেই।

টম ভারলেন হয়তো ক্যামেরার সামনে নিজেকে মেলে ধরেননি। কিন্তু তার রেখে যাওয়া নোট, সুর আর শব্দ আজ বলছে তার গল্প। আর সেই গল্পের উত্তর, যেমনটি তার সঙ্গী বলেছেন, লুকিয়ে আছে তার গানেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

ড্রাগনের যুদ্ধ ছেড়ে মানুষের ভেতরের লড়াই, ওয়েস্টেরসের নীরব যুগে নতুন যাত্রা

টম ভারলেনের অজানা ভাণ্ডার খুলে গেল মৃত্যুর তিন বছর পর জনসমক্ষে নিউইয়র্ক রকের রহস্যময় কিংবদন্তি

০১:০০:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬

নিউইয়র্ক রকের ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক রহস্যময় উপস্থিতি। আলো থেকে দূরে থাকা, কম কথা বলা, অথচ গিটারের প্রতিটি তারে শহরের আত্মাকে ধরে রাখা এক শিল্পী। টেলিভিশন ব্যান্ডের ফ্রন্টম্যান টম ভারলেনের মৃত্যুর তিন বছর পর সেই রহস্যের পর্দা কিছুটা সরল। তার রেখে যাওয়া বিশাল ব্যক্তিগত আর্কাইভ এখন নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির পারফর্মিং আর্টস বিভাগে সংরক্ষিত হচ্ছে, যা গবেষক ও সংগীত প্রেমীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

নিউইয়র্ক রকের নীরব স্থপতি
ম্যানহাটনের এক জীর্ণ স্টুডিও অ্যাপার্টমেন্টে দেয়ালঘেঁষে সাজানো ছিল পঁয়ত্রিশটি কার্ডবোর্ড বাক্স। মাসের পর মাস সেখানেই পড়ে ছিল টম ভারলেনের সৃষ্টিজগতের চিহ্ন। গানের খসড়া, হাতে লেখা নোটবুক, অপ্রকাশিত ছবি, সাহিত্যিক পরীক্ষানিরীক্ষা আর অজানা সুরে ভরা রিল টেপ। এই সবকিছুই এখন যুক্ত হয়েছে নিউইয়র্ক পাবলিক লাইব্রেরির সংগ্রহে, যেখানে লু রিড, জন কেজ ও আর্তুরো তোসকানিনির মতো কিংবদন্তিদের আর্কাইভ আগে থেকেই রয়েছে।

ভারলেনের গিটার ভাষা টেলিভিশনের বিখ্যাত গান মার্কি মুনের মাধ্যমে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রভাবিত করেছে। সোনিক ইয়ুথ থেকে শুরু করে দ্য স্ট্রোকস পর্যন্ত বহু ব্যান্ড তার সুরের ছায়া বহন করেছে। তবু তিনি ছিলেন আড়ালপ্রিয়। সাক্ষাৎকার এড়িয়ে চলতেন, সংগীত শিল্পের যন্ত্রণা থেকে নিজেকে দূরে রাখতেন এবং জীবনের শেষার্ধে খুব অল্প কাজ প্রকাশ করেছিলেন।

Tom Verlaine obituary | Tom Verlaine | The Guardian

সৃষ্টিশীলতা থেমে থাকেনি
এই আর্কাইভ সংগ্রহ করা হয়েছে তার দীর্ঘদিনের সঙ্গী ও সম্পত্তির নির্বাহক ইউটা কোয়েটারের কাছ থেকে। এতে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, প্রকাশ্যে কম কাজ এলেও ভারলেনের সৃষ্টিশীলতা কখনো থামেনি। কখনো একটি রেকর্ডিং নিয়ে বছরের পর বছর কাজ করেছেন, গিটারের সাউন্ড নিখুঁত করতে বারবার অ্যাম্প্লিফায়ারের টিউব বদলেছেন, আবার হঠাৎ অন্য প্রকল্পে চলে গেছেন।

 

সংগ্রহে থাকা একশ পঁয়তাল্লিশ টি নোটবুকে রয়েছে গানের খসড়া, স্বপ্নের বিবরণ, চলচ্চিত্রের ধারণা আর নিজের প্রতি লেখা কঠোর মন্তব্য। তবে এই বিপুল ভাণ্ডার ছিল তার জমানো সামগ্রীর সামান্য অংশ। অনেক কিছুই তিনি ধ্বংস করার নির্দেশ দিয়েছিলেন, কারণ অসম্পূর্ণ বা অনুশীলনের কাজ জনসমক্ষে আসুক তা তিনি চাননি।

নীরবতার আড়ালে জীবনের শেষ অধ্যায়
ইউটা কোয়েটারের ভাষায়, ভারলেন নিজের কাজের প্রক্রিয়া প্রকাশ করতে চাইতেন না। তিনি ছিলেন সন্দেহপ্রবণ ও ব্যক্তিগত। মৃত্যুর পর জানানো হয়েছিল, তিনি স্বল্পমেয়াদি অসুস্থতায় ভুগছিলেন। তবে বাস্তবে তার শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে ভেঙে পড়ছিল। দুই হাজার উনিশ সালের দিকে দুর্বলতার লক্ষণ দেখা দেয়। কোভিড সময়ে অসুস্থতা বাড়ে, গিটার বাজানোর শক্তিও হারান। চিকিৎসকদের এড়িয়ে চলতেন। শেষ পর্যন্ত দুই হাজার তেইশ সালের জানুয়ারিতে হাসপাতালে ভর্তি হন এবং কয়েক দিনের মধ্যেই তার জীবনাবসান ঘটে।

নাম বদলে গড়ে ওঠা এক কিংবদন্তি
নিউ জার্সি ও ডেলাওয়্যারে বেড়ে ওঠা থমাস মিলার পিয়ানো ও স্যাক্সোফোন বাজাতেন। পরে রোলিং স্টোনসের প্রভাবে হাতে নেন গিটার। স্কুল জীবনের বন্ধু রিচার্ড মেয়ার্সের সঙ্গে সংগীত ও কবিতার প্রেমে পড়ে তারা নিউইয়র্কে পাড়ি জমান। মিলার নিজের নাম নেন উনিশ শতকের ফরাসি কবি পল ভারলেনের থেকে, আর মেয়ার্স হয়ে ওঠেন রিচার্ড হেল।

সত্তরের দশকের শুরুতে ইস্ট ভিলেজের একটি বইয়ের দোকানে কাজ করতে করতেই গড়ে ওঠে নিওন বয়েজ, যা পরে টেলিভিশনে রূপ নেয়। বোয়ারিতে সিবিজিবি ক্লাবকে নিয়মিত মঞ্চ হিসেবে বেছে নেওয়ার সেই কিংবদন্তি সময় নিউইয়র্ক রকের ইতিহাস বদলে দেয়। প্যাটি স্মিথ তখন ভারলেনের গিটার বাজনাকে তুলনা করেছিলেন হাজার নীল পাখির চিৎকারের সঙ্গে।

Tom Verlaine obituary | Tom Verlaine | The Guardian

অপ্রকাশিত সুরের বিস্ময়
আর্কাইভের অর্ধেকের বেশি জুড়ে রয়েছে রেকর্ডিং। টেলিভিশনের স্টুডিও ও রিহার্সাল টেপ, একক কাজের অজানা ট্র্যাক, এমনকি ব্রায়ান ইনের সঙ্গে করা কিন্তু বাতিল হওয়া ডেমো সেশনও। রয়েছে হাজার হাজার ক্যাসেটের মধ্য থেকে বাঁচিয়ে রাখা প্রায় আড়াই শতাধিক রেকর্ডিং, যা তার সংগীত যাত্রার প্রায় প্রতিটি মাসের সাক্ষ্য বহন করে।

এই সংগ্রহ দেখায় একজন পরিশ্রমী শিল্পীর পূর্ণ ছবি। লাইব্রেরির কিউরেটরদের মতে, নিউইয়র্ক শহরের সংগীতজীবনের সঙ্গে ভারলেনের নিবিড় সম্পর্ক এই আর্কাইভকে আরও মূল্যবান করে তুলেছে।

গানের মধ্যেই উত্তর
প্যাটি স্মিথ নিজে হাতে লেখা এক চিঠিতে এই আর্কাইভ গ্রহণের পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন। তার মতে, বইয়ের সঙ্গে ভারলেনের সম্পর্ক না বললে তাকে বোঝা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। ইউটা কোয়েটারও চান, ভারলেনের সংগীত জনসমক্ষে থাকুক, তবে তার ব্যক্তিগত জীবন থাকুক আড়ালেই।

টম ভারলেন হয়তো ক্যামেরার সামনে নিজেকে মেলে ধরেননি। কিন্তু তার রেখে যাওয়া নোট, সুর আর শব্দ আজ বলছে তার গল্প। আর সেই গল্পের উত্তর, যেমনটি তার সঙ্গী বলেছেন, লুকিয়ে আছে তার গানেই।