বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬ অংশগ্রহণ নিয়ে অচলাবস্থা কেবল মাঠের বাইরে নয়—এটি এখন আইনি ও কূটনৈতিক আলোচনাতেও ঢুকে পড়েছে। এনডিটিভির লাইভ আপডেট অনুযায়ী, দিল্লি হাইকোর্ট একটি জনস্বার্থ মামলা শুনতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে, যেখানে বাংলাদেশকে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ চাওয়া হয়েছিল। আদালত ইঙ্গিত দেয়—এ ধরনের বিষয় বিদেশনীতি ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সঙ্গে যুক্ত, যা নির্বাহী সিদ্ধান্তের ক্ষেত্র।

একইসঙ্গে, টুর্নামেন্ট গ্রুপিং ও ভেন্যু নিয়ে জল্পনাও তুঙ্গে। আলোচনায় আছে—বাংলাদেশের বর্তমান গ্রুপিং এমনভাবে নির্ধারিত যে ম্যাচগুলো ভারতে পড়ছে; বিকল্প হিসেবে গ্রুপ অদলবদলের মতো জটিল সমাধান নিয়েও কথাবার্তা চলছে।
‘ডেডলাইন’ মানে কী
ডেডলাইন মানে শুধু সময়সীমা নয়—এটি টুর্নামেন্ট পরিচালনার বাস্তব শর্ত। দল নিশ্চিত না হলে টিকিটিং, নিরাপত্তা, ভ্রমণ, সম্প্রচার—সব পরিকল্পনা ঝুলে যায়। ফলে আইসিসি সাধারণত সময়সীমা দিয়ে চাপ তৈরি করে দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে।

পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়াতে পারে
একদিকে বোর্ড ও সরকারের অবস্থান, অন্যদিকে খেলোয়াড়দের অনিশ্চয়তা—দুই ধারার চাপ একসাথে কাজ করছে। সমঝোতা হলে সংকট থামবে, না হলে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অনিশ্চয়তা চলতে পারে—যা টুর্নামেন্টের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আয়োজনে বড় প্রশ্ন তুলবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















