বিশ্বকাপ অনিশ্চয়তার মধ্যে বাংলাদেশ দলের ব্যাটার নাজমুল হোসেন শান্তোর মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শান্তো বলেছেন—খেলোয়াড় হিসেবে তারা অবশ্যই বিশ্বকাপে খেলতে চান; কিন্তু ভেতরে কী চলছে, তা নিয়ে তিনি স্পষ্টভাবে নিশ্চিত নন। এই বক্তব্যে দুইটা বিষয় একসাথে উঠে আসে: এক, খেলোয়াড়রা টুর্নামেন্ট মিস করতে চান না; দুই, সিদ্ধান্ত প্রক্রিয়া নিয়ে দলও একধরনের অনিশ্চয়তায়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের কথা অনেক সময়ই ‘ভিতরের চাপ’ হিসেবে ধরা হয়—কারণ বোর্ড-পর্যায়ের কঠোর অবস্থানের সঙ্গে মাঠের বাস্তবতা সবসময় এক নয়। বিশ্বকাপের মতো ইভেন্টে সুযোগ সীমিত, ক্যারিয়ার-টাইমলাইন ছোট—এটা খেলোয়াড়রা ভালো বোঝে।

খেলোয়াড় বনাম প্রশাসন—সংকট কেন বাড়ে
ক্রীড়া প্রশাসন নিরাপত্তা, কূটনীতি, লজিস্টিকস দেখে; খেলোয়াড়রা দেখে মাঠের সুযোগ। দুই দৃষ্টিভঙ্গি না মিললে বার্তা ছড়িয়ে পড়ে জনপরিসরে—সমর্থকদের মাঝে বিভাজন তৈরি হয়, মিডিয়া চাপ বাড়ে, এবং শেষ সিদ্ধান্ত আরও কঠিন হয়ে যায়।
বাংলাদেশ ক্রিকেটের জন্য বড় ঝুঁকি কোথায়
অনিশ্চয়তা যত বাড়ে, প্রস্তুতি তত ভাঙে—ফিটনেস, স্কোয়াড পরিকল্পনা, প্রতিপক্ষ বিশ্লেষণ সবই প্রভাবিত হয়। আবার শেষ মুহূর্তে সমঝোতা হলেও ‘সময় নষ্ট’ হয়ে যাওয়ার ক্ষতি থাকে। শান্তোর বক্তব্য তাই কেবল মন্তব্য নয়—এটা সংকটের ভেতরের টানাপোড়েনের ছবি।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















