০৮:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬
বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল পাকিস্তান চরম তাপের নাটক পেরিয়ে সিনারের প্রত্যাবর্তন, জোকোভিচের চারশো জয়ের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় বাংলাদেশের বদলে স্কটল্যান্ড, আইসিসির সিদ্ধান্তে ক্ষোভ আফ্রিদি ও গিলেস্পির গণভোটে ‘না’ বললেই স্বৈরাচারের দোসর, আর ‘হ্যাঁ’ প্রচার মানেই নাৎসিবাদের সঙ্গী: জিএম কাদের বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার উসকানি, নয়াদিল্লীতে শেখ হাসিনার বক্তব্যে বিস্ময় ও ক্ষোভ ঢাকা জুড়ে বিবিসির কিংবদন্তি সাংবাদিক মার্ক টালি আর নেই বিশ্বকাপ থেকে বাদ বাংলাদেশ, উদ্বেগ জানাল বিশ্ব ক্রিকেটার্স অ্যাসোসিয়েশন বিএনপি কর্মীদের ভয় নেই, আশ্রয়ের আশ্বাস নাসির উদ্দিন পাটোয়ারীর রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের ব্যয় বাড়ছে সাড়ে ২৫ হাজার কোটি টাকা সাদ্দামের স্ত্রী ও শিশুপুত্রের মৃত্যু প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন উপদেষ্টা, ‘কৃষি ছাড়া উত্তর নয়’

যৌথ বাহিনীর অভিযানে সারা দেশে ২৭৮ জন আটক, অস্ত্র–গুলি ও বিস্ফোরক–সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দ

বাংলাদেশের যৌথ বাহিনী—সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে—জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহের অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৭৮ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ককটেল/বিস্ফোরক–সংশ্লিষ্ট বস্তু এবং মাদক জব্দের কথা বলা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বড় সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে সতর্কতার প্রেক্ষাপটে অভিযানের পরিধি উল্লেখযোগ্য।

কি কি জব্দ হয়েছে
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী অভিযানে ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮২২ রাউন্ড গুলি, পাশাপাশি ককটেল/কাঁচাবোমা–জাতীয় উপাদান, দেশি অস্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার হয়েছে। এগুলো মাঠপর্যায়ের সহিংসতা ও অপরাধচক্রের কার্যক্রম কমাতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাতীয় গুরুত্ব কেন
এ ধরনের সমন্বিত অভিযান সাধারণত অপরাধচক্রের রসদ–সরবরাহ ভাঙা, পুনরাবৃত্ত অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করা এবং জনআস্থা জোরদার করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। শীতকালে চলাচল ও জমায়েত বাড়ার সময়ে আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকি বেড়ে যায়—সে কারণে বাহিনীগুলো আগাম প্রতিরোধে জোর দিচ্ছে বলেই ইঙ্গিত মিলছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বয়কট গুঞ্জনের মধ্যেই টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দল ঘোষণা করল পাকিস্তান

যৌথ বাহিনীর অভিযানে সারা দেশে ২৭৮ জন আটক, অস্ত্র–গুলি ও বিস্ফোরক–সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম জব্দ

০৬:০১:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের যৌথ বাহিনী—সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে—জানিয়েছে, গত এক সপ্তাহের অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থানে ২৭৮ জনকে আটক করা হয়েছে। একই সঙ্গে অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি, ককটেল/বিস্ফোরক–সংশ্লিষ্ট বস্তু এবং মাদক জব্দের কথা বলা হয়েছে। দেশের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, বড় সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচিকে ঘিরে সতর্কতার প্রেক্ষাপটে অভিযানের পরিধি উল্লেখযোগ্য।

কি কি জব্দ হয়েছে
কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী অভিযানে ২২টি আগ্নেয়াস্ত্র এবং ৮২২ রাউন্ড গুলি, পাশাপাশি ককটেল/কাঁচাবোমা–জাতীয় উপাদান, দেশি অস্ত্র এবং বিভিন্ন ধরনের মাদক উদ্ধার হয়েছে। এগুলো মাঠপর্যায়ের সহিংসতা ও অপরাধচক্রের কার্যক্রম কমাতে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে পারে।

জাতীয় গুরুত্ব কেন
এ ধরনের সমন্বিত অভিযান সাধারণত অপরাধচক্রের রসদ–সরবরাহ ভাঙা, পুনরাবৃত্ত অপরাধীদের নিরুৎসাহিত করা এবং জনআস্থা জোরদার করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়। শীতকালে চলাচল ও জমায়েত বাড়ার সময়ে আইনশৃঙ্খলা ঝুঁকি বেড়ে যায়—সে কারণে বাহিনীগুলো আগাম প্রতিরোধে জোর দিচ্ছে বলেই ইঙ্গিত মিলছে।