০৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত মুম্বাইয়ের গল্পে গুলজারের ৭৬ বছর: যে শহর এক কিশোর অভিবাসীকে কবি বানিয়েছে পাঁচ বইয়ে পাঁচ ভুবনের যাত্রা, ইতিহাস থেকে ভবিষ্যৎ—পাঠকের জন্য নতুন পাঁচ ঠিকানা সৌদি আরবকে পরমাণু জ্বালানি সমৃদ্ধকরণে ছাড়, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রশ্ন—‘আমাদের নয় কেন?’ ছোট ফ্ল্যাটে বড় স্বপ্ন, অবসরে ঘর সাজাতে লাখ লাখ টাকা খরচ চোখের সামনে যা দেখছেন, সব সত্য নয়: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বাড়ছে ভয়ংকর প্রতারণা ফিলিপাইনে ‘চীনা গুপ্তচর’ বিতর্কের আড়ালে ভয়ংকর প্রতারণা ও মানবপাচারের জাল জলবায়ু পরিবর্তনে কফি বিলুপ্তির শঙ্কা, হারিয়ে যাওয়া এক উদ্ভিদেই আশার আলো মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন পথে বাংলাদেশ, সুদের হারভিত্তিক নীতি থেকে সরে আসার ভাবনা গ্যাস সংকট আরও তীব্র, ঢাকার লাখো চুলায় আগুন জ্বলছে না

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো

দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষে আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

দুদকের অভিযোগের বিবরণ

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি দুদক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায় আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এতে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি। একই সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

মোট সম্পদ ও বৈধ আয়ের হিসাব

দুদকের হিসাবে আনিস আলমগীরের মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তবে তার বৈধ আয় হিসেবে দুদক শনাক্ত করেছে মাত্র ৯৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।

এই বৈধ আয়ের মধ্যে রয়েছে আগের সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, টকশো ও পরামর্শক হিসেবে কাজ থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আনিস আলমগীর ঘোষিত আয়ের বাইরে প্রায় ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার মোট সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ।

আগের গ্রেপ্তার ও কারাবাস

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ঢাকার মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিস আলমগীরকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং আদালতের আদেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার

কারাবন্দি থাকা অবস্থায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলায়ও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

সিলেটে গাছ থেকে তরুণের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার, মৃত্যুর কারণ নিয়ে তদন্ত

সাংবাদিক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে দুদকের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো

০৯:২৯:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

দুর্নীতি দমন কমিশনের দায়ের করা দুর্নীতি ও অর্থপাচারের মামলায় সাংবাদিক আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকার মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের বিচারক সাব্বির ফয়েজ দুদকের আবেদনের শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

দুদকের পক্ষে আইনজীবী তরিকুল ইসলাম তরিক জানান, এর আগে গত ২৫ জানুয়ারি মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও দুদকের সহকারী পরিচালক আখতারুজ্জামান আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।

দুদকের অভিযোগের বিবরণ

চলতি বছরের ১৫ জানুয়ারি দুদক আনিস আলমগীরের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে। মামলায় অভিযোগ করা হয়, তিনি জ্ঞাত আয়ের উৎসের বাইরে সম্পদ অর্জন করেছেন এবং অর্থপাচারের সঙ্গে জড়িত ছিলেন।

মামলার নথি অনুযায়ী, দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায় আনিস আলমগীরের নামে ২৫ লাখ টাকার স্থাবর সম্পত্তি এবং ৩ কোটি ৮৪ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। এতে তার মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ৪ কোটি ৯ লাখ টাকার বেশি। একই সময়ে তার পারিবারিক ও অন্যান্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৫ লাখ ৯০ হাজার টাকা।

মোট সম্পদ ও বৈধ আয়ের হিসাব

দুদকের হিসাবে আনিস আলমগীরের মোট সম্পদ দাঁড়ায় ৪ কোটি ২৫ লাখ টাকার বেশি। তবে তার বৈধ আয় হিসেবে দুদক শনাক্ত করেছে মাত্র ৯৯ লাখ ৯ হাজার টাকা।

এই বৈধ আয়ের মধ্যে রয়েছে আগের সঞ্চয় থেকে ৫৪ লাখ ৪৫ হাজার টাকা, টকশো ও পরামর্শক হিসেবে কাজ থেকে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার টাকা, প্লট বিক্রি থেকে ২২ লাখ টাকা এবং সঞ্চয়পত্র ও ব্যাংক সুদ থেকে ৩ লাখ ২৪ হাজার টাকা।

অতিরিক্ত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ

দুদকের অভিযোগ অনুযায়ী, আনিস আলমগীর ঘোষিত আয়ের বাইরে প্রায় ৩ কোটি ২৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন, যা তার মোট সম্পদের প্রায় ৭৭ শতাংশ।

আগের গ্রেপ্তার ও কারাবাস

এর আগে গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকা থেকে ঢাকার মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা আনিস আলমগীরকে আটক করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গোয়েন্দা কার্যালয়ে নেওয়া হয় এবং আদালতের আদেশে পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।

রিমান্ড শেষে গত ২০ ডিসেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তখন থেকেই তিনি কারাবন্দি রয়েছেন।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায়ও গ্রেপ্তার

কারাবন্দি থাকা অবস্থায় রাজধানীর উত্তরা পশ্চিম থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে দায়ের করা আরেকটি মামলায়ও আনিস আলমগীরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।