দেশে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনার ওপর জোর দিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো মানুষের মধ্যে নিরাপত্তা ও আস্থার পরিবেশ তৈরি করা। জনগণকে আশ্বস্ত করে তিনি জানান, বিএনপি ক্ষমতায় এলে অন্যায়ের বিচার হবে, তবে নিরপরাধ কেউ শাস্তির মুখে পড়বে না।
শান্তি ফেরানোর আহ্বান
বুধবার দুপুরে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের রায়পুর ইউনিয়নের মোলানী বাজার এলাকায় এক নির্বাচনী পথসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশে এখন শান্তি ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করাই প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, আগের নির্বাচনে এই এলাকায় নৌকা ও ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রচণ্ড প্রতিযোগিতা ছিল। এবার পরিস্থিতি ভিন্ন, নৌকা প্রতীক নেই। তাঁর অভিযোগ, শেখ হাসিনা সমর্থকদের বিপদের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছেন।
সংখ্যালঘুদের প্রতি আশ্বাস
সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উদ্দেশে বক্তব্যে মির্জা ফখরুল স্পষ্ট করে বলেন, বিএনপি সবসময় তাদের পাশে আছে। তিনি বলেন, হিন্দু ভাইদের বলা হয়েছে—চিন্তার কোনো কারণ নেই, আমরা আপনাদের সঙ্গে আছি। যারা অন্যায় করেছে, কেবল তাদেরই শাস্তি হবে। যারা অন্যায় করেনি, তাদের কোনো শাস্তি দেওয়া হবে না। নিরপরাধদের নিরাপত্তা ও সম্মান রক্ষার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
ভোটারদের প্রতিশ্রুতি
ভোটারদের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, তাঁকে সমর্থন দিলে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজগুলো বাস্তবায়ন করা হবে। তিনি উন্নয়ন, অবকাঠামো ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।
জোট রাজনীতি ও দুর্নীতির প্রসঙ্গ
জোট রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, ২০০১ সালে জামায়াতে ইসলামী বিএনপির সঙ্গে জোটে থাকলেও শুধু বিএনপির বিরুদ্ধেই দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়। তাঁর প্রশ্ন, যদি দুর্নীতি হয়ে থাকে, তাহলে জোটের অংশীদাররাও তার ভাগ পেয়েছে কি না—সেটিও বিবেচনায় নেওয়া উচিত।
নির্বাচনী প্রচারণা
নির্বাচনী গণসংযোগের সময় মির্জা ফখরুল ধানের শীষ প্রতীকের লিফলেট বিতরণ করেন এবং দেশ ও এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নানা প্রতিশ্রুতি দেন। একই দিনে তিনি আরও কয়েকটি স্থানে গণসংযোগ ও নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেওয়ার কথা জানান।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















