০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বাংলাদেশের পাশে থাকার ভান করছে পাকিস্তান: হরভজন সিং হাসনাতের ব্যানারে অগ্নিসংযোগ, দেবিদ্বার আসনে উত্তেজনা নির্বাচনের ঠিক আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে গোপন শুল্ক চুক্তি, ব্যবসায়ীদের প্রশ্ন ও উদ্বেগ ভোট হবে, ফল স্থগিত: নির্বাচনে থাকছেন বিএনপির আসলাম চৌধুরী বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতায় বাধা নেই, নাহিদের রিট খারিজ জেফ্রি এপস্টেইন কে ছিলেন: বিতর্কিত এক অর্থলগ্নিকারীর উত্থান, অপরাধ ও রহস্যময় পরিণতি রাজশাহী অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রকল্প, তৈরি হবে এক হাজার নতুন কৃষি উদ্যোক্তা ন্যায্যতার প্রমাণ দিন: পাকিস্তানের বয়কট সিদ্ধান্তে আইসিসিকে চ্যালেঞ্জ আফ্রিদির ডিপ্লোমা প্রকৌশলীদের অবরোধে ঢাকার সঙ্গে রাজশাহী ও ময়মনসিংহের রেল যোগাযোগ বন্ধ মৃদু ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল সাতক্ষীরা ও আশপাশের এলাকা

রাজশাহী অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রকল্প, তৈরি হবে এক হাজার নতুন কৃষি উদ্যোক্তা

বাংলাদেশের কৃষিজমিতে জলবায়ু পরিবর্তনের চাপ বাড়ছে, কমছে চাষযোগ্য জমি। এই বাস্তবতায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি এলাকা বগুড়া কৃষি অঞ্চলে খাদ্য উৎপাদন ও কৃষিজীবীদের জীবিকা সুরক্ষায় একটি বৃহৎ কৃষি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

২৫১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বগুড়া কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য হচ্ছে ফসল উৎপাদন বাড়ানো, আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলা। রাজশাহী বিভাগের চারটি জেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। পুরো অর্থায়ন করবে সরকার।

বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার ৪৪টি উপজেলায় এই প্রকল্প কার্যক্রম চলবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উদ্যোগগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজশাহীর চরাঞ্চলের কৃষি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য বয়ে আনছে | জাতীয় | বাংলাদেশ  সংবাদ সংস্থা (বাসস)

পরিকল্পনা ও প্রেক্ষাপট

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ঋতুচক্রের অনিশ্চয়তার মতো একাধিক সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে অঞ্চলে সারা বছর ফসল চাষ ব্যাহত হচ্ছে, যা কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় দুটোকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ও প্রযুক্তির ব্যবহার

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ফসল উৎপাদন পাঁচ শতাংশ বাড়ানো। বর্তমানে যেখানে উৎপাদন ৪১ দশমিক ৮৭ লাখ মেট্রিক টন, সেখানে তা বাড়িয়ে ৪৩ দশমিক ৯৬ লাখ মেট্রিক টনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই লক্ষ্য অর্জনে ২৪টি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে পানি সাশ্রয়ী চাষপদ্ধতি, মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং উন্নত ফসল পরিকল্পনা।

একই সঙ্গে ফসলের নিবিড়তা পাঁচ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ২৩৬ শতাংশ নিবিড়তা বাড়িয়ে ২৪১ শতাংশে নেওয়া হবে। বন্যা, নদীভাঙন এবং অবকাঠামো ও শিল্প স্থাপনের কারণে যেখানে আবাদযোগ্য জমি কমছে, সেখানে জমির সর্বোত্তম ব্যবহারে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সনাতন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ

সংরক্ষণ ও যান্ত্রিকীকরণ

ফসল কাটার পর ক্ষতি কমাতে প্রকল্পের আওতায় ১০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার ২০০টি পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি সবজি, ফল ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য তিনটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

বগুড়ায় একটি উপপরিচালকের কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ সেবা জোরদার করবে।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণও এই প্রকল্পের একটি বড় অংশ। উৎপাদন খরচ কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং ব্যস্ত মৌসুমে কাজের গতি বাড়াতে ৩ হাজার ১৮৫টি কৃষি যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে।

মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব

অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আধুনিক ফসল উৎপাদন, বীজ প্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসা উন্নয়নে ৪ হাজার ৮৪০টি প্রশিক্ষণ ব্যাচ পরিচালনা করা হবে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে অন্তত এক হাজার নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং প্রায় ৩৫ হাজার প্রশিক্ষিত কৃষি মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দিচ্ছে ১৩ চাকরি

এ ছাড়া উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি প্রদর্শনের জন্য ৪১ হাজার ৮০০টির বেশি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে। মাঠ দিবস, কারিগরি আলোচনা সভা ও ৭০টি অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ও প্রত্যাশা

পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, উচ্চফলনশীল ও উচ্চমূল্যের ফসল সম্প্রসারণ, নিরাপদ ফল ও সবজি চাষ এবং ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে কৃষকের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হলে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পুষ্টি উন্নয়ন, গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাস এবং কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই পেশায় রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা হাজারো কৃষকের জন্য এই উদ্যোগের সাফল্যই নির্ধারণ করতে পারে, বগুড়া অঞ্চলের কৃষিজমি আগামী দিনে উৎপাদনশীল থাকবে নাকি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাংলাদেশের পাশে থাকার ভান করছে পাকিস্তান: হরভজন সিং

রাজশাহী অঞ্চলে জলবায়ু সহনশীল কৃষি প্রকল্প, তৈরি হবে এক হাজার নতুন কৃষি উদ্যোক্তা

০৩:১৮:২১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বাংলাদেশের কৃষিজমিতে জলবায়ু পরিবর্তনের চাপ বাড়ছে, কমছে চাষযোগ্য জমি। এই বাস্তবতায় দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কৃষি এলাকা বগুড়া কৃষি অঞ্চলে খাদ্য উৎপাদন ও কৃষিজীবীদের জীবিকা সুরক্ষায় একটি বৃহৎ কৃষি প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার।

২৫১ কোটি ৯৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘বগুড়া কৃষি অঞ্চলের টেকসই কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প’ বাস্তবায়নের লক্ষ্য হচ্ছে ফসল উৎপাদন বাড়ানো, আধুনিক কৃষি পদ্ধতির প্রসার এবং দীর্ঘমেয়াদি জলবায়ু সহনশীলতা গড়ে তোলা। রাজশাহী বিভাগের চারটি জেলায় এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হবে।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রকল্পটি ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাস্তবায়ন করা হবে। পুরো অর্থায়ন করবে সরকার।

বগুড়া, জয়পুরহাট, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলার ৪৪টি উপজেলায় এই প্রকল্প কার্যক্রম চলবে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অঞ্চলভিত্তিক কৃষি উদ্যোগগুলোর মধ্যে এটি অন্যতম বৃহৎ প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

রাজশাহীর চরাঞ্চলের কৃষি বাণিজ্যিকভাবে সাফল্য বয়ে আনছে | জাতীয় | বাংলাদেশ  সংবাদ সংস্থা (বাসস)

পরিকল্পনা ও প্রেক্ষাপট

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ভূগর্ভস্থ পানির স্তর কমে যাওয়া, অনিয়মিত বৃষ্টিপাত, তাপমাত্রা বৃদ্ধি এবং ঋতুচক্রের অনিশ্চয়তার মতো একাধিক সংকট মোকাবিলার লক্ষ্যেই এই প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এসব কারণে অঞ্চলে সারা বছর ফসল চাষ ব্যাহত হচ্ছে, যা কৃষি উৎপাদন ও কৃষকের আয় দুটোকেই ঝুঁকির মুখে ফেলছে।

উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ও প্রযুক্তির ব্যবহার

প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হচ্ছে ফসল উৎপাদন পাঁচ শতাংশ বাড়ানো। বর্তমানে যেখানে উৎপাদন ৪১ দশমিক ৮৭ লাখ মেট্রিক টন, সেখানে তা বাড়িয়ে ৪৩ দশমিক ৯৬ লাখ মেট্রিক টনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

এই লক্ষ্য অর্জনে ২৪টি আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব কৃষি প্রযুক্তি প্রয়োগ করা হবে। এর মধ্যে রয়েছে পানি সাশ্রয়ী চাষপদ্ধতি, মাটির স্বাস্থ্য উন্নয়ন এবং উন্নত ফসল পরিকল্পনা।

একই সঙ্গে ফসলের নিবিড়তা পাঁচ শতাংশ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে ২৩৬ শতাংশ নিবিড়তা বাড়িয়ে ২৪১ শতাংশে নেওয়া হবে। বন্যা, নদীভাঙন এবং অবকাঠামো ও শিল্প স্থাপনের কারণে যেখানে আবাদযোগ্য জমি কমছে, সেখানে জমির সর্বোত্তম ব্যবহারে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

সনাতন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ সংরক্ষণ

সংরক্ষণ ও যান্ত্রিকীকরণ

ফসল কাটার পর ক্ষতি কমাতে প্রকল্পের আওতায় ১০ মেট্রিক টন ধারণক্ষমতার ২০০টি পেঁয়াজ সংরক্ষণাগার নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি সবজি, ফল ও অন্যান্য কৃষিপণ্য সংরক্ষণের জন্য তিনটি কেন্দ্র স্থাপন করা হবে।

বগুড়ায় একটি উপপরিচালকের কার্যালয় ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনাও রয়েছে, যা স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ সেবা জোরদার করবে।

কৃষি যান্ত্রিকীকরণও এই প্রকল্পের একটি বড় অংশ। উৎপাদন খরচ কমানো, শ্রম সংকট মোকাবিলা এবং ব্যস্ত মৌসুমে কাজের গতি বাড়াতে ৩ হাজার ১৮৫টি কৃষি যন্ত্রপাতি সংগ্রহ ও বিতরণ করা হবে।

মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্ব

অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির পাশাপাশি মানবসম্পদ উন্নয়নেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, আধুনিক ফসল উৎপাদন, বীজ প্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক ব্যবসা উন্নয়নে ৪ হাজার ৮৪০টি প্রশিক্ষণ ব্যাচ পরিচালনা করা হবে।

এই প্রকল্পের মাধ্যমে অন্তত এক হাজার নতুন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি এবং প্রায় ৩৫ হাজার প্রশিক্ষিত কৃষি মানবসম্পদ গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় দিচ্ছে ১৩ চাকরি

এ ছাড়া উন্নত চাষাবাদ পদ্ধতি প্রদর্শনের জন্য ৪১ হাজার ৮০০টির বেশি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হবে। মাঠ দিবস, কারিগরি আলোচনা সভা ও ৭০টি অভিজ্ঞতা বিনিময় সফরের মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে নতুন প্রযুক্তি গ্রহণে কৃষকদের উৎসাহিত করা হবে।

দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ও প্রত্যাশা

পরিকল্পনা কমিশনের এক কর্মকর্তা জানান, উচ্চফলনশীল ও উচ্চমূল্যের ফসল সম্প্রসারণ, নিরাপদ ফল ও সবজি চাষ এবং ফসল সংগ্রহোত্তর ব্যবস্থাপনা উন্নত করা গেলে কৃষকের আয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো সম্ভব।

প্রকল্পটি পরিকল্পনা অনুযায়ী বাস্তবায়িত হলে মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষা, পুষ্টি উন্নয়ন, গ্রামীণ দারিদ্র্য হ্রাস এবং কৃষিকে লাভজনক ও টেকসই পেশায় রূপান্তরে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

জলবায়ু পরিবর্তনের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা হাজারো কৃষকের জন্য এই উদ্যোগের সাফল্যই নির্ধারণ করতে পারে, বগুড়া অঞ্চলের কৃষিজমি আগামী দিনে উৎপাদনশীল থাকবে নাকি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠবে।