সামনের দিনগুলোতে বিশ্ব তেলের বাজারে নতুন মোড় দেখা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা আর রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে। আন্তর্জাতিক বাজারে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের মূল্য প্রায় সাতাশ ডলারের উপরে ওঠে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইনটারমিডিয়েটের দামেও লক্ষযোগ্য বৃদ্ধি দেখা গেছে, যা ভূরাজনৈতিক অনিশ্চয়তার কারণে বিনিয়োগকারীরা সরবরাহ ঝুঁকি হিসেবে মূল্য নির্ধারণ করছে। এই পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালীসহ মধ্যপ্রাচ্যের আবহাওয়া আবারও তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে, যেখানে সরবরাহ বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা দাম বাড়ানোর এক কারণ হিসেবে কাজ করছে। বাজার বিশ্লেষকদের মতে, যদিও সরবরাহে এখনও কোন সরাসরি বিঘ্ন ঘটেনি, তখনও উত্তেজনা ও সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির সম্ভাবনা দামকে উপরে ঠেলে দিচ্ছে।

বিশ্ব বাজারে তেলের দর বাড়ায় একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে আন্তর্জাতিক কাঁচামালের স্টকপাইলের সংকোচন, বিশেষ করে আমস্টারডাম‑রটটারড্যাম‑অ্যান্
রাজনৈতিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক আলোচনার মাঝেই ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন যে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে পারমাণবিক আলোচনা তেহরানকে ওয়াশিংটনের রাশিআঁকানোর সামর্থ্য দেখিয়েছে এবং আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার মত পর্যাপ্ত মতামত রয়েছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দ্বিতীয় এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানোর সম্ভাবনার কথাও বিবেচনা করছেন, যা সামরিক উপস্থিতি আরও বাড়াতে পারে এবং বাজারের মনোভাবকে প্রভাবিত করছে।
এই অবস্থায়, আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বৃদ্ধি পেলে তা সরাসরি বিভিন্ন দেশের জ্বালানি খরচ, পরিবহণ খরচ এবং পণ্যমূল্যের ওপর প্রভাব ফেলবে, যা সাধারণ ভোক্তা থেকে শুরু করে শিল্পব্যবসা পর্যন্ত ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করতে পারে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















