ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন মন্ত্রিসভা গঠনের আগ পর্যন্ত উপদেষ্টারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। সরকারি ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির পর আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে অধিকাংশ উপদেষ্টা অফিস করবেন। তবে এই সময়ে তারা কোনও গুরুত্বপূর্ণ মিটিং করবেন না বা ফাইলেও স্বাক্ষর করবেন না, এমন তথ্য দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সংবিধানের ধারায় অচলনীয় নয়
উপদেষ্টাদের দায়িত্বের বিষয়টি সংবিধানের ৫৭ (৩) ও ৫৮ (৪) অনুচ্ছেদের আওতায় নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উত্তরাধিকারী কার্যভার গ্রহণ না করা পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা তাদের পদে বহাল থাকবেন। কেবিনেট ডিভিশন জানিয়েছে, ভোটের পর ১৬ ফেব্রুয়ারি সংসদ সদস্যদের শপথ হতে পারে এবং ১৭ বা ১৮ ফেব্রুয়ারি নতুন প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথ হতে পারে।
উপদেষ্টাদের অফিস কর্মসূচি
নৌ-পরিবহন উপদেষ্টা এম সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন, নতুন মন্ত্রিসভা গঠন না হওয়া পর্যন্ত উপদেষ্টারা দায়িত্ব চালিয়ে যাবেন। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীনের দফতর জানিয়েছে, ১৫ ফেব্রুয়ারি সচিবালয়ে অফিস করবেন উপদেষ্টা, তবে ফাইলপত্র সই করার মতো তেমন কাজ নেই।
নৈতিক বিবেচনায় কার্যভার সীমিত
জ্বালানি ও খনিজসম্পদ উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান নির্বাচনের পর নৈতিক কারণে নির্বাহী ক্ষমতা ব্যবহার থেকে বিরত থাকবেন। ধর্ম বিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ ফ ম খালিদ হোসেন সচিবালয় থেকে বিদায় নিয়েছেন এবং সরকারি বাসার অফিসে দায়িত্ব পালন করবেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা উপদেষ্টা ফারুক ই আজম রোববার অফিসে থাকবেন। খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এবং অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দায়িত্বে থাকবেন, তবে তাদের অফিসে উপস্থিতি নিশ্চিত নয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















