০৮:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
ঢাকায় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর রহস্য ঘনীভূত, ময়নাতদন্ত না হওয়ায় তদন্তে জটিলতা আফঈদাকে বাদ দেওয়ার ব্যাখ্যা দিলেন বাটলার, হার এড়াতে পারল না বাংলাদেশ ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানের নায়ক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক তোফায়েল আহমেদ আর নেই শহর শুধু ঘুমানোর জায়গা নয়: মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে কেন্দ্র করেই নগর পরিকল্পনা হওয়া উচিত মালয়েশিয়ায় ১৬ বছরের নিচে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অ্যাকাউন্ট নিষিদ্ধ, বাধ্যতামূলক হচ্ছে বয়স যাচাই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভা সম্প্রসারণ, শপথ নিলেন ৩৫ নতুন মন্ত্রী কোরিয়ার অর্থনৈতিক সাফল্যের আড়ালে বাড়ছে বৈষম্যের নতুন রেখা পাকিস্তানে কৌশলগত তেল মজুতের পরিকল্পনা, ইরান সংকটে জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নতুন উদ্যোগ পাকিস্তানের ব্যাংক জাতীয়করণের অন্যতম কারণ ছিল বাংলাদেশ সৃষ্টির ফলে সম্পদের উৎস হারানো কুয়েতে ইরানের হামলা

ভোটকেন্দ্রে গোপন ক্যামেরা ও ড্রোন নজরদারি, বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কড়া বার্তা ইসির

নির্বাচনী পরিবেশ স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ইউনিফর্মে গোপন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে ক্যামেরা ও ড্রোন।

ইউনিফর্মে গোপন ক্যামেরা

নির্বাচন কমিশন জানায়, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পোশাকে বিশেষ গোপন ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করা হবে। উদ্দেশ্য একটাই—স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করা।

ক্যামেরা, ড্রোন ও অ্যাপের মাধ্যমে ভোটে নজর রাখছে ইসি

কমিশনের মতে, এতে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং যেকোনো অভিযোগ যাচাই করা সহজ হবে।

ড্রোন ও সার্বক্ষণিক নজরদারি

শুধু কেন্দ্রে নয়, কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। বন্ধ সার্কিট ক্যামেরার পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথ থেকেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দিনরাত এই নজরদারি চলবে বলে জানানো হয়েছে।

কমিশন স্পষ্টভাবে বলেছে, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা অবৈধ কার্যকলাপে জড়ানোর চেষ্টা করে, তার সব কর্মকাণ্ড রেকর্ড হবে। পরে প্রমাণের ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা-ভয়ভীতি প্রদর্শনে আইনি ব্যবস্থা, নজরদারি চলবে  ড্রোনে | The Daily Campus

বিশৃঙ্খলাকারীদের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা

নির্বাচন কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে ভোটের দিন নিরাপত্তা জোরদারের বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে অনিয়ম রোধে কমিশন যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে এই ঘোষণায়।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকায় ছয় নবজাতকের মৃত্যুর রহস্য ঘনীভূত, ময়নাতদন্ত না হওয়ায় তদন্তে জটিলতা

ভোটকেন্দ্রে গোপন ক্যামেরা ও ড্রোন নজরদারি, বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে কড়া বার্তা ইসির

০২:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী পরিবেশ স্বচ্ছ ও শান্তিপূর্ণ রাখতে ভোট কেন্দ্রে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের ইউনিফর্মে গোপন ক্যামেরা সংযুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একই সঙ্গে কেন্দ্রের ভেতরে ও আশপাশের এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হয়েছে ক্যামেরা ও ড্রোন।

ইউনিফর্মে গোপন ক্যামেরা

নির্বাচন কমিশন জানায়, ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বরত পুলিশ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের পোশাকে বিশেষ গোপন ক্যামেরা লাগানো রয়েছে। এর মাধ্যমে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়ার প্রতিটি মুহূর্ত রেকর্ড করা হবে। উদ্দেশ্য একটাই—স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং অনিয়মের সুযোগ বন্ধ করা।

ক্যামেরা, ড্রোন ও অ্যাপের মাধ্যমে ভোটে নজর রাখছে ইসি

কমিশনের মতে, এতে ভোটার ও প্রার্থীদের মধ্যে আস্থা বাড়বে এবং যেকোনো অভিযোগ যাচাই করা সহজ হবে।

ড্রোন ও সার্বক্ষণিক নজরদারি

শুধু কেন্দ্রে নয়, কেন্দ্র সংলগ্ন এলাকাতেও বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। বন্ধ সার্কিট ক্যামেরার পাশাপাশি ড্রোনের মাধ্যমে আকাশপথ থেকেও পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দিনরাত এই নজরদারি চলবে বলে জানানো হয়েছে।

কমিশন স্পষ্টভাবে বলেছে, কেউ যদি বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি বা অবৈধ কার্যকলাপে জড়ানোর চেষ্টা করে, তার সব কর্মকাণ্ড রেকর্ড হবে। পরে প্রমাণের ভিত্তিতে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতে বাধা-ভয়ভীতি প্রদর্শনে আইনি ব্যবস্থা, নজরদারি চলবে  ড্রোনে | The Daily Campus

বিশৃঙ্খলাকারীদের প্রতি কড়া সতর্কবার্তা

নির্বাচন কমিশন হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, ভোটের পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করলে ছাড় দেওয়া হবে না। আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সবাইকে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপকে ভোটের দিন নিরাপত্তা জোরদারের বড় উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারির মাধ্যমে অনিয়ম রোধে কমিশন যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে এই ঘোষণায়।