০১:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
১২ ফেব্রুয়ারির রূপান্তরের নির্বাচনঃ আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার অর্জন শ্রীলঙ্কার পুনর্গঠন: ঘূর্ণিঝড়ের ধ্বংসসেতুর পর ভারতের বড় ভূমিকা, নাজুক উন্নয়নের সংগ্রাম গোল্ডম্যান স্যাক্সের শীর্ষ আইনজীবীর জেফরি এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা: পদত্যাগে তোলপাড় জেলেনস্কির গর্বের প্রেরণা: স্মৃতির হেলমেটের জন্য শীর্ষ অলিম্পিয়ানকে রাষ্ট্রীয় সম্মান মহাকামহাকাব্যিক অলিম্পিক চমক: শাইডারোভের স্বর্ণ, মালিনিনের শনিতে হতাশা যুক্তরাষ্ট্রে ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রে $৩৮.৩ বিলিয়ন খরচ করবে আইসিই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে দীর্ঘমেয়াদি সামরিক অভিযান পরিকল্পনা করছে  নবনির্বাচিত এমপিরা ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ নেবেন, প্রধান বিচারপতি পাঠ করাবেন বাক্য সারাদিন ক্লান্ত? জানুন কারণ ও ঘরোয়া প্রতিকার পটুয়াখালীর বাউফলে ভোটের ঘটনায় প্রতিশোধ এবং ভাঙচুরের মাত্রা বেড়ে গেল

পটুয়াখালীর বাউফলে ভোটের ঘটনায় প্রতিশোধ এবং ভাঙচুরের মাত্রা বেড়ে গেল

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া পোর্ট এলাকায় শুক্রবার ভোটের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের অনুসারী যুবদল কর্মী সুজন, আলমিন ও লাঙা মিজান সকাল ৯:১৫ মিনিটের দিকে ভোটের অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সজ্জাকার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বিপ্লবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান। পরে তারা কাঠ ব্যবসায়ী মো. সেলিমকে মারধর করেন। এই হামলার পর ওই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাজী গিয়াসের বাসায় অবস্থান নেয়।

বাউফলে অফিস ও বসতবাড়িতে হামলা-লুটপাট, আহত ৫

প্রতিক্রিয়ায় জামাত সমর্থিত কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গাজী গিয়াসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্টি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল এবং গিয়াসের বাসার সামনে রাখা একটি ফ্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর পাশাপাশি পশ্চিম বীরপাশা এলাকার খৈরবাজারে কানকদিয়া ইউনিয়নের ৮টার দিকে জামাত সমর্থিতরা বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজী ও সাহাবউদ্দিন সারদাকে পেটাতে আহত করে। তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

দুপুর ১টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী ও সমর্থকেরা জামাত সমর্থক মো. ফিরোজকে মারধর করে আহত করে। ফিরোজকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাউফলে পৃথকস্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

বাউফল থানার ইনস্পেক্টর (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামাতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি প্রতিশোধ রাজনীতিকে সমর্থন করি না। অন্যায় সহ্য করা হবে না। কোনো কর্মী বা সমর্থক হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে দলের ও আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

 

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারির রূপান্তরের নির্বাচনঃ আওয়ামী লীগ ও শেখ হাসিনার অর্জন

পটুয়াখালীর বাউফলে ভোটের ঘটনায় প্রতিশোধ এবং ভাঙচুরের মাত্রা বেড়ে গেল

১২:১৫:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া পোর্ট এলাকায় শুক্রবার ভোটের প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিশোধ ও ব্যাপক ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই ঘটনা এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করে।

ঘটনা সূত্রে জানা যায়, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক গাজী গিয়াসের অনুসারী যুবদল কর্মী সুজন, আলমিন ও লাঙা মিজান সকাল ৯:১৫ মিনিটের দিকে ভোটের অনিয়মের অভিযোগকে কেন্দ্র করে সজ্জাকার ব্যবসায়ী মো. শাহ আলম বিপ্লবের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালান। পরে তারা কাঠ ব্যবসায়ী মো. সেলিমকে মারধর করেন। এই হামলার পর ওই গ্রুপ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে গাজী গিয়াসের বাসায় অবস্থান নেয়।

বাউফলে অফিস ও বসতবাড়িতে হামলা-লুটপাট, আহত ৫

প্রতিক্রিয়ায় জামাত সমর্থিত কর্মী ও স্থানীয় ব্যবসায়ীরা গাজী গিয়াসের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও পার্টি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। অন্তত ১০টি মোটরসাইকেল এবং গিয়াসের বাসার সামনে রাখা একটি ফ্রিজ ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

এর পাশাপাশি পশ্চিম বীরপাশা এলাকার খৈরবাজারে কানকদিয়া ইউনিয়নের ৮টার দিকে জামাত সমর্থিতরা বিএনপি কর্মী আলমগীর গাজী ও সাহাবউদ্দিন সারদাকে পেটাতে আহত করে। তাদের বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।

দুপুর ১টার দিকে কেশবপুর ইউনিয়নের মোমিনপুর গ্রামে বিএনপি কর্মী ও সমর্থকেরা জামাত সমর্থক মো. ফিরোজকে মারধর করে আহত করে। ফিরোজকে চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

বাউফলে পৃথকস্থান থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার

বাউফল থানার ইনস্পেক্টর (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, হামলা, ভাঙচুর ও মারধরের খবর পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি জানান, লিখিত অভিযোগ দিলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জামাতের বিজয়ী প্রার্থী শফিকুল ইসলাম মাসুদ বলেন, “আমি প্রতিশোধ রাজনীতিকে সমর্থন করি না। অন্যায় সহ্য করা হবে না। কোনো কর্মী বা সমর্থক হামলার সঙ্গে যুক্ত থাকলে দলের ও আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”