ঘুম ভালো হলেও সারাদিন ক্লান্ত বোধ করা আজকাল অনেকেরই সাধারণ সমস্যা। এটি শুধু ঘুমের অভাব নয়, শরীরের ভিটামিন বা আয়রনের ঘাটতি, থাইরয়েড সমস্যা, মানসিক চাপ বা দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার লক্ষণও হতে পারে। নিয়মিত ক্লান্তি অনুভব করলে দৈনন্দিন জীবন ব্যাহত হয়, মন খারাপ বা স্মৃতিশক্তি কমে যায় এবং সামাজিক জীবনও প্রভাবিত হয়।
ক্লান্তির নানা কারণ
শরীরের ক্লান্তি শুধু রাতের কম ঘুমের কারণে নয়। ভুল জীবনযাত্রা, অপর্যাপ্ত ব্যায়াম, অপ্রতুল পানি পান, নিয়মিত খাবার না খাওয়া কিংবা মানসিক চাপও ক্লান্তির পেছনে বড় ভূমিকা রাখে। দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা যেমন ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, ডিপ্রেশন বা প্রদাহও এনার্জি কমাতে পারে। কখনো কখনো একাধিক ওষুধ গ্রহণ বা সাপ্লিমেন্টের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও ক্লান্তি বাড়াতে পারে।
ঘরোয়া প্রতিকার ও জীবনযাত্রার পরিবর্তন
শরীরের শক্তি বাড়াতে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করা ও নিয়মিত ব্যায়াম করা জরুরি। হালকা হাঁটা, যোগব্যায়াম বা তাই চি মানসিক চাপ কমিয়ে শক্তি পুনরুদ্ধারে সাহায্য করে। পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ, আয়রন এবং ভিটামিন সম্পন্ন খাদ্য ও সময়মতো খাবার খাওয়া ক্লান্তি কমাতে কার্যকর। ভালো ঘুমের জন্য রাতের খাবার হালকা রাখা, ক্যাফেইন বা মিষ্টি এড়িয়ে চলা, এবং একই সময়ে ঘুমানো সহায়ক।
চিকিৎসক পরামর্শের গুরুত্ব
যদি পর্যাপ্ত ঘুম এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার পরেও ক্লান্তি কমে না, তবে তা অবহেলা করা ঠিক নয়। নিয়মিত ক্লান্তি দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতার লক্ষণ হতে পারে। চিকিৎসকের সঙ্গে আলাপ করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















