যুক্তরাষ্ট্রের ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) ২০২৬ সালের শেষের মধ্যে দেশজুড়ে আটককেন্দ্র এবং প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র স্থাপনের জন্য ৩৮.৩ বিলিয়ন ডলার খরচ করবে। এই পরিকল্পনার আওতায় আটটি বড় আটককেন্দ্র এবং ষোলটি আঞ্চলিক প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র তৈরি করা হবে। নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, কেন্দ্রগুলোর মাধ্যমে দশ হাজারের বেশি অভিবাসী রাখা এবং প্রক্রিয়াকরণ করা সম্ভব হবে।
কেন্দ্র স্থাপন ও সম্প্রসারণ
আইসিই ষোলটি বিদ্যমান ভবন ক্রয় করে তা আঞ্চলিক প্রক্রিয়াকরণ কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করবে, যেখানে এক হাজার থেকে এক হাজার পাঁচশোর বেশি ব্যক্তিকে তিন থেকে সাত দিনের জন্য রাখা যাবে। আটটি বড় কেন্দ্রের ধারণক্ষমতা সাত হাজার থেকে দশ হাজার detainee এবং গড় সময়কাল প্রায় ৬০ দিন হবে। এছাড়াও দশটি “টার্নকি” সুবিধা কিনে সংস্থাটি পরিচালনা বাড়াবে।

মানবিক ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত
এই কেন্দ্রগুলোতে ডরমিটরি, চিকিৎসা ও দাঁতের সেবা, খাবার কক্ষ, অবসরকক্ষ এবং আদালত ব্যবস্থা থাকবে। পরিকল্পনা অনুযায়ী, এই নতুন মডেল আইসিইকে কার্যকরীভাবে আটক ব্যবস্থাপনা এবং রিমুভাল অপারেশন পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।
বাজেট বৃদ্ধি
২০২৪ অর্থবছরে ইমিগ্রেশন আটককেন্দ্রের জন্য ৩.৪ বিলিয়ন ডলার বাজেট ছিল, যা ২০২৫ সালে ৪৫ বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে রিপাবলিকান কংগ্রেসের “ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল” প্যাকেজে এই ব্যয় অনুমোদিত হয়, যা ইমিগ্রেশন সংক্রান্ত কার্যক্রমের জন্য ১৭০ বিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করে।

২০২৬ সালে কর্মসংস্থান ও আটক বৃদ্ধির সম্ভাবনা
আইসিই ১২,০০০ নতুন এজেন্ট নিয়োগের মাধ্যমে ২০২৬ সালে গ্রেপ্তার বৃদ্ধির প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন কেন্দ্রগুলো চালু হলে মোট ৯২,৬০০ বিছানার ধারণক্ষমতা হবে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্প প্রশাসনের অধীনে গত বছর জানুয়ারি থেকে ICE আটককেন্দ্রে থাকা ব্যক্তির সংখ্যা প্রায় ৭৪ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়ার মধ্যে মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে প্রশাসন আরও কঠোর ইমিগ্রেশন নিয়ন্ত্রণে মনোযোগী, যা অভিবাসী গ্রেপ্তার, আটক সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি নজরদারির ব্যবস্থা প্রসারিত করবে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















