যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী ইরানের বিরুদ্ধে কয়েক সপ্তাহব্যাপী দীর্ঘমেয়াদি অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি আক্রমণের নির্দেশ দেন, তবে এই অভিযান আগের যে কোনো সংঘর্ষের চেয়ে অনেক বড় ও জটিল হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনা ও আলোচনায় বাধা
ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের কূটনীতিকরা পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা চালাচ্ছিলেন, কিন্তু সামরিক প্রস্তুতির এই তৎপরতা আলোচনার ভবিষ্যতকে আরও অনিশ্চিত করছে। ট্রাম্প মধ্যপ্রাচ্যে আরও একটি বিমানবাহী রণতরী পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন এবং সহস্রাধিক সৈন্য, যুদ্ধবিমান ও রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে। এই প্রস্তুতি শুধু পরমাণু স্থাপনা নয়, ইরানের রাষ্ট্রীয় ও নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকেও টার্গেটে আনতে পারে।

ট্রাম্পের কণ্ঠ থেকে কড়া বার্তা এবং পাল্টা আক্রমণের আশঙ্কা
ট্রাম্প বলেছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি করা সহজ নয় এবং কখনও কখনও “ভয় তৈরি করাই” পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সহায়তা করে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা বলছেন, ইরান পাল্টা হামলা করতে পারে এবং এই প্রতিক্রিয়া পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘর্ষের ঝুঁকি বাড়াবে।
ইসরাইলের উদ্বেগ ও ভবিষ্যৎ কূটনীতির প্রশ্ন
ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনজামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করেছেন ইরানের নিরাপত্তা উদ্বেগ নিয়ে। ইরান কিছু পরিমাণ পর্যন্ত পরমাণু কর্মসূচি সীমাবদ্ধ করার কথায় রাজি হলেও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আলাদা রেখেছে।
এই উত্তেজনা বিশ্বরাজনীতিতে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে কেন্দ্র করে তীব্র অবস্থানে নিয়ে এসেছে এবং সামরিক সম্ভাবনার কারণে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার প্রশ্নে নতুন করে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















