ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) শনিবার জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী এবং সম্পর্ক আরও “গভীরতর” করার লক্ষ্য নিয়েছে। তারা এ ধরনের সংস্কারকে সমর্থন দিতে প্রস্তুত, যা গণতান্ত্রিক নীতি, মানবাধিকার এবং আইনের শাসনের প্রতি সম্মান ভিত্তিক হবে।
ইইউয়ের ব্রাসেলস, বেলজিয়াম থেকে প্রকাশিত বিবৃতিতে বলা হয়েছে, তারা বাংলাদেশের নির্বাচনে প্রকৃতভাবে প্রতিযোগিতামূলক সংসদীয় ভোট ও রেফারেন্ডাম শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হওয়ায় স্বাগত জানাচ্ছে। বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, বাংলাদেশের জনগণ বিপুল সংখ্যায় তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছে।
নির্বাচন পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠানো
ইইউ একটি নির্বাচনী পর্যবেক্ষণ মিশন পাঠিয়েছিল, যা প্রাথমিক ফলাফল একটি সংবাদ সম্মেলনে প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়েছে, নির্বাচনের মান এবং পরিচালনা উভয়ই বিশ্বাসযোগ্য এবং দক্ষভাবে সম্পন্ন হয়েছে, যা গণতান্ত্রিক শাসন ও আইনের শাসন পুনঃস্থাপনের দিকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।
মিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন এই বছরের শেষের দিকে প্রকাশিত হবে।
ইইউয়ের মুখপাত্র বলেন, “আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানাচ্ছি যে তারা সংবিধানিক, বিচারিক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংস্কারগুলো বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করুক, যেগুলো রেফারেন্ডামে জনগণের সমর্থন পেয়েছে। নতুন সংসদের এই প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
তারেক রহমানের বার্তা
বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান ১৩তম জাতীয় নির্বাচনে তার দলের বড় জয়ের পর বাংলাদেশের জনগণকে অভিনন্দন জানান। তিনি ঘোষণা করেন, “আজ থেকে আমরা সবাই স্বাধীন।”
জাতীয় নির্বাচনের পর শহরের একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত প্রথম সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, “এই জয় বাংলাদেশের, গণতন্ত্রের এবং গণতান্ত্রিক মানুষের।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















