০৭:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ এপ্রিল ২০২৬
হুতি আন্দোলনের সংযমী পদক্ষেপ: ইরান যুদ্ধে সীমিত হামলা ও কৌশল কান্দির খাবারের ফিরিস্তি: পর্ব-২: জনার নিরামিষ সিঙ্গারা শিরীন শারমিনকে ঘিরে আইনজীবীদের ‘জয় বাংলা’ স্লোগান আদালতের সিঁড়িতে পড়ে গেলেন শিরীন শারমিন চৌধুরী হরমুজ প্রণালীতে নিরাপত্তা নিয়ে লন্ডনে বৈঠক, যুক্তরাষ্ট্র অনুপস্থিত যুক্তরাষ্ট্র আক্রমণ চালালে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের ইরান যুদ্ধ পরিস্থিতি: সময়সীমা ঘনিয়ে আসছে, কূটনৈতিক সমাধানের কোনো অগ্রগতি নেই যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব প্রত্যাখ্যানের পর ইসরায়েল-ইরানের নতুন হামলা, হরমুজ প্রণালি নিয়ে ট্রাম্পের হুমকি কোচেলার সময়সূচি প্রকাশ, উৎসবের কাউন্টডাউন এখন সত্যিকারের পরিকল্পনার লড়াই এল নিনোর ছায়ায় ভারতের মৌসুমি বৃষ্টির পূর্বাভাস কম, দুশ্চিন্তায় কৃষি ও বাজার

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হুতি আন্দোলনের সংযমী পদক্ষেপ: ইরান যুদ্ধে সীমিত হামলা ও কৌশল

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

০৫:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।