০৭:৩১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
শারজাহ চেম্বার অব কমার্সের বছরব্যাপী সাফল্য উদযাপন: উদ্বোধন হলো শারজাহ চেম্বার মিউজিয়াম যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ইরান নীতি: মধ্যপ্রাচ্যে ‘ভয়ঙ্কর শক্তি’ মোতায়েন ভারতের স্বাগত বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় যাত্রায়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা জাতীয় সংসদের সাউথ প্লাজায় নতুন মন্ত্রিসভা শপথ অনুষ্ঠান: ইতিহাসের স্মৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে নির্বাচিত জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের দাবি: ৩২ আসনে পুনঃগণনা আবশ্যক আমর একুশে বইমেলা ২০২৬: রমজানে শুরু নিয়ে প্রকাশকদের বিতর্ক রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপিকা হত্যার হুমকির অভিযোগ চাপাইনবাবগঞ্জে বোমা তৈরির ঘটনায় মামলা: পাঁচজন গ্রেপ্তার নির্বাচনের ছুটি শেষ, স্বাভাবিক জীবনে ফিরছে বাংলাদেশ

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শারজাহ চেম্বার অব কমার্সের বছরব্যাপী সাফল্য উদযাপন: উদ্বোধন হলো শারজাহ চেম্বার মিউজিয়াম

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

০৫:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।