০৯:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
বগুড়ায় এসআইকে কুপিয়ে মামলার নথি ছিনতাই, তদন্তে পুলিশ মে মাসে মূল্যস্ফীতি ৪.২ শতাংশে, ইরান যুদ্ধের জ্বালানি ধাক্কায় বাড়ছে মার্কিন অর্থনীতির চাপ ওমানকে ঘিরে ট্রাম্পের হুমকি, মধ্যপ্রাচ্যের নতুন কূটনৈতিক টানাপোড়েন শক্তির সংজ্ঞা যদি পুরুষতন্ত্র লিখে দেয়, তবে নারীরা জিতবে কীভাবে? নতুন বিশ্বব্যবস্থায় টিকে থাকার লড়াই: প্রযুক্তি, জ্ঞান ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠনের সময় নেহরুর উত্তরাধিকার মুছে দেওয়ার চেষ্টা করছেন মোদি: দীর্ঘতম মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দিনে কংগ্রেসের তীব্র আক্রমণ নেহরুকে ছাড়িয়ে টানা সবচেয়ে দীর্ঘমেয়াদি নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী মোদি, মন্ত্রিসভার অভিনন্দন কেমোথেরাপির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মানসিক সক্ষমতা ধরে রাখতে ব্যায়াম হতে পারে কার্যকর: নতুন গবেষণা সরকারের অনুমোদন: মরক্কো থেকে ৬০ হাজার টন টিএসপি সার আমদানি, ডালও কিনছে সরকার ইসলামী ব্যাংকের অস্থিরতায় উদ্বিগ্ন ব্যাংকাররা, আস্থার সংকটের আশঙ্কা

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় এসআইকে কুপিয়ে মামলার নথি ছিনতাই, তদন্তে পুলিশ

ইউএই সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে শক্ত আইন: পরিবেশ রক্ষা নতুন অধ্যায়ে

০৫:৫২:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদের সংকটাপন্ন প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে একটি ব্যাপক নতুন আইন প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য ২০৩০ সালের মধ্যে এই বাণিজ্যকে সম্পূর্ণভাবে নিয়মিত ও টেকসই করা। দেশটির জাতীয় পরিকল্পনা অনুযায়ী, সন্দেশটি পরিবেশ রক্ষায় চারটি জাতীয় উদ্দেশ্যসহ বিভিন্ন কার্যক্রম নির্ধারণ করা হয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বন্যপ্রাণী বাণিজ্য সংক্রান্ত চুক্তি সাইটিস (CITES)-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বাস্তবায়িত হবে।

নতুন আইন পরিবেশ রক্ষায় যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে
এই পরিকল্পনার অন্যতম উদ্দেশ্য হলো আইনগত ব্যবস্থা শক্তিশালী করে আন্তর্জাতিক ও দেশীয় বাণিজ্যকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা, অবৈধ বন্যপ্রাণী বাণিজ্যের বিরুদ্ধে জোরালো ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং অবৈধ বাণিজ্য রোধে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতা গঠন। নতুন আইনটি ২০টি ফেডারেল আইন অন্তর্ভুক্ত করেছে যেগুলোর মধ্যে রয়েছে মৎস্যসম্পদ, পরিবেশ রক্ষা, পশুপাখি শিকারের নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্বব্যাপী সাইটিস চুক্তি অনুযায়ী বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ বিভিন্ন সংশোধিত বিধান।

বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর বিধান ও জরিমানা
আইনের আওতায় বাণিজ্য, আমদানি, রপ্তানি এবং পুনরায় রপ্তানিসহ বিভিন্ন দিক নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে এবং নির্দিষ্ট প্রবেশ পয়েন্টে কঠোরভাবে অনুমোদনপত্র সাপেক্ষে এসব কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এই নিয়ম ভঙ্গ করলে জরিমানা, কারাদণ্ডসহ কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে, যাতে আন্তর্জাতিক প্রোটেক্টেড প্রজাতির অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ থাকে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত জীববৈচিত্র্য রক্ষায় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ
ইউএই দীর্ঘদিন ধরেই জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভূমিকা রাখছে। দেশটি ১৯৯০ সালে সাইটিস চুক্তিতে যোগ দিয়ে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড মেনে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণে অঙ্গীকারবদ্ধ হয়েছে। নতুন আইনের মাধ্যমে দেশটি জীববৈচিত্র্য রক্ষা, বিলুপ্তির পথে থাকা প্রজাতির পুনরুদ্ধার ও রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করতে যাচ্ছে।