০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার বাংলাদেশের পুঁজিবাজারে আসছে অরেঞ্জ বন্ড ও সুকুক রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধে হাইকোর্টের নির্দেশ তিতাস এলাকায় গ্যাসের তীব্র চাপ সংকট, ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় ভোগান্তির আশঙ্কা প্রাইম ব্যাংকের প্রধান নির্বাহী হাসান ও. রশিদের পদত্যাগ, কার্যকর হবে ৩১ মার্চ ২০২৬ সিরাজগঞ্জে সংঘর্ষ: ৫ শতাধিকের বিরুদ্ধে মামলা, আটক ৩ নতুন সরকারের অধীনে ছয় মাসেই ঘুরে দাঁড়াতে পারে পুঁজিবাজার: বিসিআইএ’র প্রত্যাশা অসমে কংগ্রেসের অবহেলা: প্রধানমন্ত্রী মোদির তীব্র প্রতিপক্ষী আক্রমণ ও উন্নয়নের অঙ্গীকার ইমরান খানের চোখ পরীক্ষা করবেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, ধীরে ধীরে তীব্র রাজনৈতিক উত্তাপ জামায়াতে ইসলামি ও জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল সরকারের কাছে গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠক এড়াতে আহ্বান

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (আইসিটি) রোববার রামপুরায় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের সময় ছাদে ঝুলন্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হওয়া আমির হোসেনের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ।

আইসিটি-১-এর তিন সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ গোলাম মোর্তুজা মজুমদার। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (খিলগাঁও জোন) রাশেদুল ইসলাম, প্রাক্তন রামপুরা থানার অফিসার ইন চার্জ মাশুর রহমান, প্রাক্তন সহকারী উপ-পরিদর্শক চঞ্চল চন্দ্র সরকার এবং প্রাক্তন উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত চঞ্চল চন্দ্র সরকার আদালতে হাজির করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট আইসিটি চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৪-এ আমির হোসেন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রামপুরায় সংঘর্ষে আটকা পড়েন। পুলিশ এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধির কারণে পুলিশ গুলি চালানো শুরু করে। আতঙ্কে তিনি আশ্রয় খুঁজতে আশেপাশের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় উঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ভবনের তলায় প্রবেশ করে এবং বারবার তাকে লাফ দিতে নির্দেশ দেয়। এক পর্যায়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছয়টি গুলি চালায়, যার ফলে আমিরের উভয় পায়ে আঘাত লাগে।

পুলিশ চলে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় তিনি তৃতীয় তলায় লাফ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর একজন স্থানীয় ছাত্র এবং দুই জন চিকিৎসক তাকে খুঁজে বের করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও তিনি বেঁচে যান।

ঘটনার একই দিনে রামপুরায় ওই স্থানের নিকটে আরও দুই জন নিহত হন। এই মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সমাজ এবং বিচারিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ার শেরপুরে বাসের ধাক্কায় ফায়ার স্টেশনে ঢুকে নিহত ফায়ারফাইটার

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে

০৭:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (আইসিটি) রোববার রামপুরায় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের সময় ছাদে ঝুলন্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হওয়া আমির হোসেনের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ।

আইসিটি-১-এর তিন সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ গোলাম মোর্তুজা মজুমদার। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (খিলগাঁও জোন) রাশেদুল ইসলাম, প্রাক্তন রামপুরা থানার অফিসার ইন চার্জ মাশুর রহমান, প্রাক্তন সহকারী উপ-পরিদর্শক চঞ্চল চন্দ্র সরকার এবং প্রাক্তন উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত চঞ্চল চন্দ্র সরকার আদালতে হাজির করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট আইসিটি চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৪-এ আমির হোসেন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রামপুরায় সংঘর্ষে আটকা পড়েন। পুলিশ এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধির কারণে পুলিশ গুলি চালানো শুরু করে। আতঙ্কে তিনি আশ্রয় খুঁজতে আশেপাশের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় উঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ভবনের তলায় প্রবেশ করে এবং বারবার তাকে লাফ দিতে নির্দেশ দেয়। এক পর্যায়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছয়টি গুলি চালায়, যার ফলে আমিরের উভয় পায়ে আঘাত লাগে।

পুলিশ চলে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় তিনি তৃতীয় তলায় লাফ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর একজন স্থানীয় ছাত্র এবং দুই জন চিকিৎসক তাকে খুঁজে বের করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও তিনি বেঁচে যান।

ঘটনার একই দিনে রামপুরায় ওই স্থানের নিকটে আরও দুই জন নিহত হন। এই মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সমাজ এবং বিচারিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।