১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: শান্তি আলোচনা নাকি কঠোর অভিযান, সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে এনবিএ ফাইনালের কোর্টে ফিরছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া, আবারও দেখা যাবে ট্রফির লোগো ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষিত শহরের তালিকায় ২০তম অবস্থানে রাজধানী ইউফোরিয়ার সমাপ্তিতে রুয়ের মৃত্যু, আবেগঘন পরিণতিতে শেষ হলো জনপ্রিয় সিরিজ চীন-জাপান-ফিলিপাইন উত্তেজনা: তাইওয়ানের পূর্বে সমুদ্র টহল বাড়াল বেইজিং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমআইএস অফিসার নিয়োগ, ২২ বছর বয়স হলেই আবেদন স্টার ওয়ার্সের নেপথ্যের নায়িকা মার্সিয়া লুকাস আর নেই কোহলির ঝড়ে টানা দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা বেঙ্গালুরুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ, তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (আইসিটি) রোববার রামপুরায় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের সময় ছাদে ঝুলন্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হওয়া আমির হোসেনের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ।

আইসিটি-১-এর তিন সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ গোলাম মোর্তুজা মজুমদার। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (খিলগাঁও জোন) রাশেদুল ইসলাম, প্রাক্তন রামপুরা থানার অফিসার ইন চার্জ মাশুর রহমান, প্রাক্তন সহকারী উপ-পরিদর্শক চঞ্চল চন্দ্র সরকার এবং প্রাক্তন উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত চঞ্চল চন্দ্র সরকার আদালতে হাজির করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট আইসিটি চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৪-এ আমির হোসেন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রামপুরায় সংঘর্ষে আটকা পড়েন। পুলিশ এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধির কারণে পুলিশ গুলি চালানো শুরু করে। আতঙ্কে তিনি আশ্রয় খুঁজতে আশেপাশের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় উঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ভবনের তলায় প্রবেশ করে এবং বারবার তাকে লাফ দিতে নির্দেশ দেয়। এক পর্যায়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছয়টি গুলি চালায়, যার ফলে আমিরের উভয় পায়ে আঘাত লাগে।

পুলিশ চলে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় তিনি তৃতীয় তলায় লাফ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর একজন স্থানীয় ছাত্র এবং দুই জন চিকিৎসক তাকে খুঁজে বের করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও তিনি বেঁচে যান।

ঘটনার একই দিনে রামপুরায় ওই স্থানের নিকটে আরও দুই জন নিহত হন। এই মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সমাজ এবং বিচারিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর

রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হামলার মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ: আইসিটি ১ মার্চ ৪-এ রায় দেবে

০৭:১১:৪৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ (আইসিটি) রোববার রামপুরায় ২০২৪ সালের জুলাই-অগাস্ট আন্দোলনের সময় ছাদে ঝুলন্ত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হওয়া আমির হোসেনের মামলার রায় ঘোষণার তারিখ নির্ধারণ করেছে। রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ৪ মার্চ।

আইসিটি-১-এর তিন সদস্যের বেঞ্চের নেতৃত্বে ছিলেন চেয়ারম্যান বিচারপতি মোঃ গোলাম মোর্তুজা মজুমদার। মামলায় অভিযুক্তরা হলেন প্রাক্তন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার হাবিবুর রহমান, প্রাক্তন অতিরিক্ত ডেপুটি কমিশনার (খিলগাঁও জোন) রাশেদুল ইসলাম, প্রাক্তন রামপুরা থানার অফিসার ইন চার্জ মাশুর রহমান, প্রাক্তন সহকারী উপ-পরিদর্শক চঞ্চল চন্দ্র সরকার এবং প্রাক্তন উপ-পরিদর্শক তারিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

মামলায় একমাত্র গ্রেপ্তারকৃত অভিযুক্ত চঞ্চল চন্দ্র সরকার আদালতে হাজির করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১০ আগস্ট আইসিটি চারজনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল, যার মধ্যে ছিলেন প্রাক্তন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, ১৯ জুলাই ২০২৪-এ আমির হোসেন জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে রামপুরায় সংঘর্ষে আটকা পড়েন। পুলিশ এবং প্রতিবাদকারীদের মধ্যে সংঘর্ষ বৃদ্ধির কারণে পুলিশ গুলি চালানো শুরু করে। আতঙ্কে তিনি আশ্রয় খুঁজতে আশেপাশের নির্মাণাধীন ভবনের চতুর্থ তলায় উঠেন। অভিযোগ অনুযায়ী, পুলিশ কর্মকর্তা ভবনের তলায় প্রবেশ করে এবং বারবার তাকে লাফ দিতে নির্দেশ দেয়। এক পর্যায়ে একজন পুলিশ কর্মকর্তা ছয়টি গুলি চালায়, যার ফলে আমিরের উভয় পায়ে আঘাত লাগে।

পুলিশ চলে যাওয়ার পর আহত অবস্থায় তিনি তৃতীয় তলায় লাফ দেন। প্রায় তিন ঘণ্টা রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকার পর একজন স্থানীয় ছাত্র এবং দুই জন চিকিৎসক তাকে খুঁজে বের করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তাকে গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। গুরুতর আঘাত সত্ত্বেও তিনি বেঁচে যান।

ঘটনার একই দিনে রামপুরায় ওই স্থানের নিকটে আরও দুই জন নিহত হন। এই মামলার রায় ঘোষণাকে কেন্দ্র করে সমাজ এবং বিচারিক মহলে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।