০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত? জ্বালানি নিরাপত্তার টেকসই পথ হতে পারে নবায়নযোগ্য শক্তি নিউইয়র্কে মোহন ভাগবতের অনুষ্ঠান আয়োজকদের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত ৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে

জামায়াতে ইসলামি ও জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল সরকারের কাছে গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠক এড়াতে আহ্বান

পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামি (জেআই) এবং জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল (জেআইউআই-এফ) সরকারকে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছে। দুই দলের শীর্ষ নেতা নাঈমুর রহমান ও মাওলানা ফজলুর রহমান এক যৌথ বৈঠকের পর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, যদি সরকার তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বৈঠকে অংশগ্রহণ করে তাহলে তারা জনগণকে গণ আন্দোলনে আন্দোলিত করবেন।

পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক শক্তির প্রহরী বানানোর চেষ্টা নয়

ফজলুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, “আমরা কি ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয়ে হামাসকে অস্ত্রহীন করার মতো কার্যক্রমে অংশ নেব এবং বহিরাগত শক্তির এজেন্ডা পূরণ করব?” তিনি স্পষ্ট করেন যে, পাকিস্তানকে কোনো পরিস্থিতিতেই আন্তর্জাতিক শক্তির প্রহরীতে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। নাঈমুর রহমান উল্লেখ করেন, গাজার শান্তি বোর্ডে অংশগ্রহণ কূটনৈতিকভাবে আরও এক ব্যর্থতার পর্যায় হতে পারে, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির প্রেক্ষাপটে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

দুই নেতা পাকিস্তানের প্রধান ভূমিকাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেশের সরকারকে সৌদি আরব ও তুরস্ককে বোঝাতে হবে যেন তারা গাজার শান্তি বোর্ডের অংশ না হয়। নাঈমুর রহমান আরও বলেন, জাতিসংঘের উপস্থিতিতে গাজার শান্তি বোর্ড গঠনের প্রয়োজন নেই এবং পাকিস্তান যদি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সৈন্য পাঠায়, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বৈঠকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদে বৃদ্ধি এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হয়। দুই নেতা একমত হন যে, পাকিস্তান কোনো অবস্থাতেই গাজার শান্তি বোর্ডের অংশ হওয়া উচিত নয়।

আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ

নাঈমুর রহমান বলেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করতে হলে তা সংলাপ ও কূটনৈতিক মাধ্যমে করা উচিত, উত্তেজনা নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার বৈঠকে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তে এগিয়ে যায়, তাহলে তা পাকিস্তানের সামরিক জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। “পাকিস্তান কোনো যুদ্ধের অংশ হয়ে জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেবে না। যদি সরকার এই উদ্বেগ উপেক্ষা করে, আমরা শীঘ্রই জনগণকে আন্দোলনে নেব,” তিনি যোগ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভূরাজনীতির ঝুঁকি: কোম্পানি কি প্রস্তুত?

জামায়াতে ইসলামি ও জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল সরকারের কাছে গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠক এড়াতে আহ্বান

০৭:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পাকিস্তানের জামায়াতে ইসলামি (জেআই) এবং জামিয়ত উলেমা-ই-ইসলাম ফাজল (জেআইউআই-এফ) সরকারকে আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য গাজার শান্তি বোর্ড বৈঠকে অংশগ্রহণ না করার আহ্বান জানিয়েছে। দুই দলের শীর্ষ নেতা নাঈমুর রহমান ও মাওলানা ফজলুর রহমান এক যৌথ বৈঠকের পর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন, যদি সরকার তাদের পরিকল্পনা অনুযায়ী বৈঠকে অংশগ্রহণ করে তাহলে তারা জনগণকে গণ আন্দোলনে আন্দোলিত করবেন।

পাকিস্তানকে আন্তর্জাতিক শক্তির প্রহরী বানানোর চেষ্টা নয়

ফজলুর রহমান প্রশ্ন তোলেন, “আমরা কি ইসরায়েলি বাহিনীর সঙ্গে মিলিত হয়ে হামাসকে অস্ত্রহীন করার মতো কার্যক্রমে অংশ নেব এবং বহিরাগত শক্তির এজেন্ডা পূরণ করব?” তিনি স্পষ্ট করেন যে, পাকিস্তানকে কোনো পরিস্থিতিতেই আন্তর্জাতিক শক্তির প্রহরীতে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। নাঈমুর রহমান উল্লেখ করেন, গাজার শান্তি বোর্ডে অংশগ্রহণ কূটনৈতিকভাবে আরও এক ব্যর্থতার পর্যায় হতে পারে, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতির প্রেক্ষাপটে।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ

দুই নেতা পাকিস্তানের প্রধান ভূমিকাকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, দেশের সরকারকে সৌদি আরব ও তুরস্ককে বোঝাতে হবে যেন তারা গাজার শান্তি বোর্ডের অংশ না হয়। নাঈমুর রহমান আরও বলেন, জাতিসংঘের উপস্থিতিতে গাজার শান্তি বোর্ড গঠনের প্রয়োজন নেই এবং পাকিস্তান যদি আন্তর্জাতিক স্থিতিশীলতা বাহিনীতে (আইএসএফ) সৈন্য পাঠায়, তা গ্রহণযোগ্য নয়। বৈঠকে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, সন্ত্রাসবাদে বৃদ্ধি এবং গাজার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করা হয়। দুই নেতা একমত হন যে, পাকিস্তান কোনো অবস্থাতেই গাজার শান্তি বোর্ডের অংশ হওয়া উচিত নয়।

আফগানিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক সমাধানে কূটনৈতিক উদ্যোগ

নাঈমুর রহমান বলেন, পাকিস্তান-আফগানিস্তানের মধ্যে বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করতে হলে তা সংলাপ ও কূটনৈতিক মাধ্যমে করা উচিত, উত্তেজনা নয়। তিনি সতর্ক করে বলেন, যদি সরকার বৈঠকে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্তে এগিয়ে যায়, তাহলে তা পাকিস্তানের সামরিক জড়িত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি করতে পারে। “পাকিস্তান কোনো যুদ্ধের অংশ হয়ে জাতীয় স্বার্থ ক্ষতিগ্রস্ত হতে দেবে না। যদি সরকার এই উদ্বেগ উপেক্ষা করে, আমরা শীঘ্রই জনগণকে আন্দোলনে নেব,” তিনি যোগ করেন।