১১:৩৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০১ জুন ২০২৬
লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচন: শান্তি আলোচনা নাকি কঠোর অভিযান, সিদ্ধান্ত ভোটারদের হাতে এনবিএ ফাইনালের কোর্টে ফিরছে ঐতিহ্যের ছোঁয়া, আবারও দেখা যাবে ট্রফির লোগো ঢাকার বাতাসে স্বস্তি, দূষিত শহরের তালিকায় ২০তম অবস্থানে রাজধানী ইউফোরিয়ার সমাপ্তিতে রুয়ের মৃত্যু, আবেগঘন পরিণতিতে শেষ হলো জনপ্রিয় সিরিজ চীন-জাপান-ফিলিপাইন উত্তেজনা: তাইওয়ানের পূর্বে সমুদ্র টহল বাড়াল বেইজিং গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রে এমআইএস অফিসার নিয়োগ, ২২ বছর বয়স হলেই আবেদন স্টার ওয়ার্সের নেপথ্যের নায়িকা মার্সিয়া লুকাস আর নেই কোহলির ঝড়ে টানা দ্বিতীয় আইপিএল শিরোপা বেঙ্গালুরুর বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ প্রায় দ্বিগুণ, তবে বাস্তবায়ন সক্ষমতা নিয়ে বড় প্রশ্ন

ভারতের স্বাগত বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় যাত্রায়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বীরলা আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষে অংশগ্রহণ করবেন। ভারতের এই উদ্যোগ দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতিকে পুনঃনিশ্চিত করে।

মোদি-তারেক ফোন সংযোগে ভারতীয় সমর্থন নিশ্চিত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেশী হিসেবে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধন শক্তিশালী হওয়ার বিষয়টি ভারত বিশেষভাবে স্বাগত জানিয়েছে। বিএনপি একটি প্রভাবশালী জয় লাভ করে জামাত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন জোটকে হারানোর পর এই সরকার গঠনের পথে।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের স্পিকারের সঙ্গে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রও উপস্থিত থাকবেন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের নেতা এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন। নতুন মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিনের হাতে শপথ গ্রহণ করবেন।

ভারতীয় সংসদে খালেদা জিয়াকে সম্মান

নির্বাচনের জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের বিশ্বাস আপনার নেতৃত্বে স্পষ্ট।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশে ভারত সবসময় সমর্থনে থাকবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার জন্য কাজ করবে।

বাংলাদেশে নতুন সরকারের ক্ষমতায় যাত্রা ভারতের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটিয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর

ভারতের স্বাগত বাংলাদেশে নির্বাচিত সরকারের ক্ষমতায় যাত্রায়: তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায়ের সূচনা

০৭:২৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকারের শপথ গ্রহণকে স্বাগত জানানো হয়েছে। ভারতের লোকসভা স্পিকার ওম বীরলা আগামী ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষে অংশগ্রহণ করবেন। ভারতের এই উদ্যোগ দুই দেশের জনগণের মধ্যে গভীর বন্ধুত্ব এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি অটুট প্রতিশ্রুতিকে পুনঃনিশ্চিত করে।

মোদি-তারেক ফোন সংযোগে ভারতীয় সমর্থন নিশ্চিত

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তারেক রহমানকে ফোনে অভিনন্দন জানিয়েছেন এবং বাংলাদেশের জনগণের প্রত্যাশা পূরণে সমর্থন প্রকাশ করেছেন। প্রতিবেশী হিসেবে ইতিহাস, সংস্কৃতি এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার বন্ধন শক্তিশালী হওয়ার বিষয়টি ভারত বিশেষভাবে স্বাগত জানিয়েছে। বিএনপি একটি প্রভাবশালী জয় লাভ করে জামাত-এনসিপি নেতৃত্বাধীন জোটকে হারানোর পর এই সরকার গঠনের পথে।

শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি

শপথ অনুষ্ঠানে ভারতের স্পিকারের সঙ্গে বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রও উপস্থিত থাকবেন। দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের নেতা এবং চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনও অনুষ্ঠানে প্রতিনিধিত্ব করবেন। নতুন মন্ত্রিসভা মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিনের হাতে শপথ গ্রহণ করবেন।

ভারতীয় সংসদে খালেদা জিয়াকে সম্মান

নির্বাচনের জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে মোদি বলেন, “বাংলাদেশের জনগণের বিশ্বাস আপনার নেতৃত্বে স্পষ্ট।” ভারতের প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন, একটি গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশে ভারত সবসময় সমর্থনে থাকবে এবং দুই দেশের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করার জন্য কাজ করবে।

বাংলাদেশে নতুন সরকারের ক্ষমতায় যাত্রা ভারতের পক্ষ থেকে উষ্ণ অভ্যর্থনার মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার রাজনীতিতে একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা ঘটিয়েছে।