যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র সচিব মার্কো রুবিও বলেছেন, রাশিয়ান বিরোধী নেতা আলেক্সেই নাভালনিকে বিষের মাধ্যমে হত্যা করার অভিযোগে ইউরোপীয় পাঁচ শক্তিশালী দেশের রিপোর্ট “চিন্তার বিষয়”, তবে ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে তা প্রত্যাখ্যানের কোনও কারণ নেই। শনিবার ব্রাতিসলাভায় সাংবাদিকদের সঙ্গে বৈঠকে তিনি জানান, রিপোর্টটি সম্পর্কে তারা সচেতন এবং এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনও প্রশ্ন নেই।
ইউরোপীয় দেশগুলোর যৌথ রিপোর্ট
ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, সুইডেন ও নেদারল্যান্ডস যৌথ বিবৃতিতে বলেছে, নাভালনির দেহের নমুনা বিশ্লেষণে নিশ্চিতভাবে পাওয়া গেছে এপিব্যাটিডিন টক্সিন, যা দক্ষিণ আমেরিকার বিষাক্ত ডার্ট ব্যাঙে থাকে এবং রাশিয়ায় স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায় না। এই রিপোর্টে রাশিয়ার সংস্পর্শে আসার পর, মস্কো একে “পশ্চিমা প্রচারণা” বলে অস্বীকার করেছে।

মার্কিন অবস্থান
রুবিও স্পষ্ট করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ওই যৌথ বিবৃতিতে অংশগ্রহণ করেনি কারণ এটি ইউরোপীয় দেশগুলোর উদ্যোগ। তিনি বলেন, “আমরা রিপোর্টের ফলাফলের সঙ্গে অসহমত নই, তবে এটি আমাদের উদ্যোগ নয়। কখনও কখনও দেশগুলো তাদের গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিজ উদ্যোগে কাজ করে।” তিনি আরও জানান, যুক্তরাষ্ট্র এই দেশের বিরুদ্ধে রিপোর্ট বিতর্কে জড়াচ্ছে না, এটি তাদের প্রকাশ করা তথ্য।
নাভালনির মৃত্যু ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

নাভালনি ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সালে আর্কটিকের কারাগারে মৃত্যুবরণ করেন। তিনি চরমপন্থা ও অন্যান্য অভিযোগে দণ্ডপ্রাপ্ত ছিলেন, যা তিনি অস্বীকার করেছিলেন। তার মৃত্যু নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে নিয়মিতভাবে আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে, বিশেষ করে ইউরোপীয় দেশগুলোর রিপোর্ট প্রকাশের পর।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















