আমেরিকার ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট (আইসিই) অবৈধভাবে বন্দি রাখার বিষয়ে বিচারিক প্রশাসনের বিরুদ্ধে বড় বিরোধ বেড়েছে। ট্রাম্প প্রশাসনের কঠোর দেশান্তর নীতি আর বিদেশিরা মুক্তি দাবি করে দায়ের করা হেবিয়াস করপাস মামলা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল আদালতগুলোতে ব্যাপক রায় এসেছে, যার সংখ্যা অক্টোবর থেকে ৪৪০০ ছাড়িয়ে গেছে বলে সর্বশেষ তথ্য পাওয়া গেছে।
আইসিই বনাম আদালতের রায়
আইসিই কর্তৃপক্ষ বহুজন ইমিগ্রান্টকে আইন অনুযায়ী মুক্তি না দিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে আটক রাখার কারণে শত শত অধিকৃত আদালত আইন লঙ্ঘিত বলে রায় দিয়েছে। বিচারকরা বলেছেন, দীর্ঘ তিন দশকের পুরনো ফেডারেল আইনের ব্যাখ্যা থেকে সরে এসে অধিক ঝাঁকুনির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং আইন পরিষ্কার থাকার পরেও সরকারের দলে এহেন আচরণ উদ্বেগজনক।
অভিযোগ ও প্রশাসনের অবস্থান
আইসিই ও হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ দাবি করেছে যে সরকার আইন মেনে চলছে এবং ফেডারেল ইমিগ্রেশন আইন কার্যকর করা হচ্ছে। তা সত্ত্বেও আদালতের অনেক রায়ে বলা হয়েছে যে কর্তৃপক্ষ বহু ব্যক্তিকে মুক্তি আদেশের পরও নিঃশর্তভাবে আটকে রেখেছে। আইনজীবীরা মত ব্যক্ত করেছেন যে এই পরিস্থিতি একটি জটিল আইনি পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।
ব্যক্তিগত কেস ও সমাজিক প্রভাব
এক শিশু ছাত্র, এক স্বামী-স্ত্রী এবং বিভিন্ন পেশার ব্যক্তিদের মামলা আদালতে হেবিয়াস করপাসের মাধ্যমে বিবেচিত হয়েছে এবং আদালত তাদের অবৈধ আটক বলে মুক্তি আদেশ দিয়েছে। অনেক আইনজীবী বলছেন, অনেক লোক এ সুযোগ জানেন না অথবা সাশ্রয়ী আইনি সহায়তা পাচ্ছেন না, ফলে তাদের ন্যায্য অধিকার রক্ষায় সমস্যা রয়েছে।
আইন প্রশাসন ও ভবিষ্যৎ
মামলার সংখ্যা বাড়ায় বিচার বিভাগীয় ও বিচারিক ব্যবস্থায় চাপ বেড়েছে। বিচারকরা বারবার আইসিই কর্তৃপক্ষকে আদেশ ভঙ্গের অভিযোগে সতর্ক করেছেন। আগামী সপ্তাহগুলোয় এই বিষয়ে আরো আপিল আদালতের সিদ্ধান্ত আসার কথা থাকায় ব্যাপক গুরুত্ব নিয়ে বিষয়টি দেখা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















