০৮:৩৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬
শান্তি নাকি কঠোর নিরাপত্তা? কলম্বিয়ার নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ ইসরায়েল-লেবানন উত্তেজনা কমাতে নতুন মার্কিন প্রস্তাব, যুদ্ধবিরতির পথে কূটনৈতিক তৎপরতা বিশ্বের ইউরেনিয়াম সরবরাহ কার হাতে? পারমাণবিক শক্তির দৌড়ে বাড়ছে কয়েক দেশের প্রভাব তেলবাজারে নতুন উত্তেজনা, ইরান ইস্যুতে মার্কিন অবস্থান কঠোর হওয়ায় দাম বাড়ল অগ্ন্যাশয় ক্যানসারে নতুন আশার আলো, নতুন ওষুধে দ্বিগুণ হলো রোগীদের বেঁচে থাকার সময় ওয়াকা ফ্লকা ফ্লেমের ঘরে আসছে প্রথম সন্তান, ছেলে সন্তানের অপেক্ষায় র‌্যাপ তারকা গ্রাহাম প্ল্যাটনারকে ঘিরে নতুন বিতর্ক, ‘গসিপ’ বলে উড়িয়ে দিলেন স্ত্রী ইরানের ড্রোন নিয়ন্ত্রণকেন্দ্রে মার্কিন হামলা, মধ্যপ্রাচ্যে নতুন উত্তেজনা ভার্জিনিয়ার ডেপুটি হত্যাকাণ্ডের পর নাটকীয় অভিযান, বন্যপ্রাণী ক্যামেরায় ধরা পড়ে অবশেষে গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন লেবাননে আরও গভীরে ইসরায়েলি অভিযান, হিজবুল্লাহকে চাপে রাখতে নতুন নির্দেশ নেতানিয়াহুর

রমজানের প্রথম জুমার নামাজে বায়তুল মোকাররমে মুসলিমদের ভিড়

রমজানের পবিত্র মাসের প্রথম শুক্রবারে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হাজার হাজার মুসলিম জুমার নামাজ আদায় করতে ভিড় করেছেন। ভক্তি, নিয়ন্ত্রিত আচরণ ও আধ্যাত্মিক ভাবনার মধ্য দিয়ে নামাজের পরিবেশটি ছিল বিশেষভাবে মনোমুগ্ধকর।

প্রভাত থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিমরা মসজিদে আসা শুরু করেন। রমজান মাসে জুমার নামাজকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়, কারণ এটি হলো রোজা, আত্মসংযম ও ইবাদতের মাস।

মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশেপাশের এলাকা মানুষে পরিপূর্ণ ছিল। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে দোয়া করছিলেন, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করছিলেন।

অনেকে সময় আগে এসে প্রধান প্রার্থনালয়েই স্থান দখল করতে চাইছিলেন, আবার অনেকে মসজিদের আঙিনাতেও নামাজ আদায় করছিলেন।

উক্ত দিনটি মুসলিমদের জন্য আধ্যাত্মিক এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে রমজানের প্রথম জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করে তারা আত্মশুদ্ধি ও ঈমানকে দৃঢ় করার চেষ্টা করেছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

শান্তি নাকি কঠোর নিরাপত্তা? কলম্বিয়ার নির্বাচনের আগে বড় চ্যালেঞ্জ

রমজানের প্রথম জুমার নামাজে বায়তুল মোকাররমে মুসলিমদের ভিড়

০৬:৪৬:৩২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রমজানের পবিত্র মাসের প্রথম শুক্রবারে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে হাজার হাজার মুসলিম জুমার নামাজ আদায় করতে ভিড় করেছেন। ভক্তি, নিয়ন্ত্রিত আচরণ ও আধ্যাত্মিক ভাবনার মধ্য দিয়ে নামাজের পরিবেশটি ছিল বিশেষভাবে মনোমুগ্ধকর।

প্রভাত থেকে ঢাকার বিভিন্ন এলাকা থেকে মুসলিমরা মসজিদে আসা শুরু করেন। রমজান মাসে জুমার নামাজকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়, কারণ এটি হলো রোজা, আত্মসংযম ও ইবাদতের মাস।

মসজিদ প্রাঙ্গণ ও আশেপাশের এলাকা মানুষে পরিপূর্ণ ছিল। সবাই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়িয়ে দোয়া করছিলেন, দয়া ও ক্ষমা প্রার্থনা করছিলেন।

অনেকে সময় আগে এসে প্রধান প্রার্থনালয়েই স্থান দখল করতে চাইছিলেন, আবার অনেকে মসজিদের আঙিনাতেও নামাজ আদায় করছিলেন।

উক্ত দিনটি মুসলিমদের জন্য আধ্যাত্মিক এক গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে, যেখানে রমজানের প্রথম জুমার নামাজে অংশগ্রহণ করে তারা আত্মশুদ্ধি ও ঈমানকে দৃঢ় করার চেষ্টা করেছেন।