০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আন্ড্রু মাউন্টব্যাটেন‑উইন্ডসর গ্রেফতার ও কিং চার্লসের সংক্ষিপ্ত বিবৃতি আসামে ভোটের আগে ‘জনতার চার্জশিট’ প্রকাশ প্রিয়াঙ্কার, রাজ্য সরকারকে তীব্র দুর্নীতির অভিযোগ আইপ্যাক অভিযানে ‘ক্ষমতার চরম অপব্যবহার’: মমতার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে ইডির বিস্ফোরক অভিযোগ ২২ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভোটার তালিকা বিশেষ সংশোধন এপ্রিল থেকে চলতি মাসেই যমুনা ছাড়বেন ড. ইউনূস, উঠবেন তারেক রহমান পাকিস্তানকে গুঁড়িয়ে ফাইনালে বাংলাদেশের মেয়েরা এবার ধানমন্ডি অফিসে বঙ্গবন্ধুর ছবি রেখে স্লোগান দিয়েছে যুব মহিলা লীগ র‌্যামাদানে সিএনজি ফিলিং স্টেশন বন্ধ থাকবে বিকেল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত আসিফ নজরুলকে ‘মিথ্যুক’ বললেন কোচ সালাউদ্দিন রোজায় লাগামহীন নিত্যপণ্যের বাজার

এবার একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন নিরাপদ, কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

ঢাকা: রাজধানীতে এবার একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী।

কমিশনার শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের জানান, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রচুর জনসমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কমিশনার জানান, পুলিশ, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবকরা নিয়ে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং স্মৃতিসৌধের পবিত্রতা রক্ষা করা যায়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ভোট প্রয়োগ করেছেন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। একইভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানেরও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশেষ দায়িত্বপালন

নির্দিষ্ট পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিশেষ ইউনিটগুলো, যেমন এসডব্লিউএটি, কুকুর ইউনিট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এবং ক্রাইম সিন টিম সারারাত প্রহরায় থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি এবং সাইবার মনিটরিংও শক্তিশালী করা হয়েছে।

সাজ্জাত আলী আরও জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ মিনার এলাকাতেই সীমিত নয়, পুরো রাজধানী জুড়েই পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পরিদর্শকদের জন্য যাতায়াত নির্দেশিকা

শহীদ মিনারে প্রবেশ কেবল পলাশী মোড়–জগন্নাথ হল ক্রসিং রুটের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে। বের হওয়ার সময় রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চাঁখারপুলের দিকে যেতে হবে। অন্য কোনো বিকল্প রুট ব্যবহার করা যাবে না।

জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে, কোনো ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক সঙ্গে নিয়ে না আসতে এবং নির্ধারিত প্রবেশ ও প্রস্থান পথ অনুসরণ করতে। পরিদর্শকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দ্রুত বের হওয়ার কথাও বলা হয়েছে, যাতে অন্যরা প্রবেশ করতে পারে।

নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে যানবাহন বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও এলাকার বাসিন্দাদের ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার মাধ্যমে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।

আন্ড্রু মাউন্টব্যাটেন‑উইন্ডসর গ্রেফতার ও কিং চার্লসের সংক্ষিপ্ত বিবৃতি

এবার একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপন নিরাপদ, কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই: ডিএমপি কমিশনার

০৬:৫৩:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকা: রাজধানীতে এবার একুশে ফেব্রুয়ারি উদযাপনকে কেন্দ্র করে কোনো নিরাপত্তা হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী।

কমিশনার শুক্রবার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের জানান, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন সুষ্ঠু ও নিরাপদভাবে সম্পন্ন করতে প্রায় ১৫ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হবে। শহীদ মিনারে ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে প্রচুর জনসমাগমের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

কমিশনার জানান, পুলিশ, অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং স্বেচ্ছাসেবকরা নিয়ে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে, যাতে শৃঙ্খলা বজায় থাকে এবং স্মৃতিসৌধের পবিত্রতা রক্ষা করা যায়।

সম্প্রতি অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ভোটাররা শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাবদ্ধভাবে ভোট প্রয়োগ করেছেন এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত কোনো সমস্যা হয়নি। একইভাবে একুশে ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠানেরও নিরাপদভাবে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও বিশেষ দায়িত্বপালন

নির্দিষ্ট পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি বিশেষ ইউনিটগুলো, যেমন এসডব্লিউএটি, কুকুর ইউনিট, বোমা নিষ্ক্রিয়করণ দল এবং ক্রাইম সিন টিম সারারাত প্রহরায় থাকবে। গোয়েন্দা নজরদারি এবং সাইবার মনিটরিংও শক্তিশালী করা হয়েছে।

সাজ্জাত আলী আরও জানান, নিরাপত্তা ব্যবস্থা শুধু শহীদ মিনার এলাকাতেই সীমিত নয়, পুরো রাজধানী জুড়েই পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

পরিদর্শকদের জন্য যাতায়াত নির্দেশিকা

শহীদ মিনারে প্রবেশ কেবল পলাশী মোড়–জগন্নাথ হল ক্রসিং রুটের মাধ্যমে অনুমোদিত হবে। বের হওয়ার সময় রোমানা ক্রসিং হয়ে দোয়েল চত্তর অথবা চাঁখারপুলের দিকে যেতে হবে। অন্য কোনো বিকল্প রুট ব্যবহার করা যাবে না।

জনসাধারণকে অনুরোধ করা হয়েছে, কোনো ধারালো বস্তু, দাহ্য পদার্থ বা বিস্ফোরক সঙ্গে নিয়ে না আসতে এবং নির্ধারিত প্রবেশ ও প্রস্থান পথ অনুসরণ করতে। পরিদর্শকদের শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে দ্রুত বের হওয়ার কথাও বলা হয়েছে, যাতে অন্যরা প্রবেশ করতে পারে।

নিরাপত্তা ও যানজট নিয়ন্ত্রণের জন্য শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশপথে যানবাহন বিকল্প পথের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষক, ছাত্র, কর্মকর্তা ও এলাকার বাসিন্দাদের ট্রাফিক নির্দেশনা মেনে চলার মাধ্যমে সহযোগিতা করার অনুরোধ করা হয়েছে।