হংকং-এর নাগরিক সাইমন লিউং মার্চ ২০২৪ থেকে পূর্ণকালীন চাকরিতে নেই। তার চাকরির চুক্তি শেষ হওয়ার পর সরকারি অনুদান ৭ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি গিগ জবের মাধ্যমে সংসার চালাচ্ছেন।
সাইমন লিউং, যিনি কানাডার কুইন্স ইউনিভার্সিটি থেকে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক, আশা করছেন আগামী বাজেটে অর্থনৈতিক সচিব পল চ্যান মো-পো এনজিওগুলোর জন্য পুনরায় তহবিল বরাদ্দ করবেন, যাতে তার মতো চাকরি হারানো কর্মীরা পুনরায় কাজ করতে পারেন। তিনি জানান, “তাদের বাজেট আগের স্তরে ফিরিয়ে আনা উচিত।”

বাজেট ও নাগরিক প্রত্যাশা
অনেকে হংকংবাসীর মতো লিউং-এর ক্ষেত্রেও আশা করছেন, আগামী বুধবারের বাজেটে সামাজিক সেবা ও এনজিও খাতের প্রতি বিশেষ নজর দেওয়া হবে। তবে কিছুজন প্রশ্ন তুলছেন, এই ধরনের স্বল্পমেয়াদী আর্থিক সহায়তা কি দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হবে। তাদের যুক্তি, এমন পদক্ষেপগুলো অবশ্যই শহরের বড় ছবির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া উচিত—একটি আন্তর্জাতিক আর্থিক কেন্দ্র হিসেবে এগিয়ে থাকা এবং একই সঙ্গে নাগরিকদের জন্য বাসযোগ্য ও সাশ্রয়ী শহর নিশ্চিত করা।

ঘাটতি থেকে স্থিতিশীল অর্থনীতি
হংকং-এর বাজেট অতীতের ঘাটতি কাটিয়ে এবার একটি শক্তিশালী আর্থিক অবস্থার দিকে এগোচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে স্বল্পমেয়াদী সুবিধা এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার মধ্যে সঠিক সমন্বয় গড়ে তোলা শহরের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















