ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বিএনপির নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে সতর্কবার্তা দিয়েছেন। শুক্রবার রাত ১২টার সময় সরাইল উপজেলার কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানোর সময় স্থানীয় বিএনপির কিছু নেতাকর্মীর হামলার শিকার হন তিনি। এ ঘটনার পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, বিএনপি যদি এখনই স্থানীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ন্ত্রণ না করে, তবে এর পরিণতি ভয়াবহ হবে।
রুমিন ফারহানা অভিযোগ করেন, ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী নির্বাচিত সংসদ সদস্য হিসেবে প্রথমে ফুল দেওয়ার অধিকার তার থাকলেও বিএনপির নেতাকর্মীরা তার ওপর হামলা চালায়। তিনি জানান, তাকে একপাশে ঠেলে ফেলার চেষ্টা করা হয়। তিনি এ ঘটনার পেছনে ‘পুরোপুরি পূর্বপরিকল্পিত’ এবং ‘ভয়ংকর হিংস্রতা’ থাকার কথা উল্লেখ করেন।
তিনি আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনায় এসেছে। দলের নেতা-কর্মীরা যদি এখন উশৃঙ্খল আচরণ বন্ধ না করে, দল ও সরকারের ভাবমূর্তির ক্ষতি হবে। নির্বাচনে পরাজিত হওয়া এবং ব্যবসায়িক ব্যর্থতার অভিশাপ থেকে কিছু নেতাকর্মী এই হামলা চালিয়েছে বলে তিনি অভিমত প্রকাশ করেন।
ঘটনার সময় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা রুমিন ফারহানাকে উদ্দেশ্য করে ‘ভুয়া ভুয়া’ স্লোগান দিতে থাকেন। উত্তেজনা বাড়লে তার পুষ্পস্তবক ছিঁড়ে ফেলা হয়। পুলিশি হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে রুমিন ফারহানার সমর্থকেরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ করলে প্রশাসনের আশ্বাসে এক ঘণ্টার মধ্যে অবরোধ তুলে নেওয়া হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















