০৭:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
সিলেটের হাসপাতালে ‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু ভারতের উপর AI বিপ্লবের দৃষ্টিকোণ: সল্টম্যানের সঙ্গে একান্ত সাক্ষাৎ বিদায় সেলিম সামাদ, আমাদের প্রিয় বন্ধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিযাজ আহমেদ খান পদত্যাগ করেছেন জানুয়ারিতে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা ছিল সড়ক মৃত্যুর চার ভাগের একাংশের কারণ উত্তরা ইপিজিতে নতুন পোশাক কারখানায় ১৯.৫৯ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করবে চীনের (হংকং) প্রতিষ্ঠান ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা প্রকল্প শিগগিরই শুরু হবে, আশাবাদী চীনা রাষ্ট্রদূত নেপালের নির্বাচনী মঞ্চে র‍্যাস্ট্রিয়া স্বাধীনতা পার্টির উত্থান, পুরনো দলগুলোর অবস্থান শক্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টের ইউরোপীয় স্বায়ত্তশাসনের চ্যালেঞ্জ

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।

সিলেটের হাসপাতালে ‘ভুল চিকিৎসায়’ রোগীর মৃত্যু

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

০৫:১৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।