০২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬
এ৬৬ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত: সংঘবদ্ধ অপরাধের তদন্তে ১২ জন গ্রেপ্তার ট্রাম্পের নতুন প্রস্তাব, অন্টারিও হ্রদের নাম হতে পারে ‘আমেরিকা হ্রদ’ ডেভনে বন্ধ টাংস্টেন খনি ফের চালু করতে ৭১ মিলিয়ন পাউন্ড বিনিয়োগ ব্রিটিশ সরকারের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কি গণিতের ভবিষ্যৎ শেষ করে দেবে? এখনই নয় ২৩ বছর পর ফিরছে ‘হাউ টু লুজ আ গাই ইন ১০ ডেজ’, প্রযোজনায় কেট হাডসন মাওয়ের ব্যঙ্গাত্মক ভাস্কর্য নির্মাণের দায়ে চীনা শিল্পীর তিন বছরের কারাদণ্ড সংস্কারের ভূত: অতীতের ভুল থেকে বেরিয়ে আসার কঠিন পরীক্ষা রাজনৈতিক প্রভাব কেনার বিল এবার বড় ব্যবসাকেই দিতে হবে প্রদেশ নয়, ক্ষমতার বিকেন্দ্রীকরণই পাকিস্তানের প্রকৃত সংস্কার টাইটানিকের শতাধিক নিদর্শন নিলাম বন্ধ করলেন মার্কিন বিচারক

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

এ৬৬ সড়ক দুর্ঘটনায় সাতজন নিহত: সংঘবদ্ধ অপরাধের তদন্তে ১২ জন গ্রেপ্তার

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

০৫:১৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।