০২:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৭ মে ২০২৬
গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ চীনের মহাকাশে ইতিহাস, প্রথমবারের মতো হংকংয়ের নারী নভোচারীর যাত্রা আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন এখন বিয়ের খাঁচায় বন্দি সৌদি আরবের ভিশন ২০৩০: স্বপ্নের মেগা প্রকল্পে ধাক্কা, বাস্তবতার মুখে নতুন হিসাব ৪৫০ টাকার বিরোধে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে তরুণ নিহত, রাজশাহীতে চাঞ্চল্য আফগানিস্তানে মেয়েদের স্বপ্ন থামিয়ে দিচ্ছে বাল্যবিয়ে, বন্ধ স্কুলে বাড়ছে হতাশা খরার জমিতে কাস্টার্ড আপেলের জয়, কৃষকদের আয়ে খুলছে নতুন সম্ভাবনা আফগানিস্তানে মেয়েদের শিক্ষাবন্দি জীবন, বিয়েই এখন অনেকের একমাত্র ভবিষ্যৎ দিল্লির ঐতিহ্যবাহী জিমখানা ক্লাব বন্ধের শঙ্কা, উত্তাল বিতর্কে ক্ষমতা-ঐতিহ্য-অভিজাত সংস্কৃতি লাওসের গুহায় এক সপ্তাহ ধরে আটকা ৭ গ্রামবাসী, চলছে প্রাণপণ উদ্ধার অভিযান

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

গার্দিওলার বিদায় মঞ্চে মাইকেল জর্ডানের আবেগঘন বার্তা, কেঁদে ফেললেন ম্যানসিটি কোচ

ঢাকায় ২০০৯ সালের কিশোরী ধর্ষণ মামলায় চারজনকে যাবজ্জীবন

০৫:১৬:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ঢাকার কমরাঙ্গীরচরে ২০০৯ সালে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত।

ঢাকা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-এর বিচারক মুন্সী মো. মাশিয়ার রহমান এ রায় ঘোষণা করেন।

জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—শাহিদুল ইসলাম, সাইফুল ইসলাম, নীজাম এবং মনির হোসেন, স্বপরিচিত সেন্টু। এদের মধ্যে সাইফুলকে অনুপস্থিতিতে বিচার করা হয়।

আদালত চারজনকেই এক লাখ টাকা করে জরিমানা করেছে। জরিমানা না দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও এক বছরের কারাদণ্ড দেয়া হবে। আদালত পাশাপাশি ঢাকা জেলা কমিশনারকে নির্দেশ দিয়েছেন যে, দণ্ডপ্রাপ্তদের সম্পদ বিক্রি করে জরিমানার টাকা জমা দিতে হবে।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০০৯ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ২৫ বছর বয়সী কিশোরী তার বন্ধুর সঙ্গে কমরাঙ্গীরচর আশরাফাবাদে বেরিবাদাহ এলাকায় যান। একপর্যায়ে তার বন্ধু তাকে একা রেখে বাড়ি ফিরে যায়।

এরপর দণ্ডপ্রাপ্তরা কিশোরীকে একটি নৌকায় তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে তারা কিশোরীকে সালাম কন্ট্রাক্টরের বাড়ির একটি কক্ষে বন্দি রাখে। কিশোরীর পরিবার জানার পর তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করান।

কমরাঙ্গীরচর থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। থানার উপ-পরিদর্শক শফিকুল ইসলাম শিকদার ২০১০ সালের ৩১ অক্টোবর দণ্ডপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দায়ের করেন।