০৬:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬
খামেনির মৃত্যুতে সন্ধিক্ষণে ইরান, পরিবর্তন আসছে—কিন্তু কোন পথে? যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলা ও ইরানের প্রতিশোধ, বিস্তারিত কতটা জানা যাচ্ছে ঈদুল ফিতরের ছুটি বাড়তে পারে, সিদ্ধান্ত আসছে মন্ত্রিসভায় ইরানে হামলার পর চীনা ব্যবসায় ধাক্কা, অর্ডার ঝুলে গেল অনিশ্চয়তায় উত্তরায় বাসায় ডাকাতি: বৃদ্ধা খুন, সিসিটিভি সূত্রে ভাড়াটিয়া আটক চীনের সতর্ক অবস্থানের পেছনে কী আছে ইরান–যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল সংঘর্ষে ট্রাম্পের চীন সফরের আগে বিনিয়োগ পুনরুজ্জীবনে আলোচনা, স্পষ্ট কাঠামো এখনো অনির্ধারিত আইসিইউতে ছড়িয়ে পড়ছে ওষুধ-প্রতিরোধী ছত্রাক ‘সুপারবাগ’: আইসিডিডিআর,বি ‘শুনলাম যুদ্ধ লেগেছে’- ইরানে ছেলে ও তার পরিবার নিয়ে উৎকণ্ঠায় মা তেহরানে কী ঘটেছে!

‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছেন, এই প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না। তার এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পৌঁছানোর জন্য এটি প্রধান রুট। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

বিপ্লবী গার্ডের কড়া বার্তা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে বলেন, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছালে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও পার হতে দেওয়া হবে না। যদিও সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জাহাজকে হুমকি দেওয়া হয়নি, তবে বক্তব্যটি আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জাহাজ চলাচলে ইতিমধ্যে প্রভাব

সপ্তাহান্তে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জাহাজগুলোকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দেয়। এর পর থেকেই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক জাহাজ গতি কমিয়ে দিয়েছে বা বিকল্প পথ খুঁজছে। এতে তেল পরিবহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।

বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা তৈরি হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জলপথে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

সামগ্রিক পরিস্থিতি

ইরান সরাসরি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের ঘোষণা দেয়নি। তবু কঠোর ভাষার হুঁশিয়ারি এবং সতর্কবার্তার ফলে বাস্তব পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্ববাজার এখন নজর রাখছে, এই হুমকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নাকি বড় কোনো পদক্ষেপের পূর্বাভাস।

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির মৃত্যুতে সন্ধিক্ষণে ইরান, পরিবর্তন আসছে—কিন্তু কোন পথে?

‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস

০৫:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছেন, এই প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না। তার এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পৌঁছানোর জন্য এটি প্রধান রুট। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

বিপ্লবী গার্ডের কড়া বার্তা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে বলেন, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছালে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও পার হতে দেওয়া হবে না। যদিও সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জাহাজকে হুমকি দেওয়া হয়নি, তবে বক্তব্যটি আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জাহাজ চলাচলে ইতিমধ্যে প্রভাব

সপ্তাহান্তে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জাহাজগুলোকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দেয়। এর পর থেকেই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক জাহাজ গতি কমিয়ে দিয়েছে বা বিকল্প পথ খুঁজছে। এতে তেল পরিবহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।

বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা তৈরি হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জলপথে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

সামগ্রিক পরিস্থিতি

ইরান সরাসরি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের ঘোষণা দেয়নি। তবু কঠোর ভাষার হুঁশিয়ারি এবং সতর্কবার্তার ফলে বাস্তব পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্ববাজার এখন নজর রাখছে, এই হুমকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নাকি বড় কোনো পদক্ষেপের পূর্বাভাস।