০৯:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী ‘টুকু আসে, টুকু যায়’—সংসদে জ্বালানি সংকট ও দ্রব্যমূল্য নিয়ে রুমিনের কড়া সমালোচনা কঙ্গোয় ইবোলা মহামারি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে, ৩ মাসে মৃত্যু ২,৫০০ ছাড়িয়েছে ‘ইনট্রিনসিক ক্যাপাসিটি’: সুস্থভাবে বার্ধক্য মাপার নতুন বৈজ্ঞানিক সূচক নজরুলের ৫০তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত, কবির প্রেরণায় আন্দোলনের কথা স্মরণ কাদের গনি চৌধুরী হলেন বিএসএসের নতুন ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক সেচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট বাবা-ছেলের মৃত্যু গোপালগঞ্জে ইউএস ওপেনে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় আরিনা সাবালেঙ্কার বিয়ের পর প্রথম মঞ্চে টেইলর সুইফটের সাদামাটা অথচ নজরকাড়া সাজ এসি ছাড়াই ঘর ও শরীর ঠান্ডা রাখার ১৪ কার্যকর উপায়

‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছেন, এই প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না। তার এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পৌঁছানোর জন্য এটি প্রধান রুট। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

বিপ্লবী গার্ডের কড়া বার্তা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে বলেন, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছালে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও পার হতে দেওয়া হবে না। যদিও সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জাহাজকে হুমকি দেওয়া হয়নি, তবে বক্তব্যটি আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জাহাজ চলাচলে ইতিমধ্যে প্রভাব

সপ্তাহান্তে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জাহাজগুলোকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দেয়। এর পর থেকেই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক জাহাজ গতি কমিয়ে দিয়েছে বা বিকল্প পথ খুঁজছে। এতে তেল পরিবহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।

বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা তৈরি হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জলপথে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

সামগ্রিক পরিস্থিতি

ইরান সরাসরি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের ঘোষণা দেয়নি। তবু কঠোর ভাষার হুঁশিয়ারি এবং সতর্কবার্তার ফলে বাস্তব পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্ববাজার এখন নজর রাখছে, এই হুমকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নাকি বড় কোনো পদক্ষেপের পূর্বাভাস।

জনপ্রিয় সংবাদ

৬৪ জেলার দায়িত্ব পেলেন হুইপসহ ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী

‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না- ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস

০৫:০২:৫৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জলপথ হরমুজ প্রণালী নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ঘোষণা দিয়েছেন, এই প্রণালী দিয়ে ‘এক ফোঁটা তেলও’ যেতে দেওয়া হবে না। তার এই বক্তব্যের পর আন্তর্জাতিক জ্বালানি বাজারে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।

হরমুজ প্রণালীর গুরুত্ব

হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। মধ্যপ্রাচ্যের তেলসমৃদ্ধ দেশগুলো থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি পৌঁছানোর জন্য এটি প্রধান রুট। ফলে এই পথ বন্ধ হয়ে গেলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে।

বিপ্লবী গার্ডের কড়া বার্তা

ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ডস কর্পসের ওই জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা স্পষ্টভাবে বলেন, পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছালে হরমুজ প্রণালী দিয়ে এক ফোঁটা তেলও পার হতে দেওয়া হবে না। যদিও সরাসরি কোনো নির্দিষ্ট জাহাজকে হুমকি দেওয়া হয়নি, তবে বক্তব্যটি আন্তর্জাতিক শিপিং শিল্পে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

জাহাজ চলাচলে ইতিমধ্যে প্রভাব

সপ্তাহান্তে বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জাহাজগুলোকে ওই এলাকা এড়িয়ে চলার সতর্কবার্তা দেয়। এর পর থেকেই প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে। অনেক জাহাজ গতি কমিয়ে দিয়েছে বা বিকল্প পথ খুঁজছে। এতে তেল পরিবহনের স্বাভাবিক গতি ব্যাহত হচ্ছে।

বাজারে অস্থিরতার আশঙ্কা

হরমুজ প্রণালীতে অস্থিরতা তৈরি হলে তেলের দাম দ্রুত বাড়তে পারে। সরবরাহ ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওপর চাপ তৈরি হয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই জলপথে যেকোনো উত্তেজনা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলতে সক্ষম।

সামগ্রিক পরিস্থিতি

ইরান সরাসরি জাহাজগুলোর বিরুদ্ধে কোনো আক্রমণের ঘোষণা দেয়নি। তবু কঠোর ভাষার হুঁশিয়ারি এবং সতর্কবার্তার ফলে বাস্তব পরিস্থিতিতে পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। বিশ্ববাজার এখন নজর রাখছে, এই হুমকি কূটনৈতিক চাপ তৈরির কৌশল নাকি বড় কোনো পদক্ষেপের পূর্বাভাস।