সপ্তাহের শুরুতে শেয়ারবাজারে জোরালো ঘুরে দাঁড়ানোর চিত্র দেখা গেছে। সোমবার লেনদেনের প্রথমার্ধেই ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) — উভয় বাজারের প্রধান সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগের কার্যদিবসে বড় পতনের পর বিনিয়োগকারীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে বাজারে ইতিবাচক প্রবণতা ফিরে আসে।
ডিএসইতে সূচকের শক্তিশালী উত্থান
লেনদেনের প্রথম ভাগে ডিএসইর প্রধান সূচক ডিএসইএক্স ১০৮ পয়েন্ট বেড়েছে। শরিয়াহভিত্তিক সূচক ডিএসইএস বৃদ্ধি পেয়েছে ১৮ পয়েন্ট। একই সময়ে ব্লু-চিপ কোম্পানিগুলোর সূচক ডিএস-৩০ ৩৩ পয়েন্ট যোগ করেছে।
বিভিন্ন খাতে একযোগে ক্রয়চাপ লক্ষ্য করা গেছে, যা বাজারের সামগ্রিক পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দেয়। বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ বৃদ্ধির ফলে অধিকাংশ কোম্পানির শেয়ারদর বেড়েছে।
বাজারের প্রস্থ ও লেনদেন পরিস্থিতি
ডিএসইতে বাজারের প্রস্থ ছিল অত্যন্ত ইতিবাচক। লেনদেনে অংশ নেওয়া ৩৭২টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের দাম বেড়েছে, বিপরীতে কমেছে মাত্র ১২টির। অপরিবর্তিত ছিল ৬টি কোম্পানির শেয়ারদর।
লেনদেনের প্রথমার্ধে ডিএসইতে মোট লেনদেনের পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৪৪০ কোটি টাকা। আগের দিনের পতনের পর বিনিয়োগকারীদের নতুন করে অংশগ্রহণ বাজারে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরিয়ে এনেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
সিএসইতেও ইতিবাচক ধারা
চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জেও একই রকম ইতিবাচক প্রবণতা দেখা গেছে। লেনদেনের শুরুতেই সিএএসপিআই সূচক ১৬০ পয়েন্ট বেড়েছে।
সিএসইতে লেনদেন হওয়া কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৮৯টির শেয়ারের দাম বেড়েছে, কমেছে ৩১টির। অপরিবর্তিত ছিল ১৪টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার।
একই সময়ে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকা।
সার্বিকভাবে আগের কার্যদিবসের ব্যাপক বিক্রিচাপ কাটিয়ে সোমবার বাজারে শক্তিশালী পুনরুদ্ধার দেখা গেছে। বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফিরে আসায় উভয় বাজারেই সূচক ও লেনদেনে উল্লেখযোগ্য উত্থান লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 


















