০৪:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬
ইরানের খার্গ দ্বীপের নিরাপত্তায় নির্ভর করছে তেলের দাম  কুয়েতে মার্কিন ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের ইসরায়েলের অস্ত্র আমদানি বৃদ্ধি ভোজ্যতেলের বাজার এখনো স্বাভাবিক হয়নি তেলের দাম কি ২০০ ডলারে উঠতে পারে হরমুজ প্রণালীর কাছে ইরানের ১৬টি মাইন বসানো নৌযান ধ্বংস করল যুক্তরাষ্ট্র তেল ছাড়লেও থামবে না সংকট! ইরান যুদ্ধের ধাক্কায় বিশ্ব জ্বালানি বাজারে নতুন আশঙ্কা ইরানের নৌযান ধ্বংসের দাবি যুক্তরাষ্ট্রের, নতুন হামলা ইসরায়েলের শিল্পপতির বাড়িতে গুলিবর্ষণ: সাজ্জাদ বাহিনীর তিন সদস্য এসএমজিসহ গ্রেপ্তার ইরান যুদ্ধের প্রভাব: জাপানের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বসন্তকালীন সুদহার বাড়ানোর পূর্বাভাসে নতুন অনিশ্চয়তা

ভাইরাল ভিডিওর ফাঁদ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি প্রাণীর ভিডিও কীভাবে বদলে দিচ্ছে মানুষের ভাবনা

সামাজিক মাধ্যমে স্ক্রল করতে করতে হঠাৎই দেখা যায় অদ্ভুত সব দৃশ্য—মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে বন্যপ্রাণী, শিশুদের সঙ্গে নাচছে বানর, কিংবা হাঙরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ তুলছে সেলফি। প্রথম দেখায় এসব ভিডিও অবাক করে দেয়, কিন্তু বাস্তবে এগুলোর অনেকই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভিডিও শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এগুলো মানুষের বন্যপ্রাণী সম্পর্কে ধারণা বিকৃত করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রাণী ও মানুষের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কেন দ্রুত বাড়ছে কৃত্রিম ভিডিও

সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নানা সরঞ্জাম সহজলভ্য হয়ে পড়েছে। সাধারণ ভাষায় কয়েকটি নির্দেশনা লিখলেই এখন তৈরি করা যায় বাস্তবের মতো দেখতে ভিডিও।

সামাজিক মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোতে ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিও এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ফলে দ্রুত ভাইরাল হওয়ার আশায় অনেকেই খুব কম খরচে এবং কম সময়েই এসব ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এ কারণে দেখা যাচ্ছে অদ্ভুত সব দৃশ্য—চিড়িয়াখানা ভেঙে বেরিয়ে আসছে গরিলা, মানুষের হাতে বাচ্চা তুলে দিচ্ছে সিংহ, কিংবা জেলের নৌকা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে মেরু ভালুক। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন এগুলো বাস্তব ঘটনা।

এই ধরনের ভিডিওকে অনেকেই নিম্নমানের বিনোদন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন, কারণ এগুলো সাধারণত ছোট এবং চমকপ্রদ দৃশ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়।

An underwater cinematic scene showing a lone scuba diver surrounded by  crystal-clear turquoise waters. Sunlight beams filter down from the  surface, illuminating coral reefs and small schools of fish. ...

 

সহিংসতা ও চমকের ব্যবহার

এই ভিডিওগুলোর বড় আকর্ষণ হলো চমক এবং সহিংসতা। কোথাও দেখা যায় সেতুর নিচে ধাক্কা খেয়ে জিরাফের মৃত্যু, কোথাও গরিলা পাথর ছুড়ে আক্রমণ করছে বাঘকে, আবার কোথাও উন্মত্ত হাঙর আক্রমণ করছে সাঁতারুকে।

এ ধরনের ভিডিও প্রায়ই নাটকীয় গল্পের সঙ্গে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে অন্যরা সেগুলো আবার সম্পাদনা করে নতুনভাবে প্রচার করে, যাতে আরও বেশি মানুষ দেখেন।

মানুষের ধারণা বদলে যাওয়ার ঝুঁকি

এই ভিডিওগুলো কোটি কোটি দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সের মানুষই এগুলো দেখে থাকেন। কিন্তু সবার সমানভাবে ডিজিটাল সচেতনতা বা তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা নেই।

এর ফলে মানুষ ভুলভাবে ভাবতে শুরু করতে পারে যে বন্যপ্রাণী সহজেই মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারে বা তাদের কাছাকাছি যাওয়া নিরাপদ।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ভিডিওতে দেখা গেল একটি শিশু কুকুরছানাকে খাওয়াচ্ছে বা কোনো ছেলে বানরের সঙ্গে খেলছে। দেখতে নিরীহ মনে হলেও এসব দৃশ্য মানুষকে ভুল ধারণা দিতে পারে যে অচেনা প্রাণীর কাছে যাওয়া নিরাপদ। বাস্তবে এতে মারাত্মক ঝুঁকি থাকতে পারে।

A man taking selfie with shark the man is running lion chasing the man wild  animals | Premium AI-generated image

সংরক্ষণ প্রচেষ্টার জন্য হুমকি

এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি প্রাণীর ছবি ও ভিডিও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। কারণ এসব ভিডিও মানুষকে ভুল ধারণা দেয় যে বিরল বা বিপন্ন প্রাণী খুব সহজেই আশপাশে দেখা যায়।

এতে প্রকৃত প্রাণী শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে।

এছাড়া অতিরিক্ত পর্যটনের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, যদি মানুষ বিশ্বাস করে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বিরল প্রাণী সহজেই দেখা যায়। অনেক সময় এসব ভিডিও প্রাণীদের মানুষের মতো আচরণ করতে দেখায়, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।

মানুষ ও প্রাণীর জন্য বিপদ

কিছু ভিডিওতে শিকারী ও শিকারের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দেখানো হয় বা মানুষ ও বন্যপ্রাণীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব দৃশ্য বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। যদি কেউ বাস্তবে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তাহলে প্রাণীকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে চিনতে ব্যর্থ হতে পারে এবং বিপদের মুখে পড়তে পারে।

Divers interacting with sharks | Premium AI-generated image

সংরক্ষণ কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার

তবে সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেতিবাচক নয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা অনেক প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিবাচক ফল পাচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বনাঞ্চলে স্থাপন করা ক্যামেরায় ধরা পড়া শত শত প্রাণীর ছবি খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে তাদের প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। আগে যেটি হাতে করতে কয়েক দিন সময় লাগত, এখন কয়েক মিনিটেই হয়ে যাচ্ছে।

তথ্য বিশ্লেষণ এবং শব্দভিত্তিক গবেষণার ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি বিভ্রান্তিকর প্রাণীর ভিডিও একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। কারণ এসব ভিডিও মানুষের মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে এবং কখনও কখনও বন্যপ্রাণীর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল সহিংসতার কারণও হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরানের খার্গ দ্বীপের নিরাপত্তায় নির্ভর করছে তেলের দাম

ভাইরাল ভিডিওর ফাঁদ: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি প্রাণীর ভিডিও কীভাবে বদলে দিচ্ছে মানুষের ভাবনা

০২:৪৩:৩৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬

সামাজিক মাধ্যমে স্ক্রল করতে করতে হঠাৎই দেখা যায় অদ্ভুত সব দৃশ্য—মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করছে বন্যপ্রাণী, শিশুদের সঙ্গে নাচছে বানর, কিংবা হাঙরের পাশে দাঁড়িয়ে কেউ তুলছে সেলফি। প্রথম দেখায় এসব ভিডিও অবাক করে দেয়, কিন্তু বাস্তবে এগুলোর অনেকই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ভিডিও শুধু বিনোদনের বিষয় নয়; এগুলো মানুষের বন্যপ্রাণী সম্পর্কে ধারণা বিকৃত করতে পারে এবং দীর্ঘমেয়াদে প্রাণী ও মানুষের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।

কেন দ্রুত বাড়ছে কৃত্রিম ভিডিও

সাম্প্রতিক সময়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক নানা সরঞ্জাম সহজলভ্য হয়ে পড়েছে। সাধারণ ভাষায় কয়েকটি নির্দেশনা লিখলেই এখন তৈরি করা যায় বাস্তবের মতো দেখতে ভিডিও।

সামাজিক মাধ্যমের প্ল্যাটফর্মগুলোতে ছোট দৈর্ঘ্যের ভিডিও এখন সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়। ফলে দ্রুত ভাইরাল হওয়ার আশায় অনেকেই খুব কম খরচে এবং কম সময়েই এসব ভিডিও তৈরি করে ছড়িয়ে দিচ্ছেন।

এ কারণে দেখা যাচ্ছে অদ্ভুত সব দৃশ্য—চিড়িয়াখানা ভেঙে বেরিয়ে আসছে গরিলা, মানুষের হাতে বাচ্চা তুলে দিচ্ছে সিংহ, কিংবা জেলের নৌকা থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে মেরু ভালুক। অনেক ক্ষেত্রে এগুলো এমনভাবে উপস্থাপন করা হয় যেন এগুলো বাস্তব ঘটনা।

এই ধরনের ভিডিওকে অনেকেই নিম্নমানের বিনোদন হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন, কারণ এগুলো সাধারণত ছোট এবং চমকপ্রদ দৃশ্যের ওপর নির্ভর করে তৈরি হয়।

An underwater cinematic scene showing a lone scuba diver surrounded by  crystal-clear turquoise waters. Sunlight beams filter down from the  surface, illuminating coral reefs and small schools of fish. ...

 

সহিংসতা ও চমকের ব্যবহার

এই ভিডিওগুলোর বড় আকর্ষণ হলো চমক এবং সহিংসতা। কোথাও দেখা যায় সেতুর নিচে ধাক্কা খেয়ে জিরাফের মৃত্যু, কোথাও গরিলা পাথর ছুড়ে আক্রমণ করছে বাঘকে, আবার কোথাও উন্মত্ত হাঙর আক্রমণ করছে সাঁতারুকে।

এ ধরনের ভিডিও প্রায়ই নাটকীয় গল্পের সঙ্গে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে অন্যরা সেগুলো আবার সম্পাদনা করে নতুনভাবে প্রচার করে, যাতে আরও বেশি মানুষ দেখেন।

মানুষের ধারণা বদলে যাওয়ার ঝুঁকি

এই ভিডিওগুলো কোটি কোটি দর্শকের কাছে পৌঁছে যায়। শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সের মানুষই এগুলো দেখে থাকেন। কিন্তু সবার সমানভাবে ডিজিটাল সচেতনতা বা তথ্য যাচাইয়ের দক্ষতা নেই।

এর ফলে মানুষ ভুলভাবে ভাবতে শুরু করতে পারে যে বন্যপ্রাণী সহজেই মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারে বা তাদের কাছাকাছি যাওয়া নিরাপদ।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, কোনো ভিডিওতে দেখা গেল একটি শিশু কুকুরছানাকে খাওয়াচ্ছে বা কোনো ছেলে বানরের সঙ্গে খেলছে। দেখতে নিরীহ মনে হলেও এসব দৃশ্য মানুষকে ভুল ধারণা দিতে পারে যে অচেনা প্রাণীর কাছে যাওয়া নিরাপদ। বাস্তবে এতে মারাত্মক ঝুঁকি থাকতে পারে।

A man taking selfie with shark the man is running lion chasing the man wild  animals | Premium AI-generated image

সংরক্ষণ প্রচেষ্টার জন্য হুমকি

এক গবেষণায় বলা হয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় তৈরি প্রাণীর ছবি ও ভিডিও বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ প্রচেষ্টাকেও ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে। কারণ এসব ভিডিও মানুষকে ভুল ধারণা দেয় যে বিরল বা বিপন্ন প্রাণী খুব সহজেই আশপাশে দেখা যায়।

এতে প্রকৃত প্রাণী শনাক্ত করার ক্ষেত্রেও বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে, বিশেষ করে শিশুদের মধ্যে।

এছাড়া অতিরিক্ত পর্যটনের ঝুঁকিও তৈরি হতে পারে, যদি মানুষ বিশ্বাস করে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে বিরল প্রাণী সহজেই দেখা যায়। অনেক সময় এসব ভিডিও প্রাণীদের মানুষের মতো আচরণ করতে দেখায়, যা বাস্তবে সম্ভব নয়।

মানুষ ও প্রাণীর জন্য বিপদ

কিছু ভিডিওতে শিকারী ও শিকারের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক দেখানো হয় বা মানুষ ও বন্যপ্রাণীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তুলে ধরা হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব দৃশ্য বাস্তবতার সঙ্গে মেলে না। যদি কেউ বাস্তবে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়, তাহলে প্রাণীকে সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে চিনতে ব্যর্থ হতে পারে এবং বিপদের মুখে পড়তে পারে।

Divers interacting with sharks | Premium AI-generated image

সংরক্ষণ কাজে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ইতিবাচক ব্যবহার

তবে সব ক্ষেত্রেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নেতিবাচক নয়। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে কাজ করা অনেক প্রতিষ্ঠান এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে ইতিবাচক ফল পাচ্ছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, বনাঞ্চলে স্থাপন করা ক্যামেরায় ধরা পড়া শত শত প্রাণীর ছবি খুব দ্রুত বিশ্লেষণ করে তাদের প্রজাতি শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে। আগে যেটি হাতে করতে কয়েক দিন সময় লাগত, এখন কয়েক মিনিটেই হয়ে যাচ্ছে।

তথ্য বিশ্লেষণ এবং শব্দভিত্তিক গবেষণার ক্ষেত্রেও এই প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বিনোদনের উদ্দেশ্যে তৈরি বিভ্রান্তিকর প্রাণীর ভিডিও একটি বিপজ্জনক প্রবণতা। কারণ এসব ভিডিও মানুষের মনোভাব প্রভাবিত করতে পারে এবং কখনও কখনও বন্যপ্রাণীর বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়াশীল সহিংসতার কারণও হতে পারে।