০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬
“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার চাহিদায় উড়ছে সিঙ্গাপুরের কারখানা উৎপাদন, টানা নয় মাস প্রবৃদ্ধি নামমাত্র পরিচালক হয়ে বিপাকে সিঙ্গাপুরের নারী, চাকরি হারিয়ে এখনও ১৫ প্রতিষ্ঠানের পরিচালক! নতুন শ্রবণ পরীক্ষা বুথে অপেক্ষার সময় অর্ধেক, দ্রুত সেবা পাচ্ছেন রোগীরা সিঙ্গাপুরে দুই মসজিদের সাবেক চেয়ারম্যানের কারাদণ্ড, ঠিকাদারি কাজ পাইয়ে দিতে দুর্নীতির প্রমাণ এয়ারএশিয়ার বড় সিদ্ধান্ত: ১ জুলাই থেকে বন্ধ সিঙ্গাপুর-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইট, বাড়বে যাত্রার সময় স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দিতে বহু কৌশল বিএনপির নেশার বিরুদ্ধে বড় অভিযান: ৬৮০ মিলিয়ন ডলারের মাদক আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করল মিয়ানমার পেন্টাগনের নতুন নীতি: যুদ্ধক্ষেত্রে লক্ষ্য নির্ধারণে বাড়ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভূমিকা ইসরায়েল-লেবানন সমঝোতার পথে নতুন উদ্যোগ, দক্ষিণ লেবাননে ‘হিজবুল্লাহমুক্ত অঞ্চল’ নিয়ে আলোচনা

তেল না পেয়ে পাম্প থেকে ফিরছেন চালকেরা, বাড়ছে ভোগান্তি

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক চালক পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করার পরও তেল না পাওয়ায় সাধারণ যানবাহন চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

পাম্পে দীর্ঘ লাইন

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেক চালক লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় অনেক সময় পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ফলে তেল নিতে এসে অনেক মানুষ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে সাধারণ যানবাহন চালকদের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

দেশজুড়ে জ্বালানি তেল সংকট, পাম্পে পাম্পে ভোগান্তি

ডিপো থেকে কম সরবরাহের অভিযোগ

পাম্প মালিকদের মতে, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় অনেক পাম্পে নিয়মিত তেল বিক্রি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অনেক সময় নতুন সরবরাহ আসার আগেই মজুত তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে কিছু পাম্পে সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিভিন্ন ডিপোতে প্রায় ২৫ শতাংশ হারে রেশনিং করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক পাম্পে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত পেট্রোল ও অকটেনের একটি বড় অংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। তাই এই দুই ধরনের জ্বালানির সরবরাহ উন্মুক্ত করা হলে বর্তমান সংকটের বড় অংশ দ্রুত সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জনপ্রিয় সংবাদ

“আমি এ বছরই দেশে ফিরব” – শেখ হাসিনা

তেল না পেয়ে পাম্প থেকে ফিরছেন চালকেরা, বাড়ছে ভোগান্তি

১২:১৫:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মার্চ ২০২৬

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরে জ্বালানি সংকটের কারণে অনেক চালক পেট্রোল পাম্পে গিয়ে তেল না পেয়েই ফিরে যাচ্ছেন। দীর্ঘ সময় লাইনে অপেক্ষা করার পরও তেল না পাওয়ায় সাধারণ যানবাহন চালক ও ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের ভোগান্তি বাড়ছে। বিশেষ করে মোটরসাইকেল ও ব্যক্তিগত গাড়ির চালকদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে।

পাম্পে দীর্ঘ লাইন

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় পেট্রোল পাম্পগুলোতে তেল নিতে দীর্ঘ লাইন দেখা যাচ্ছে। অনেক চালক লাইনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করলেও পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় অনেক সময় পাম্পে তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ফলে তেল নিতে এসে অনেক মানুষ হতাশ হয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে সাধারণ যানবাহন চালকদের পাশাপাশি ব্যক্তিগত গাড়ির মালিকদের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

দেশজুড়ে জ্বালানি তেল সংকট, পাম্পে পাম্পে ভোগান্তি

ডিপো থেকে কম সরবরাহের অভিযোগ

পাম্প মালিকদের মতে, ডিপো থেকে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি সরবরাহ না পাওয়ায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সরবরাহ কম থাকায় অনেক পাম্পে নিয়মিত তেল বিক্রি চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে না।

অনেক সময় নতুন সরবরাহ আসার আগেই মজুত তেল শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে বাধ্য হয়ে কিছু পাম্পে সাময়িকভাবে তেল বিক্রি বন্ধ রাখতে হচ্ছে।

পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি

পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দ্রুত পেট্রোল ও অকটেনের সরবরাহ উন্মুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রোল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

সংগঠনটির আহ্বায়ক সৈয়দ সাজ্জাদুল করিম কাবুল স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে বলা হয়েছে, বর্তমানে বিভিন্ন ডিপোতে প্রায় ২৫ শতাংশ হারে রেশনিং করা হচ্ছে। এর ফলে অনেক পাম্পে প্রয়োজন অনুযায়ী জ্বালানি পৌঁছাচ্ছে না।

চিঠিতে আরও বলা হয়, দেশে ব্যবহৃত পেট্রোল ও অকটেনের একটি বড় অংশ স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত হয়। তাই এই দুই ধরনের জ্বালানির সরবরাহ উন্মুক্ত করা হলে বর্তমান সংকটের বড় অংশ দ্রুত সমাধান করা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।