০৮:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি জেন জি-র ‘ফ্রেন্ডস’ বানানোর চেষ্টা চলছে, কিন্তু কেন তা অসম্ভব সঙ্কুচিত পোশাক কি নষ্ট না করেই আগের মাপে ফেরানো সম্ভব? ডায়মন্ড লিগের ফাইনালে তৃতীয় অ্যামি হান্ট, দুর্দান্ত ছন্দে ছুটছেন ব্রিটিশ তারকা মারাঠি না জানলে ঝুঁকিতে লাইসেন্স, মহারাষ্ট্রে ট্যাক্সি ও অটোরিকশাচালকদের মিলল আরও এক বছর বয়স বাড়লেই জীবন থেমে যায় না, বরং আসে নিজের মতো বাঁচার স্বাধীনতা: প্রু লেইথ দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে আহত, ‘ভয়াবহ’ অভিজ্ঞতার কথা জানালেন নিউইয়র্কের যুবক পেন্টাগনের নিয়ন্ত্রণ কি হারাচ্ছেন পিট হেগসেথ? আফ্রিকার প্রকৃত আয়তন তুলে ধরা মানচিত্রের পক্ষে জাতিসংঘের ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত সন্তান হত্যার মামলায় রায় হয়নি, লিন্ডসে ক্ল্যান্সিকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে তীব্র বিতর্ক

জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল চাইল বাংলাদেশ

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিদ্যমান চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি অবস্থা সামাল দিতে ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ  সংস্থা (বাসস)

 

ভারতের প্রতিক্রিয়া
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা জানান, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিল বাংলাদেশ

মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ
বাংলাদেশে ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো মৈত্রী পাইপলাইন। ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩১ কিলোমিটার। এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বাংলাদেশে ডিজেল পরিবহন করা হয়।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে এই নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী, পাইপলাইনে নুমালিগড় থেকে তেল  যাচ্ছে পার্বতীপুরে

পাইপলাইনের সক্ষমতা ও সরবরাহ পরিকল্পনা
২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের উদ্বোধন করা হয়। বছরে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে এই পাইপলাইনের। তবে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতামত
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা পাওয়া গেলে সংকট সামাল দেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

স্কুলে সহিংসতা ঠেকাতে আগে বদলাতে হবে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি

জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল চাইল বাংলাদেশ

১২:২২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিদ্যমান চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি অবস্থা সামাল দিতে ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ  সংস্থা (বাসস)

 

ভারতের প্রতিক্রিয়া
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা জানান, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিল বাংলাদেশ

মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ
বাংলাদেশে ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো মৈত্রী পাইপলাইন। ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩১ কিলোমিটার। এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বাংলাদেশে ডিজেল পরিবহন করা হয়।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে এই নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী, পাইপলাইনে নুমালিগড় থেকে তেল  যাচ্ছে পার্বতীপুরে

পাইপলাইনের সক্ষমতা ও সরবরাহ পরিকল্পনা
২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের উদ্বোধন করা হয়। বছরে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে এই পাইপলাইনের। তবে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতামত
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা পাওয়া গেলে সংকট সামাল দেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।