১২:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৪ মে ২০২৬
বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা চীনে বই পড়ার নতুন অভিযান: মোবাইল ছেড়ে পাঠে ফিরতে বলছে সরকার, কিন্তু স্বাধীনতা নিয়েই বড় প্রশ্ন চীনের ‘নিজস্ব পুলিশ কুকুর’ বিপ্লব: নিরাপত্তা থেকে জাতীয় গর্বে কুনমিংয়ের উত্থান হংকংয়ের অ্যান্টিক বাজারে লুকানো চীনের হারানো ঐতিহ্য, পাচারের অন্ধকার পথ উন্মোচন চীনের ক্ষমতার কেন্দ্রে কাই চি: শি জিনপিংয়ের ছায়াসঙ্গী নাকি ভবিষ্যতের উত্তরসূরি? আসাম ভোট ২০২৬: শুরুতেই চাপে বিরোধী শীর্ষ নেতারা, ফলাফলের আগে বাড়ছে জনমানসে উত্তেজনা আসামে ভোট গণনা শুরুতেই এগিয়ে বিজেপি, শর্মা ও গৌরব গগৈর লড়াইয়ে নজর কেরালায় ক্ষমতার পালাবদলের ইঙ্গিত, ১৪০ আসনের লড়াইয়ে এগিয়ে কংগ্রেস জোট কলকাতায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, শুরুতেই সমানে সমান তৃণমূল-বিজেপি হাওরে আগাম বন্যার তাণ্ডব: ফসল হারিয়ে চোখের জলে ভাসছে ছাতকের কৃষক

জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল চাইল বাংলাদেশ

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিদ্যমান চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি অবস্থা সামাল দিতে ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ  সংস্থা (বাসস)

 

ভারতের প্রতিক্রিয়া
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা জানান, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিল বাংলাদেশ

মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ
বাংলাদেশে ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো মৈত্রী পাইপলাইন। ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩১ কিলোমিটার। এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বাংলাদেশে ডিজেল পরিবহন করা হয়।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে এই নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী, পাইপলাইনে নুমালিগড় থেকে তেল  যাচ্ছে পার্বতীপুরে

পাইপলাইনের সক্ষমতা ও সরবরাহ পরিকল্পনা
২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের উদ্বোধন করা হয়। বছরে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে এই পাইপলাইনের। তবে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতামত
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা পাওয়া গেলে সংকট সামাল দেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস: দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ঝড়ো হাওয়ার সতর্কতা

জ্বালানি সংকটে ভারতের কাছে অতিরিক্ত ডিজেল চাইল বাংলাদেশ

১২:২২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়েছে বাংলাদেশ সরকার। বিদ্যমান চুক্তির বাইরে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়ে ভারত সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছে।

বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে জ্বালানি সরবরাহের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়েছে। তাই জরুরি অবস্থা সামাল দিতে ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চাওয়া হয়েছে।

দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী | শিরোনাম | বাংলাদেশ সংবাদ  সংস্থা (বাসস)

 

ভারতের প্রতিক্রিয়া
ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় কুমার ভার্মা জানান, বাংলাদেশ সরকারের পাঠানো চিঠি গ্রহণ করা হয়েছে। বিষয়টি ভারতের সরকারের কাছে উপস্থাপন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এর আগে সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ওই বৈঠকে দুই দেশের জ্বালানি সহযোগিতা ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়।

ভারতের কাছে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা চেয়ে চিঠি দিল বাংলাদেশ

মৈত্রী পাইপলাইনের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ
বাংলাদেশে ভারত থেকে জ্বালানি সরবরাহের অন্যতম প্রধান মাধ্যম হলো মৈত্রী পাইপলাইন। ভারতের শিলিগুড়ি মার্কেটিং টার্মিনাল থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপো পর্যন্ত বিস্তৃত এই পাইপলাইনের দৈর্ঘ্য প্রায় ১৩১ কিলোমিটার। এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের মাধ্যমে সরাসরি বাংলাদেশে ডিজেল পরিবহন করা হয়।

বর্তমান চুক্তি অনুযায়ী, এই পাইপলাইনের মাধ্যমে প্রতি মাসে প্রায় ১৫ হাজার টন ডিজেল বাংলাদেশে সরবরাহ করা হয়। তবে বর্তমান জ্বালানি সংকটের কারণে এই নির্ধারিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত সরবরাহের জন্য ভারতকে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

জ্বালানি নিরাপত্তায় ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রী, পাইপলাইনে নুমালিগড় থেকে তেল  যাচ্ছে পার্বতীপুরে

পাইপলাইনের সক্ষমতা ও সরবরাহ পরিকল্পনা
২০২৩ সালের মার্চ মাসে এই আন্তঃদেশীয় পাইপলাইনের উদ্বোধন করা হয়। বছরে প্রায় ২ লাখ মেট্রিক টন ডিজেল পরিবহনের সক্ষমতা রয়েছে এই পাইপলাইনের। তবে বিদ্যমান চুক্তি অনুযায়ী চলতি বছরে প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেল সরবরাহ করার পরিকল্পনা রয়েছে।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতামত
জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ সংকটের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে দেশের জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় চাপ বেড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রতিবেশী দেশ থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি সহায়তা পাওয়া গেলে সংকট সামাল দেওয়া তুলনামূলকভাবে সহজ হতে পারে।