বুধবার আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) ৪০ কোটি ব্যারেল মজুদ
নিঃসরণের ঘোষণা সত্ত্বেও বিশ্বের তেলের বাজার ঊর্ধ্বমুখী থাকে। ব্রেন্ট
ক্রুড ৪.৭৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১.৯৮ ডলারে স্থির হয়, আর মার্কিন
ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ৪.৫৫ শতাংশ বেড়ে
ব্যারেলপ্রতি ৮৭.২৫ ডলারে দাঁড়ায়। হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আক্রমণ
অব্যাহত থাকায় বাজারে মজুদ নিঃসরণের ইতিবাচক প্রভাব পড়েনি।

দামের তীব্র ওঠানামা ও বাজারের মনোভাব
সপ্তাহজুড়ে তেলের দাম চরম অস্থির। মঙ্গলবার মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী
ক্রিস রাইটের একটি ভুল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে দাবি করা হয় যে মার্কিন
নৌবাহিনী হরমুজ প্রণালি দিয়ে একটি ট্যাংকার পারাপার করেছে, এতে তেলের
দাম হঠাৎ ১৭ শতাংশের বেশি পড়ে যায়। পরক্ষণেই পোস্টটি মুছে ফেলা হলে
বাজার আবার আগের জায়গায় ফিরে আসে। বুধবার হরমুজ প্রণালির কাছে তিনটি
বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার খবর এলে নতুন করে উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে।

হরমুজ সংকটের বৈশ্বিক প্রভাব
পরামর্শ প্রতিষ্ঠান উড ম্যাকেঞ্জি হিসাব করছে, ইরান-মার্কিন যুদ্ধ এই
মুহূর্তে প্রতিদিন প্রায় দেড় কোটি ব্যারেল তেলের সরবরাহ বন্ধ করে
রেখেছে, যা প্রলম্বিত হলে দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত যেতে পারে।
সৌদি আরব লোহিত সাগরের বন্দর ইয়ানবু থেকে রপ্তানি বাড়ানোর চেষ্টা করছে,
তবে তা হরমুজের ক্ষতি পূরণে যথেষ্ট নয়। বিশ্লেষক পল গুডেন বলেন,
উত্তেজনা কমলেও তেলের দাম আগের ৬০-৭০ ডলারের স্তরে ফিরবে না। সরবরাহ সংকট
আরও দীর্ঘ হলে পরিণতি হবে আরও গভীর।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















