ইরানের খার্গ দ্বীপে একাধিক সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে বড় ধরনের নিখুঁত হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, হামলায় ৯০টির বেশি সামরিক স্থাপনা ধ্বংস করা হয়েছে, তবে গুরুত্বপূর্ণ তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখা হয়েছে।
খার্গ দ্বীপে বড় সামরিক অভিযান
মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) তথ্য অনুযায়ী, শুক্রবার রাতে ইরানের খার্গ দ্বীপে এই ব্যাপক হামলা চালানো হয়। যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে।

সেন্টকম জানায়, অভিযানের সময় দ্বীপটির তেল স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়—সেটি বিশেষভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে। কারণ খার্গ দ্বীপ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত।
ধ্বংস করা হয়েছে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক স্থাপনা
মার্কিন সামরিক বাহিনী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে জানিয়েছে, হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর মাইন সংরক্ষণাগার, ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণ বাঙ্কারসহ একাধিক সামরিক অবকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে।
তাদের দাবি, এসব স্থাপনা ইরানের সামরিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছিল।
হরমুজ প্রণালি ঘিরে উত্তেজনার প্রেক্ষাপট

এই হামলার আগে শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের ওপর হামলা বন্ধ না করে, তবে খার্গ দ্বীপের তেল অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা চালানো হতে পারে।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হিসেবে পরিচিত হরমুজ প্রণালিতে সাম্প্রতিক সময়ের উত্তেজনা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে।
বর্তমান পরিস্থিতি
সেন্টকমের বক্তব্য অনুযায়ী, এই অভিযানে ইরানের সামরিক সক্ষমতার গুরুত্বপূর্ণ অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তবে তেল অবকাঠামো অক্ষত রাখার বিষয়টি আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের প্রভাব পড়া থেকে পরিস্থিতিকে আংশিকভাবে রক্ষা করেছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















