ইরান সমর্থিত একটি মিলিশিয়া গোষ্ঠী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাসে রাতের হামলার দায় স্বীকার করেছে। একই সময়ে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে নিরাপদে এগিয়ে নিতে অন্যান্য দেশকে সহযোগিতার আহ্বান জানিয়েছেন।

বাগদাদে দূতাবাসে হামলা
ইরাকের রাজধানী বাগদাদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাস লক্ষ্য করে গভীর রাতে হামলা চালানো হয়। পরে ইরানপন্থী একটি সশস্ত্র মিলিশিয়া গোষ্ঠী এই হামলার দায় স্বীকার করে। ঘটনাটি এমন এক সময়ে ঘটল, যখন মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আগের চেয়ে বেশি তীব্র হয়ে উঠেছে এবং যুক্তরাষ্ট্র–ইরান সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্র ও নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, হামলাটি দূতাবাস এলাকার নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। এ ধরনের হামলা কূটনৈতিক মিশনগুলোর নিরাপত্তা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

হরমুজ প্রণালী নিয়ে ট্রাম্পের আহ্বান
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, যাতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথভাবে পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি রুট হিসেবে পরিচিত এই প্রণালী দিয়ে বিপুল পরিমাণ তেল পরিবহন হয়। তাই সেখানে নিরাপত্তা ঝুঁকি বাড়লে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ এবং অর্থনীতির ওপর বড় প্রভাব পড়তে পারে।
ট্রাম্পের মতে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথে নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে বিভিন্ন দেশের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। তিনি বলেন, তেল পরিবহনের নিরাপত্তা শুধু যুক্তরাষ্ট্রের নয়, বরং বৈশ্বিক স্বার্থের সঙ্গেও সরাসরি জড়িত।

আঞ্চলিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা
বাগদাদে দূতাবাসে হামলা এবং হরমুজ প্রণালী নিয়ে উদ্বেগ—দুটি ঘটনাই মধ্যপ্রাচ্যের সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যাতে সংঘাত আরও বিস্তার লাভ না করে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















