০৯:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
উপসাগরীয় তেল সংকট সরকারগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতি উন্মোচন করছে লাল রঙের শক্তি: শিল্পের ইতিহাসে এক রঙের বিস্ময় বিদেশে নতুন জীবন, ক্যামেরায় গল্প: ফিলিপিনো নারীদের ভাইরাল যাত্রা ও ভাঙছে পুরনো ধারণা সাংহাইয়ে বয়স্কদের কাজে ফেরানোর উদ্যোগ, জনসংখ্যা সংকটে নতুন পথ খুঁজছে চীন আশা ভোঁসলেকে নিয়ে রুনা লায়লার স্মৃতিচারণ: আমার প্রিয় আশা দিদি পশ্চিমবঙ্গের ভোটের আগে ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়ার আশঙ্কায় ফিরছে লাখো অভিবাসী শ্রমিক ভেনেজুয়েলা: মাদুরো-পরবর্তী পরিবর্তনের আশাবাদ, বাস্তবতায় রয়ে গেছে বড় অনিশ্চয়তা জ্বালানি সংকটে অ-ভর্তুকিযুক্ত তেলের দাম হঠাৎ লাফিয়ে বৃদ্ধি, বৈশ্বিক সরবরাহ চাপে বাড়ছে উদ্বেগ কাতার: যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের মাঝে আটকে পড়া এক অর্থনৈতিক ধাক্কার গল্প জ্বালানি সংকটে সরকারের দেরি নিয়ে সংসদে তোপ, দীর্ঘ লাইনের চিত্র তুলে ধরলেন রুমিন ফারহানা

উত্তরায় রিকশাচালক হত্যার গুজব ঘিরে মধ্যরাতে রণক্ষেত্র, পুলিশ-বিক্ষুব্ধদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ঘিরে মধ্যরাতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর একটি শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। রাতভর উত্তেজনা চলার পর ভোরের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

গুজব ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার গভীর রাতে উত্তরার একটি শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে ওই রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মরদেহ ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

এই খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রিকশাচালক ও স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন এবং সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভাঙচুর চালান।

রিকশাচালক হত্যার অভিযোগে উত্তাল উত্তরা, সংঘর্ষ ও ভাঙচুর

পুলিশ ও বিক্ষুব্ধদের সংঘর্ষ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষের সময় বিক্ষুব্ধরা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। দীর্ঘ সময় ধরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

রিকশাচালককে মারধর করে শপিংমলে বেঁধে রাখার খবরটি গুজব

তল্লাশি চালিয়েও মেলেনি মরদেহ

ঘটনার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে তল্লাশি চালালেও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একজন নিখোঁজ থাকার কথা বলা হলেও তার নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কেউ নিহত হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত নয়। পুরো ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে।

ঘটনার পর এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উপসাগরীয় তেল সংকট সরকারগুলোর প্রস্তুতির ঘাটতি উন্মোচন করছে

উত্তরায় রিকশাচালক হত্যার গুজব ঘিরে মধ্যরাতে রণক্ষেত্র, পুলিশ-বিক্ষুব্ধদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া

০১:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর উত্তরা এলাকায় এক রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ ঘিরে মধ্যরাতে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর একটি শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও, ভাঙচুর এবং পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। রাতভর উত্তেজনা চলার পর ভোরের দিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।

গুজব ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজনা

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রবিবার গভীর রাতে উত্তরার একটি শপিং কমপ্লেক্সের নিরাপত্তাকর্মীর সঙ্গে এক রিকশাচালকের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা হাতাহাতিতে রূপ নেয়। পরে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে যে ওই রিকশাচালককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে এবং তার মরদেহ ভবনের ভেতরে লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

এই খবর দ্রুত আশপাশের এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে রিকশাচালক ও স্থানীয় লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তারা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে শপিং কমপ্লেক্স ঘেরাও করেন এবং সড়ক অবরোধের পাশাপাশি ভাঙচুর চালান।

রিকশাচালক হত্যার অভিযোগে উত্তাল উত্তরা, সংঘর্ষ ও ভাঙচুর

পুলিশ ও বিক্ষুব্ধদের সংঘর্ষ

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষুব্ধদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করে। এতে ক্ষুব্ধ জনতার সঙ্গে দফায় দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়।

সংঘর্ষের সময় বিক্ষুব্ধরা পুলিশের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং সাউন্ড গ্রেনেড নিক্ষেপ করে। দীর্ঘ সময় ধরে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া চলার পর রাত সাড়ে তিনটার দিকে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে।

রিকশাচালককে মারধর করে শপিংমলে বেঁধে রাখার খবরটি গুজব

তল্লাশি চালিয়েও মেলেনি মরদেহ

ঘটনার পর নিরাপত্তা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেখানে পুলিশ ও সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা শপিং কমপ্লেক্সের ভেতরে তল্লাশি চালালেও এখন পর্যন্ত কোনো মরদেহ পাওয়া যায়নি।

ঢাকা মহানগর পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, একজন নিখোঁজ থাকার কথা বলা হলেও তার নাম-পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। কেউ নিহত হয়েছে কি না, তাও নিশ্চিত নয়। পুরো ঘটনার সত্যতা যাচাই করতে সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করা হবে।

ঘটনার পর এলাকাজুড়ে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।