লিড: যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানই চুক্তির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে, তিনি নন। একই সঙ্গে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন কৃষকদের জন্য নতুন সহায়তা প্যাকেজ আনার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
উত্তেজনা ও কূটনীতির দোলাচল
বৃহস্পতিবার এক মন্ত্রিসভা বৈঠকে সাংবাদিকদের সামনে ট্রাম্প বলেন, তিনি ইরানের সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া—এমন খবর তিনি পড়েছেন, তবে সেটি সম্পূর্ণ ভুল। তার ভাষায়, তিনি মোটেও মরিয়া নন, বরং ইরানই চুক্তির জন্য অনুরোধ জানাচ্ছে। ইরানের শাসনব্যবস্থাকে তিনি “অসুস্থ” ও “অশুভ” বলেও মন্তব্য করেন।
একই সময় তিনি কূটনীতি ও হুমকির মধ্যে দোলাচল বজায় রাখেন। হরমুজ প্রণালীর অবরোধ ভেঙে আসা তেলের জাহাজগুলোকে তিনি ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য এক ধরনের “উপহার” হিসেবে উপস্থাপন করেন, যার ইঙ্গিত তিনি আগেই দিয়েছিলেন।
যুদ্ধের প্রভাব: তেলের দাম ও বৈশ্বিক উদ্বেগ
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের শুরু করা ইরানবিরোধী যুদ্ধ প্রায় এক মাসে পৌঁছালেও এর শেষের কোনো স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই। এই সংঘাতের কারণে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে এবং বৈশ্বিক অর্থনীতিতে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।
কৃষকদের জন্য নতুন সহায়তার ইঙ্গিত
এই বৈঠকেই ট্রাম্প জানান, তিনি শিগগিরই মার্কিন কৃষকদের জন্য নতুন সহায়তা ব্যবস্থা ঘোষণা করবেন। মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে কৃষকরা রাজনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ একটি গোষ্ঠী, অথচ তারা বর্তমানে সারমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বাজার হারানো এবং আর্থিক ক্ষতির চাপে রয়েছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতি ও ট্রাম্পের শুল্কনীতির প্রভাব তাদের সংকট আরও বাড়িয়েছে।

চীন বৈঠক পিছিয়ে যাওয়ায় হতাশা
এই মাসে ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্টের মধ্যে একটি বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রের সয়াবিন বড় আকারে কেনার আশা ছিল কৃষকদের। তবে সেই বৈঠক পিছিয়ে যাওয়ায় তাদের প্রত্যাশা ভেঙে গেছে। এখন বৈঠকটি মে মাসের মাঝামাঝি সময়ে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















