দেশের বিভিন্ন জ্বালানি ডিপোতে শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং অবৈধ মজুত ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) মোতায়েন করা হয়েছে।
গৃহ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগের কারণে কোথাও কোথাও অবৈধভাবে জ্বালানি মজুতের চেষ্টা চলছে—এমন তথ্য পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা শরিফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সমন্বিত পরিকল্পনায় নিরাপত্তা জোরদার
বিজিবি সদর দপ্তরের তত্ত্বাবধানে একটি সুসংগঠিত পরিকল্পনার মাধ্যমে এই মোতায়েন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এর মাধ্যমে জ্বালানি ডিপোগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে।
দূরবর্তী এলাকায় অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন
যেসব ডিপো বিজিবির স্থায়ী ইউনিট সদর দপ্তর থেকে দূরে অবস্থিত, সেসব স্থানে নিরাপদ জায়গায় অস্থায়ী বেস ক্যাম্প স্থাপন করে সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন।

৯ জেলায় ১৯টি ডিপোতে মোতায়েন
গত ২৫ মার্চ সকাল থেকে দেশের ৯টি জেলার ১৯টি ডিপোতে বিজিবি সদস্যরা মোতায়েন রয়েছেন। এর মধ্যে ঢাকায় একটি, কুড়িগ্রামে দুটি, রংপুর ও রাজশাহীতে তিনটি করে, সিলেটে দুটি, মৌলভীবাজার ও কুমিল্লায় তিনটি করে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও সুনামগঞ্জে একটি করে ডিপো রয়েছে।
নিয়মিত তদারকি ও কঠোর ব্যবস্থা
মোতায়েনকৃত সদস্যরা নিয়মিত নজরদারি চালাচ্ছেন এবং প্রশাসনিক ও নিরাপত্তা সংক্রান্ত নির্দেশনা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করছেন। একই সঙ্গে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে, যাতে অবৈধ মজুত ও বিক্রি প্রতিরোধ করা যায় এবং কোনো ধরনের নাশকতা দ্রুত ঠেকানো সম্ভব হয়।
সীমান্তে টহল জোরদার
জ্বালানি চোরাচালান রোধে সীমান্ত এলাকায় টহলও বাড়ানো হয়েছে। নদীপথে টহল বৃদ্ধি, চেকপোস্ট স্থাপন এবং আমদানি-রপ্তানির কাজে ব্যবহৃত ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহনে নিয়মিত তল্লাশি চালানো হচ্ছে।
এই সব পদক্ষেপের মাধ্যমে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় সরকার সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















