০৯:৪৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬
বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির ধ্বংস: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় বড় সতর্কবার্তা কিশোরদের মানসিক আশ্রয় যখন এআই: সহায়ক প্রযুক্তি নাকি নতুন ঝুঁকি? নেপালের মরদেহ শনাক্ত সংকট: এখনো নিখোঁজ ২,৪২৬ জন; ৫১৭ বিদেশি নাগরিক রাজধানীতে গ্যাস সংকট তীব্র, ৪০-৫০ টাকার গ্যাসের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা রংপুরে অটোরিকশাচালককে গলা কেটে হত্যা, নিখোঁজ গাড়ি উদ্ধারে অভিযান ঢাকার যানজট কমাতে ৪ মাসের সময়সীমা, করওয়ান বাজারের কাঁচাবাজার যাবে গাবতলীতে ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে এখন থেকেই মানুন ৫টি সহজ অভ্যাস নিজ দলের কর্মীর সঙ্গে বিরোধ, মারধরের পর যুবদল নেতার মৃত্যু একই দিনে মনপুরার ৩ শিশু নিখোঁজ, উৎকণ্ঠায় পরিবার সেমিফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ চূড়ান্ত, লড়াই হবে ভিক্টোরিয়ার সঙ্গে

বিশ্লেষণ- হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: পূর্ণ যুদ্ধে নয়, সতর্কবার্তা

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং এটি একটি সতর্কবার্তা—এমনটাই মনে করছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক নাবিল খৌরি।

প্রতীকী অংশগ্রহণ, পূর্ণ সংঘাতে নয়

নাবিল খৌরির মতে, হুথিরা মাত্র কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে মূলত নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। এটি “টোকেন অংশগ্রহণ”, অর্থাৎ প্রতীকী উপস্থিতি, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ নয়।

তিনি বলেন, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল, বিশেষ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা। এই প্রেক্ষাপটে হুথিরা বার্তা দিতে চেয়েছে যে তারা এখনো সক্রিয় রয়েছে।

نيوزيمن - Nabil Khoury questions the capabilities and control of Hadi's  government and asks: "What do they mean by the national army

ইরান ইস্যুতে হুথিদের অবস্থান

খৌরি ব্যাখ্যা করেন, হুথিরা মূলত ইঙ্গিত দিচ্ছে—যদি ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু হয়, তখন তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। তবে বর্তমানে তারা সেই পর্যায়ে যায়নি।

লোহিত সাগরের প্রবেশপথ হতে পারে বড় ঝুঁকি

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে নামে, তাহলে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বাব আল-মান্দাব প্রণালী অবরোধ করা। এই প্রণালী লোহিত সাগরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ।

খৌরি সতর্ক করে বলেন, হুথিরা যদি নৌকা, মাইন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই পথ বন্ধ করে দেয়, তাহলে কয়েকটি জাহাজে হামলাই পুরো বাণিজ্যিক নৌ চলাচল থামিয়ে দিতে পারে।

হরমুজের পর রুদ্ধ হতে পারে লোহিত সাগরের পথ

উত্তেজনা বাড়লে দ্রুত পাল্টা হামলার আশঙ্কা

তিনি আরও বলেন, লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক পথ বন্ধ হয়ে গেলে তা আন্তর্জাতিকভাবে ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচিত হবে। এমন পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের ওপর দ্রুত সামরিক হামলা শুরু হতে পারে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বাহরাইনে মার্কিন নৌঘাঁটির ধ্বংস: যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তায় বড় সতর্কবার্তা

বিশ্লেষণ- হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: পূর্ণ যুদ্ধে নয়, সতর্কবার্তা

০৩:০৮:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার আবহে ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠীর সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলাকে সরাসরি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে অংশগ্রহণ হিসেবে দেখা হচ্ছে না। বরং এটি একটি সতর্কবার্তা—এমনটাই মনে করছেন সাবেক মার্কিন কূটনীতিক নাবিল খৌরি।

প্রতীকী অংশগ্রহণ, পূর্ণ সংঘাতে নয়

নাবিল খৌরির মতে, হুথিরা মাত্র কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়ে মূলত নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে। এটি “টোকেন অংশগ্রহণ”, অর্থাৎ প্রতীকী উপস্থিতি, পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ নয়।

তিনি বলেন, অঞ্চলে উত্তেজনা বাড়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা চলছিল, বিশেষ করে মার্কিন সেনা মোতায়েন এবং ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য বড় ধরনের হামলার আশঙ্কা। এই প্রেক্ষাপটে হুথিরা বার্তা দিতে চেয়েছে যে তারা এখনো সক্রিয় রয়েছে।

نيوزيمن - Nabil Khoury questions the capabilities and control of Hadi's  government and asks: "What do they mean by the national army

ইরান ইস্যুতে হুথিদের অবস্থান

খৌরি ব্যাখ্যা করেন, হুথিরা মূলত ইঙ্গিত দিচ্ছে—যদি ইরানের বিরুদ্ধে বড় আকারের সামরিক অভিযান শুরু হয়, তখন তারা সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়তে পারে। তবে বর্তমানে তারা সেই পর্যায়ে যায়নি।

লোহিত সাগরের প্রবেশপথ হতে পারে বড় ঝুঁকি

বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি হুথিরা সরাসরি যুদ্ধে নামে, তাহলে তাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বাব আল-মান্দাব প্রণালী অবরোধ করা। এই প্রণালী লোহিত সাগরে প্রবেশের অন্যতম প্রধান পথ।

খৌরি সতর্ক করে বলেন, হুথিরা যদি নৌকা, মাইন বা ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে এই পথ বন্ধ করে দেয়, তাহলে কয়েকটি জাহাজে হামলাই পুরো বাণিজ্যিক নৌ চলাচল থামিয়ে দিতে পারে।

হরমুজের পর রুদ্ধ হতে পারে লোহিত সাগরের পথ

উত্তেজনা বাড়লে দ্রুত পাল্টা হামলার আশঙ্কা

তিনি আরও বলেন, লোহিত সাগরের বাণিজ্যিক পথ বন্ধ হয়ে গেলে তা আন্তর্জাতিকভাবে ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচিত হবে। এমন পরিস্থিতিতে ইয়েমেনের ওপর দ্রুত সামরিক হামলা শুরু হতে পারে।