দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ আবারও কমে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে। মাত্র দুই সপ্তাহের ব্যবধানে রিজার্ভ নেমে এসেছে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলারে, যা সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক বাস্তবতায় একটি গুরুত্বপূর্ণ সংকেত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
রিজার্ভ কমার সর্বশেষ চিত্র
বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৯ মার্চ পর্যন্ত দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে চলতি মাসের ১৬ মার্চ রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ মাত্র দুই সপ্তাহে রিজার্ভ কমেছে প্রায় ০.৩০ বিলিয়ন ডলার।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই পতন
রিজার্ভ কমে যাওয়ার অর্থ হলো আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক ঋণ পরিশোধ এবং ডলার বাজার স্থিতিশীল রাখার সক্ষমতায় চাপ তৈরি হওয়া। বিশেষজ্ঞদের মতে, ধারাবাহিকভাবে রিজার্ভ কমতে থাকলে তা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
অর্থনীতিতে সম্ভাব্য প্রভাব
রিজার্ভ কমে গেলে ডলারের ওপর চাপ বাড়তে পারে, যার ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি এবং বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে। একই সঙ্গে বৈদেশিক লেনদেনেও সতর্কতা বাড়তে পারে।
পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কেন্দ্রীয় ব্যাংক
বাংলাদেশ ব্যাংক পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে বিভিন্ন নীতি সহায়তা ও পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















