মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান মঙ্গলবার জাতীয় সংসদকে জানিয়েছেন, বিগত সরকারের আমলে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় যেসব অনিয়ম ও কারসাজি হয়েছে, সেগুলো চিহ্নিত করে সংশোধনের কাজ সক্রিয়ভাবে চলছে। তিনি প্রতিশ্রুতি দেন, শীঘ্রই প্রকৃত ও নির্ভুল তালিকা জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে।
ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা সুবিধা নিয়েছে, প্রকৃতরা বঞ্চিত হয়েছে
ট্রেজারি বেঞ্চের সাংসদ জয়নুল আবদিন ফারুকের পরিপূরক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আজম জানান, বিগত সরকারের সময় বহু প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাকে ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তাদের সনদ স্থগিত রাখা হয়েছে এবং নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। অন্যদিকে বহু ভুয়া মুক্তিযোদ্ধাকে তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে অবৈধভাবে ভাতা ও সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ে অভিযোগের পাহাড়, তদন্ত চলছে
মন্ত্রী জানান, এ বিষয়ে তার মন্ত্রণালয়ে অনেক অভিযোগ জমা পড়েছে এবং সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। সাংসদ ফারুক উল্লেখ করেন, বিগত ১৭ বছরে উপজেলা পর্যায়ে মুক্তিযোদ্ধা ভবনের কোনো অবকাঠামো তৈরি হয়েছে কিনা তা তদন্তে বেরিয়ে আসবে এবং বিএনপি-সমর্থক অনেক মুক্তিযোদ্ধাকে সেই সময়ে ভাতা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছিল। সংসদ অধিবেশন মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে তিনটায় স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমাদের সভাপতিত্বে শুরু হয়।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















