কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জ্বালানি ট্যাংকে ইরানি ড্রোন হামলায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) কুয়েতের বেসামরিক বিমান চলাচল অধিদফতরের মুখপাত্র আব্দুল্লাহ আল-রাজহি জানান, বিমানবন্দরটি ইরান ও তার সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর ‘ধৃষ্টতাপূর্ণ’ হামলার শিকার হয়েছে। রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কুনার বরাতে জানা গেছে, জ্বালানি ট্যাংকে আঘাত লাগায় বড় আকারের আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং জরুরি দল ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়।
একই দিনে বাহরাইনেও আগুন
একই দিনে বাহরাইনেও একটি অজ্ঞাত স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের খবর আসে। বাহরাইনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে ইরানি আগ্রাসনের ফলে একটি কোম্পানির স্থাপনায় আগুন লেগেছে এবং দমকল বাহিনী তা নিয়ন্ত্রণে আনছে। উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে ইরানের পাল্টা হামলার তীব্রতা ক্রমশ বাড়ছে। কুয়েতের বিমানবন্দর গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ রয়েছে এবং সৌদি আরব কুয়েতের যাত্রীদের জন্য বিকল্প বাস সেবার ব্যবস্থা করেছে।
বৈশ্বিক তেল সরবরাহে নতুন আঘাত
কুয়েত পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন এর আগে জানিয়েছিল যে দুবাইয়ের উপকূলে নোঙর করা তাদের তেলবাহী জাহাজ আল-সালমিতেও ইরানি ড্রোন হামলায় আগুন ধরেছিল, যা পরে নিভিয়ে ফেলা হয়। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে তেলবাহী জাহাজ পর্যন্ত এই হামলাগুলো উপসাগরীয় অঞ্চলের শক্তি অবকাঠামোকে নতুন ধরনের হুমকির মুখে ফেলেছে। আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইউএনডিপি জানিয়েছে যুদ্ধের এক মাসেই আরব বিশ্বের অর্থনীতিতে ১২০ থেকে ১৯৪ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়েছে।

সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















