মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের ১২০টিরও বেশি ঐতিহাসিক ও সাংস্কৃতিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বিষয়ক মন্ত্রী। আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, এই হামলাগুলো কেবল সামরিক অভিযান নয়, এটি ইরানের সভ্যতা ও জাতীয় পরিচয়ের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃত যুদ্ধ।
হাজার বছরের ঐতিহ্যে আঘাত

ইরান বিশ্বের অন্যতম প্রাচীন সভ্যতার দেশ। পারস্য সাম্রাজ্যের নিদর্শন থেকে শুরু করে ইসলামি স্থাপত্য পর্যন্ত দেশটিতে ইউনেস্কো স্বীকৃত একাধিক বিশ্ব ঐতিহ্যস্থান রয়েছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এই স্থাপনাগুলোর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়, হাসপাতাল, স্কুল এবং ওষুধ কারখানায় হামলা হয়েছে। আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যস্থানে ইচ্ছাকৃত হামলাকে যুদ্ধাপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মুসলিম বিশ্বের উদ্বেগ
ইরানের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো কেবল পারস্য জাতির গর্বের সম্পদ নয়, এগুলো ইসলামি ইতিহাস ও সংস্কৃতির অংশ। ইমামদের মাজার, মসজিদ, মাদরাসা ও মধ্যযুগীয় বাজার থেকে শুরু করে প্রাক-ইসলামিক পারস্য নিদর্শন পর্যন্ত সব কিছুই ঝুঁকির মুখে রয়েছে। বিবিসি ভেরিফাইয়ের একটি বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ইরানের লামেরদ শহরে আবাসিক ভবন ও একটি ক্রীড়াহলে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক প্রিসিশন স্ট্রাইক মিসাইল (পিআরএসএম) ব্যবহার করা হয়েছে। যুদ্ধের ধ্বংসযজ্ঞ কেবল সামরিক অবকাঠামোতে সীমাবদ্ধ নয়, ইরানের মানুষের দৈনন্দিন ও সাংস্কৃতিক জীবনেও এর আঘাত পড়ছে।
সারাক্ষণ রিপোর্ট 



















